Sunday, December 23, 2007

টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী? ৪

তারপর আরো কিছুকাল গেলো। কিছুকাল ব্যাপারটা যেভাবে যায় সেভাবেই গেলো। মীর মশাররফ হোসেন হলে একদা ফ্লোরিং করতাম। তারপর খাটে উঠলাম। তারপর নানা যূগ পেরিয়ে ডাবল রুমে একা। ১০২ বি। বসন্তের বাতাসের মতো বর্ষার জলও আড়াআড়ি বয়ে যেত সে ঘরে। শীতকালে দেওয়ালগুলো হালকা সবুজে ফুলে উঠতো। আমি বিরাট ডবল রুমে আধকাঁটা মোরগের মতো ইচিং বিচিং খেলতাম হাঁচি দিতে দিতে। পলো দিয়ে ধরবার কেউ ছিল না। নাসিকা ফুলতে ফুলতে একপর্যায়ে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, December 02, 2007

টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী? ৩

তারপর সময় বরাবরের মতোই এলোমেলো। পৌণপুণিক ধরা খেতে খেতে একসময় প্ল্যান করাই বাদ দিলাম। সঞ্চয় বলতে ফেলে আসা সময়ের খাবলাখানেক টাস্কি। তাই থেকে পেটিবুর্জোয়া লবণ-চামচের আধপেটা চাখাচাখি।৭৫০ একরের এমাথা ওমাথা অনেক হলো। বাকি থেকে গেল আসলে যা লিখতে চেয়েছিলাম। প্রতিটা মজমার তলানিতে থেকে যেত কেবল পরবর্তী মজমার স্বত্ত্ব, ইউক্যালিপটাসগুলোকে ক্ষণিক চৈতন্যপ্রভা দিয়ে উবে যেত বোধি। ফজিলতের উছিলা ফিরে ফিরে আসতো।২২ ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...