<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622</id><updated>2011-12-03T22:40:02.473+01:00</updated><category term='রামকুমার চট্টোপাধ্যায়'/><category term='অক্টোবর ফেস্ট'/><category term='শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস'/><category term='ছাগুবান্ধব'/><category term='জার্মানী'/><category term='পোমো'/><category term='আড়িয়াল খাঁ'/><category term='ব্লগরব্লগর'/><category term='গল্প'/><category term='সিপিএম'/><category term='বঙ্গবীর'/><category term='উপন্যাস'/><category term='অণুগল্প'/><category term='চীন'/><category term='ধর্মীয় মৌলবাদ'/><category term='দৈনিকি চৈনিক ফুদ'/><category term='প্রথম তুষার'/><category term='মহাস্থানগড়'/><category term='দিওয়ালী'/><category term='নববর্ষ'/><category term='সুকুমার রায়'/><category term='ভাল্লাগেনা'/><category term='মৌলবাদ'/><category term='উত্তরাধুনিক'/><category term='পল রোবসন'/><category term='সেকুলারিজম'/><category term='পুরানো দিনের কথা'/><category term='টেরা-উপন্যাস'/><category term='মিউনিখ'/><category term='শোক'/><category term='শ্রেণী সংগ্রাম'/><category term='কালীপূজা'/><category term='মে দিবস'/><category term='গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৬০ বছর'/><category term='স্মৃতি'/><category term='কৈফিয়ৎ'/><category term='রাজনীতি'/><category term='সবুজ বাঘ'/><category term='এসিডিসি'/><category term='জার্মান নির্বাচন'/><category term='শচীনদেব বর্মন'/><category term='বাণিজ্য সম্ভাবনা'/><category term='ফেইসবুক'/><category term='গরু'/><category term='শ্রদ্ধাঞ্জলি'/><category term='ড.ইউনুস'/><category term='মোহাম্মদ জবায়ের'/><category term='উত্তরাধুনিক ধোঁয়াশা'/><category term='লাফটার শো'/><category term='বামপন্থী'/><category term='রাসেল'/><category term='কবিতা'/><category term='ধর্মীয় অনুভুতি'/><category term='শমিত'/><category term='দর্শন'/><category term='স্যাটায়ার'/><category term='পাকিস্তান'/><category term='কার্ল মার্কস'/><category term='খাগড়াছড়ি'/><category term='ছাগুগান'/><category term='ধারাবাহিক'/><category term='নিয়মিত লেখা আর ব্লগের লেখা'/><category term='বিপ্লব'/><category term='সচলাড্ডা'/><category term='রাজনৈতিক উন্নয়ন'/><category term='চাউল'/><category term='সচলায়তন'/><category term='কছ কী'/><category term='সামহোয়ার'/><category term='দীপাবলি'/><category term='টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী'/><category term='বরাহদের স্মৃতিভ্রম'/><category term='আন্তর্জাতিক'/><category term='জ্যোতি বসু'/><title type='text'>টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কি?</title><subtitle type='html'></subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>143</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-4646169213496179929</id><published>2011-07-02T15:05:00.000+02:00</published><updated>2011-09-24T15:09:22.435+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেকুলারিজম'/><title type='text'>খৎনাকৃত সেকুলারিজম, প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর নৌকাছাগুদের বুদ্ধিখুঁটি</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;প্রতিবারই জোর করে কী-বোর্ডের সামনে বসার সময় মনে হয় আমার অস্তিত্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চারদিকে যতকিছু ঘটে যাচ্ছে তার বৃত্তান্ত টুকে রাখার আমি কে? আমার দায় কী? পরে সুবিধামতো বুঝে উঠি দায়টায় কিছু না। বস্তুজগতের অতিক্ষুদ্রকণা হিসাবে অন্তত স্বগতোক্তি&amp;nbsp; করে যাচ্ছি। ব্লগ জিনিসটা দিনলিপি হিসাবে শুরু হলেও শেষ পর্যন্ত যেমন দিনলিপিতে থেমে থাকে নাই সেরকম আবার ব্লগে দিনলিপি লেখা হারামও হয়ে যায় নাই। এরকম ভাবতে ভাবতে একেক সময় নিজের মতো দিলখুশ হয়ে একাএকা বিড়বিড় করে হাসি। এইসব হাসির বেশীরভাগ শেষ পর্যন্ত কী-বোর্ডের বুকেহাত দেওয়া অব্দি পৌঁছায় না।&lt;/i&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;সচলায়তনের জন্মদিন গেল গতকাল। সারাটা দিন বসে ছিলাম মনিটরের সামনে। একসঙ্গে অনেককিছু লেখার ইচ্ছে হলেও শেষমেষ তেহারি রান্না করে হিমুকে ডাক দিলাম। অনেক ধুনফুনালাপের ফাঁকে ফাঁকে একটা কথাই খোঁচাচ্ছিল। কতকাল কিছু লিখি না! সেই জানুয়ারী থেকে দেশেবিদেশেব্লগাবর্তে কতকিছু ঘটে গেল। একটা সময় ইস্যু মাটিতে পড়তে দিতাম না। এখন সেইসব দিন পৌরাণিক। আমাদের সেদিনের সেই নবজাতক গতকাল চারবছর পুরো করে ফেলল। সে এখন সগৌরবে পরিমাণগত থেকে গুণগত রূপান্তরের স্তরে। শুধু অভিনন্দন দিয়ে কি আর মন ভরে?&lt;/i&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১. &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;অবশেষে সংবিধান সংশোধন হলো। একে সঙশোধন বললে আবার সঙের মানসন্মান নিয়ে টানটানি পড়ে। সর্বোচ্চ আদালত ৫ম আর ৭ম সংশোধনী বাতিল করলে তাতে "বিসমিল্লাহ"/"রাষ্ট্রধর্ম" সবই বাতিল হয়েছিল। কিন্তু সংসদে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনধারী সরকারী দল লেগে পড়লো আদালতের সেই রায়কে "যূগোপযোগী " করতে। স্বৈরশাসক হোসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারী দলের মিত্র বিধায় তাঁকে খুশি না করার আর কোন রাস্তা দেখা গেল না। সেইসূত্রে সামরিক শাসন জারির দায় থেকে মুক্তি পেলেন লেজেহোমো। রক্ষা পেল ইসলামের সওগাত নিয়ে আসা রাষ্ট্রধর্মও।&amp;nbsp; আবার প্রধান বিরোধী দলের সংযোজন করা "বিসমিল্লাহ"&amp;nbsp; রেখে দিয়ে তাঁদেরও খানিকটা বাধিত করা হলো। থেকে গেল ধর্মভিত্তিক রাজনীতিও। স্পষ্ট মনে পড়ে নব্বই দশকে তর্জনি নেড়ে নেড়ে খালেদা জিয়া বলতো, " অ্যামর‍্যা স্যাংবিধানে বেসমেল্লা স্যাংজোজন করেছি..."। সেই সময় ক্ষমতাসীন দল আর তার সমর্থক বুদ্ধিঢেঁকিরা যা বলতেন সেগুলিও মনে পড়ে। মনে পড়ে ১৯৭২এর সংবিধান পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার দোহাই দিয়ে তাবৎ আওয়ামী অপরাধ হালাল করার নিরন্তর মকারি। এইসব বুদ্ধিঢেঁকিদের সকলেই যে আওয়ামী খাইসলতের হালুয়ারুটির ভাগ পেতেন তা না। বলবো বেশীরভাগই এগুলি বলতেন একধরণের রাজনৈতিক বিশ্বাস থেকে। এই বিশ্বাস যে &lt;b&gt;ছাগু বিশ্বাস&lt;/b&gt; তাও আমরা বহুদিন থেকে বুঝি। কিন্তু এই "বুঝ"টা "জানা"য় পরিণত হলো গতপরশু। আর সেই "জানা" থেকে প্রাপ্ত হলো বোধিস্বত্ব। আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেলে কতটা মোটা করে আঁটি বাঁধতে পারে ইতিহাসে তার একটা স্পষ্ট প্রমাণ থেকে গেলো। আওয়ামী লীগ পরিণত হলো &lt;b&gt;খৎনা লীগে&lt;/b&gt; আর তাদের অ্যাপোলোজিস্টরা &lt;b&gt;নৌকাছাগুতে&lt;/b&gt;। খৎনা লীগকে প্রগতিশীল প্রমাণে মেধাক্ষয়ও &lt;b&gt;ছাগুকর্ম&lt;/b&gt;।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কথা হচ্ছে যারা খৎনা ছাড়া সেকুলারিজমের সমর্থক, যারা স্পষ্টত:ই ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এবং ধর্মের রাজনৈতিক ব্যবহারের বিরুদ্ধে, যারা একই সঙ্গে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠনের বিপক্ষে অর্থাৎ যারা এইসব প্রবল মকারিঝঞ্ঝার মধ্যেও সত্যি সত্যি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে তাঁদের কর্তব্য কী? আমি বলবো অতীতের থেকে অনেক বেশি করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পক্ষে লড়াই করতে থাকা। এই লড়াই চলবে সর্বত্র। বারে বারে চোখে আঙ্গুল দিয়ে রাষ্ট্রের পরস্পরবিরোধীতার জায়গাগুলি দেখিয়ে দিতে হবে। মাঠের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নির্মাণে এই চোখে আঙ্গুল দেওয়াগুলি একমাত্র না হলেও অতিঅবশ্য কর্তব্যগুলির একটি। প্রগতির পক্ষে মতাদর্শিক আধিপত্য সৃষ্টি পরিমাণগত থেকে গুণগত রূপান্তরে খুবই জরুরি। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এই লড়াই এর অনেকগুলি মাঠের মধ্যে একটা হচ্ছে ব্লগ। গণসংযোগে ব্লগের দানবিয় ক্ষমতাকে রাষ্ট্র একটু একটু করে বুঝতে শুরু করেছে। সুতরাং ব্লগে প্রচুর লাফালাফি অব্যহত থাকতেই হবে। সেই লাফালফিতে সচলায়তন তাঁর জন্মের শর্তানুসারেই অগ্রগামী। কিন্তু এতে আত্মতৃপ্ত হবার কোন সুযোগ নাই। সচলদের সক্রিয়তা আগের থেকে আরো অনেক অনেক বেশি বাড়তে হবে। মনে রাখতে হবে সচলায়তন আক্ষরিক অর্থে একটা সেকুলার প্লাটফর্ম যার স্বরূপ লিঙ্গবাদি না। সুতরাং তার খৎনা দেবারও কোন প্রশ্ন ওঠে না। &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জন্মদিনে তাই আর কোন পাতলা অভিনন্দন না। সচলদের প্রতি আহ্বান থাকলো সচলোপযোগী গাদা গাদা &lt;b&gt;আজাইরা লেখালেখি&lt;/b&gt; অব্যহত রাখতে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমাদের সচলায়তন লড়ে যাক বাতিলের পক্ষে। গায়েবের বিপক্ষে।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-4646169213496179929?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/4646169213496179929/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=4646169213496179929' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4646169213496179929'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4646169213496179929'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2011/09/blog-post.html' title='খৎনাকৃত সেকুলারিজম, প্রাকৃতিক সম্পদ লুণ্ঠন,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর নৌকাছাগুদের বুদ্ধিখুঁটি'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-9011658845698387132</id><published>2011-03-13T15:49:00.000+01:00</published><updated>2011-03-13T15:49:25.440+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অণুগল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>ক্যাচ মি ইফ য়ূ ক্যান</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ব্যাথাটা এবার ডান  খাঁচার নিচে বেশ খানিকটা গভীর থেকে আসছে। আর ছোট ছোট একেকটা চুমুকে দেওয়াল  থেকে বহুদূরে থাকা ড্রিল মেশিনের ঝিম্ প্রতিধ্বনি। কী-বোর্ডে আরো খানিক  খুট খুট। তারপর আবার ব্যাকস্পেসে চাপ। রুশ দোকানে ভদকার ওফার ছিল। আধা  লিটারের বোতল তিন ইউরো নিরানব্বই সেন্ট।  এবার শীতের একেবারে শুরু থেকেই  চলছে। স্টক শেষ হওয়া পর্যন্ত চলবে। নাতাশা, ইরিনা, গালিয়েভা, স্তানেভা,  পুদোভকীনাদেরও এরকম অফার থাকলে হতো।  ভদকার বিক্রি বাড়তো আরো খানিক।  শুয়োরের বিক্রিও বাড়তো। বিশেষ করে কিমার। চমৎকার একটা মেশিন আছে ঐ দোকানে।  এদিক থেকে থোকা থোকা মাংস ভরে দাও ওদিকে বড়ো একগাছা সুতলীর মতো কিমা বেরিয়ে  আসবে।  সোভিয়েত আমলের যন্ত্রটা অন্যরকম ছিল। একধারে হাতল ঘুরিয়ে পেষাই  করতে হতো। বেশ শক্তির ব্যাপার। আবার চিলিক দিয়ে উঠলো বুকের মধ্যে।  বারান্দায় গিয়ে গোটা চার/পাঁচ টান দিয়েই সোজা টয়লেটে গিয়ে বসে পড়তে হলো।  সস্তা তামাকে অন্তত হাগাটা ভালো হয়। মাঝে নেশাটা একটু জমে উঠে কেমন ঘাম  দিতে থাকে। হাত ধুয়ে মুখে পানিটানি দিয়ে ঘরে ফিরতে ফিরতে মিলিয়ে আসা  ফ্ল্যাশের শব্দের সাথে শরিরটা ঝরঝরে লাগতে থাকে। ব্যাথাটাও নাই। দুটো  সিগারেট বানিয়ে আবার বারান্দায়। ঘরে হিটার অন করা আছে। শীতের  সময়টা পিসির  সামনে বসে ফোঁকা হয়ে ওঠে না। পরশু বাসাটা ছেড়ে দিতে হবে। তিনমাসের ভাড়া  বাকি। ঠাণ্ডা বাড়ছে। একটু আগেও মাইনাসের বাতাস বসন্তের মতো লাগছিলো। গলা  শুকিয়ে আসছে। আধা লিটার বীয়ারের গ্লাসভরে ঢক ঢক করে লিটারখানেক পানি খাওয়া  গেলো। এইচটুও। হাঁটুর নিচ থেকে পা কেমন ভারি লাগছে। পিসির স্ক্রীনে প্রচুর  ধূলা। সিপিইউ’র খাঁজেও। য়ূথা বলেছিল একদিন পুরো ঘরটা কোনাকাঞ্চি মেরে সাফ  করতে হবে। পুরো সাফসুতরো হলে একদিন ফ্লোরেই হবে। হয়েছিলো। ফ্লোরে ধূলাবালি  আজকের থেকে খানিকটা কম ছিলো। শেষদিকে য়ূথাও কেমন গিধ্বর হয়ে উঠছিলো।  সপ্তাহে দেড় সপ্তাহে একবার গোসল করতো। সাদা বা রূপালী ব্রায়ের ফিতায় গায়ের  ছাতা স্পষ্ট দেখা যেতো। মাঝে মাঝে খিল খিল করে হেসে বলতো নিজদের  দুর্গন্ধগুলি চিনে নিতে না পারলে মহব্বত থাকে না। ওয়ার্ডরোবে নিচের  ড্রয়ারের মুখে মা কালীর মতো জিভ বের করে আছে যূথার প্যান্টি। কালো নেটের এই  সেটটা গত জুনে ওর জন্মদিনের উপহার ছিলো। কালো অন্তর্বাসের আলাদা ইয়ে আছে।  বিশেষ করে বক্ষবন্ধনীর। জার্মান ভাষায় বলে বুযেনহাণ্টার। আক্ষরিক অনুবাদ  দাঁড়ায় বক্ষধারক। দর্শনেই পার্থক্য। ধরে রাখা আর বেঁধে ফেলা। নতুন বাসার  কশান জোগাড় হয় নাই। এই বাসার বাকি ভাড়াটাও না। যূথার বর্তমান বন্ধু মালদার  শুনেছে। কিন্তু কেউই ফোন ধরছে না কাল সন্ধ্যা থেকে। হয়তো অনেক দূরের কোন  গ্রামে কোন ডুপ্লেক্স ভিলায় রাসোৎসব চলছে। কিংবা নেট ওয়ার্ক নেই। কিংবা  ইচ্ছা করেই। য়ূথার পায়ে প্রায়ই ক্র্যাম্প হতো। বিশেষ করে ম্যারাখন  ইনিংসগুলির শেষে। অনেক্ষণ মাসাজের পরে ঠিক হতো। কোঁৎ করে একটা ডাবল পেগ  মেরে আরো দুইটা সিগারেট নিয়ে আবারো বারান্দায়। এবার কানটুপি মাথায়।  তাপমাত্রা কম করে মাইনাস দুই তো হবেই। কোনটা কুয়াশা কোনটা তামাক পোড়া ধোঁয়া  বোঝা মুস্কিল। রিং বানানোর ব্যর্থ চেষ্টা করা গেলো বার দুয়েক। সেই কিশোর  বয়স থেকেই চেষ্টা চলছে। হচ্ছে না। ১৯৯০ সালে তানিয়া বলেছিল বিড়ি খাওয়া  পোলাগো লগে কথা কই না। তানিয়ার জামাই ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোতে চাকরি করে।  ওদের সবমোট চারটা ইস্যু। তারমধ্যে একজোড়া জমজ। তানিয়ার বুক এখন  কতো বড়ো  হয়েছে? একাদশ শ্রেণীতেই একজোড়া ডাবের মতো ছিল। কোকোনাট উওম্যান। অনেকদিনপরে  গলায় একটু সুর ভাঁজে। কোকোনাট উওম্যান ইজ কলিং আউট অ্যান্ড এভরি ডে য়ূ  ক্যান হিয়ার হার শাউট। ছিপি খুলে বাকিটা গলায় ঢালা গেলো। হ্যারী বেলাফন্টের  সাথে রাম হলে জমতো। বোতলে কতটা ছিল বোঝা যাচ্ছে না। আধা বোতল পার করার পরে  পরিমাণটা ঠিক বোঝা যায় না। তিনমাসের ভাড়া বাকি। য়ুথা কোকোনাট উওম্যান হলে  বেশ হতো। তাওয়ার তেল থেকে গোটা গোটা লার্ড তুলে খেতে খুব ভালো। গ্লাসের আর  বোতলের তলানি মিলিয়ে আরো আধাপেগমতো হবে। পাশের ফ্ল্যাটে মিসেস ক্নাপের  বুকটাও বেশ। এখন আর ঠাণ্ডা লাগছে না। কেমন মনে হচ্ছে বুক থাকলেই হেব্বি  একটা ব্যাপার। ভালো লাগছে। একটু চেষ্টা করতেই সবাইকে বিকিনিতে দেখা যাচ্ছে।  মিসেস ক্নাপ জার্মান সংসদে ব্রেস্ট ফিডিঙের উপর দুঘন্টা ধরে কী যেন বলছেন।  সাংসদরা কোরাস ধরেছেন। মামা লুক আ বু বু দে শাউট দেয়ার মাদার টেল দেম শাট  আপ ইওর মাউথ দ্যাট ইজ ইওর ড্যাডি ও নো মাই ড্যাডি ক্যান্ট বি আগলী সো।  দশতলার বারান্দা থেকে শনিবার রাতের ব্যস্ততা ভালো লাগছে। আলোগুলি ছোট ছোট  সরল রেখায় পিথাগোরাস থেকে ভাস্করাচার্যের চৌদ্দগুষ্টির মামাসীকে খুব করে  ভালোবাসছে।  পিথাগোরাসের উপপাদ্যের মাথায় বিছানা পেতে কোন মুণ্ডহীনা বিষন্ন  বসে আছে। ক্লাস সিক্সে থাকতে পাকনা মাসুম বলেছিল মাই দেখে মাগী চেনা যায়।  কিন্তু মুণ্ডহীনা ঘটোধ্নীর বিষন্নতা কাটাতেই হবে। তিনমাসের ভাড়াও জোগাড় হয়ে  যাবে। বারান্দার কার্নিশ থেকে আর  এই কিছুটা সামনে ........&lt;span&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;em class="clear links" id="node-shortcuts"&gt;&lt;/em&gt;         &lt;hr /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-9011658845698387132?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/9011658845698387132/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=9011658845698387132' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/9011658845698387132'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/9011658845698387132'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='ক্যাচ মি ইফ য়ূ ক্যান'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-166423815913719078</id><published>2011-01-09T13:05:00.000+01:00</published><updated>2011-01-09T13:05:27.507+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>শূন্যদশকের সালতামামি</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১৯৯০ থেকে বছরগুলির গতি একটু একটু করে  বাড়তে থাকে। এরকম রিলেরেসে পার হয়ে গেল মিলেনিয়াম। কিন্তু ২০০০ থেকে ২০১০  দোবরের চ্যাঙ দেখিয়ে চলে গেল ব্যোম্ফাটভুস্। এই ভেলকীটাই ভাবছিলাম নববর্ষের  সকালে লেপের ভিতর চিতকাইত হয়ে। চোখবুজে ভাবতে চেষ্টা করলাম। হ্যা মীর  মশাররফ হোসেন হল-রাজ্জাকের হোটেল-সমাজবিজ্ঞান ভবন-  ট্রান্সপোর্ট-চৌরঙ্গী-প্রান্তিক-বিশ মাইল-কলা ভবন-আল বেরুনী-সালাম  বরকত-কামাল উদ্দিন-ভাসানী-সংসপ্তক-জিমনাসিয়াম-বোটানিক্যাল- এক পাল শেয়ালের  ভো দৌড়-দুই নম্বর গেট .... তারপর সের্গেই বুবকার উর্ধ্বতন প্রপিতামহের   পোলভোল্টে প্রয়াত জাতীয় সমাজতন্ত্রীদের নিহত অস্ত্রাগার কাসেল শহরের  এক্কেবারে মাঝখানে। আস্ত একটা দশক পার করে দিলাম মুভি ক্যামেরার চলন্ত  পাটাতনে।   ঘটনার সংখ্যা অনেক। তবে কোথাও যেন মনোটোনাস লাগছিল। হতে পারে জীবন থেকে  দশটা বছর ঝরে পড়ায়। অথবা সময়টা হয়তো সত্যিই একঘেয়ে ছিল। অথবা হয়তো চিরকালই  এরকম ছিল এতকাল খিয়াল করে পেছনে তাকানো হয় নাই। আমার কেমন মনে হয় আধুনিক  মানুষ জীবনের বেড়ে উঠবার একগুচ্ছ বছরকে নিজের সময় বলে ধরে নেয়। প্রিমিটিভ  অ্যাকুমুলেশান যা হবার সেই সময়টায় ঘটে। বাকি জীবনের প্রাপ্তিঅপ্রাপ্তি ঐ  একগুচ্ছ সময়ের বিন্যাস-সমাবেশে কাটে। এটা সবার ক্ষেত্রে সত্য নাও হতে পারে।  আমার ক্ষেত্রেও হয়তো না। হতে পারে এটা স্রোতের মাঝখানে ঝাঁপ দেবার  মুহুর্তের আছর'এ একধরণের ভাসমান সংশয়। &lt;br /&gt;এইসব ধুনফুন ভাবনায় গতরাতের বাসি তেহারি সাঁটাই। বীয়ারের মগে বেশী  দুধচিনি দিয়ে কফি খাই। ক্যালেণ্ডারটা বদলে ২০১১ করি। সচল খুলে দেখি গতরাতে  লগ অফ না করেই ঘুম দিয়েছিলাম। এদিক ওদিক কিছু পোস্টে ঢুঁ মেরে ব্লগ লিখুনে  ক্লিক করে লাইন কয়েক টাইপ করে ড্রাফট করে রেখে দেই। বাইরে মাইনাস দুই।  মোটামুটি অ্যাস্ট্রোনট সেজে আশেপাশের তুষারাচ্ছাদিত পথে কয়েক চক্কর ঘুরলাম।  চতুর্থ চক্করের সময় মনে হলো এইসব অতীত খাউজানো মেলানকলি কপচানোর জন্যই বছর  দুই ধরে সচলে আমার পোস্টগুলি সুপারফ্লপ। অথচ একদা হাতিশালে কত্তো গণ্ডার  ছিল আর ঘোড়াশালে জলহস্তি! গিরা সমান তুষার মাড়িয়ে ঘরে ফিরি। ড্রাফট খুলে  দীর্ঘশ্বাসগুলি ঘ্যাচাং করি। ভাবতে বসি বিগত দশককে নতুন করে। দেখলাম  সুস্বাদু যা কিছু তার সবটাই কাজের কাজ বাদ দিয়ে বাকি সব কিছুর মধ্যে। সেই  বাকি সব কিছুর তালিকাও হ্রস্ব। ফিলিম দেখা, গান শোনা আর ব্লগে খুটুর খুটুর  ধুনফুন টাইপ করা।&lt;br /&gt;২০০৩ থেকে প্রবাসী। হাই স্পীড ইন্টারনেটের কল্যাণে প্রচুর ফিলিম দেখা  গান শোনা হয়ে গেছে। নতুন সিনেমার তুলনায় নতুন গান শোনা হয়েছে অনেক কম।  সিনেমার তালিকাতেও পুরনো সিনেমা নতুন করে দেখার তালিকা বড়। পুরনো ছবির  মধ্যে সব চাইতে বেশীবার দেখেছি গানস অফ নাভারুন, গুড ব্যাড আগলী, ফুল মেটাল  জ্যাকেট, কামিং টু আমেরিকা, বেভারলি হিলস কপ, গন উইথ দ্য উইণ্ড, টু কিল আ  মকিং বার্ড, ব্যাটেলশীপ পটেমকিন, জাজমেন্ট অফ ন্যুরেনবার্গ, আউট ল  জোসীওয়েলস, দ্য আনটাচেবলস্, ওয়ানস আপন এ টাইম ইন দ্য ওয়েস্ট, হিচককের  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে করা প্রায় সব ছবি, মডার্ন টাইমস, অরণ্যের  দিনরাত্রি সহ সত্যজিত রায়ের সবছবি, যুক্তি তক্কো আর গপপো, মৃণাল সেনের  খারিজ-আকালের সন্ধানে-কোলকাতা ৭১, জীবন থেকে নেয়া, অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী,  তাহাদের কথা। আরো আছে নাম মনে পড়ছে না চট করে। গানের তালিকাতে পুরনোদের  সংখ্যাগরিষ্টতা তিন-চতুর্থাশের বেশী। ঐ তালিকা দিতে গেলে গোটা দুই কিড়মিড়  রাক্ষস সাইজ পোস্ট লাগবে। অতি সংক্ষেপে বলতে গেলে প্রাচ্যপ্রতিচ্যের  শাস্ত্রীয় সঙ্গীত আর সুবিনয় রায়-দেবব্রত বিশ্বাসের রবীন্দ্রসঙ্গীত বাদে  পুরো সময়টাই গেছে রক অ্যান্ড রোলের প্রত্যুষ (১৯৫৩-১৯৫৭) আর সাইকেডেলিক যূগ  থেকে ডায়ার স্ট্রেইটসের অন এভরি স্ট্রিট (১৯৯১) নিয়ে। অর্থাৎ মগজের খাদ্যে  সমসাময়িক মশলাপাতির উল্লেখযোগ্য অনুপস্থিতি ছিল। &lt;br /&gt;শূন্যদশকের শুরুর বেশ খানিকটা সময় কেটেছে গোয়থে ইন্সটিটিউটে।  সেখানেই  জার্মান সিনেমায় হাতে খড়ি। তবে খড়ি দিয়ে খুব বেশী কিছু লেখা হয় নাই।  মোটামুটি গোয়থে'র লাইব্রেরীর কালেকশানের কয়েকটা ছবিই ঘুরে ফিরে দেখা হয়েছে।  তার মধ্যে বুডেনব্রুকস (১৯৭৮), লটে ইন ভাইমার, ডেয়ার কাবিনেট ড.  ক্যালগেরি, মেট্রোপলিস, লোলা রেন্ট, ডেয়ার টোড ইন ভেনেডিগ, ফাউস্ট (১৯২০),  ক্লাউন, ডী ব্লেখট্রমেল আর এডগার রাইৎসের হাইমাট সিরিজের ২য় খণ্ড ডী  ৎসোয়াইটে হাইমাটের ১৩ পর্বের কথা মনে পড়ছে। হাইমাটের প্রথম খণ্ড  ডী হাইমাট  আর তৃতীয় খণ্ড হাইমাট দ্রাই তখন গোয়থের লাইব্রেরীতে ছিলো না। এছাড়া ওখানে  ফিল্ম ফেস্টিভাল লেগেই থাকতো। সেখানেও দেখতাম অনেক কিছু। গুড বাই লেনিন, ইম  যূলি, ডী ফেয়ারভান্ডলুঙ এগুলি মনে পড়ছে। জার্মানীতে আসার পরে টরেন্টের  কল্যাণে ইংরেজী আর জার্মান সাব টাইটেলে দেখা হয়ে গেছে গোদার, আন্তোনিওনি,  বেত্রোলু্চ্চি, ফেলিনি আর ইঙ্গমার বার্গম্যানের একগুচ্ছ ছবি। টরেন্টের  কল্যাণে নতুন করে আইজেনস্টাইনের সব ছবিও দেখা হয়েছে। তারাকোভস্কির ইভানস  চাইল্ডহুড ছাড়া আর কিছু পাই নাই নেটে তখন। জার্মানীতে হলে গিয়ে দেখা ফরাসী  ছবি মাত্র দুটি। কম্বিয়া তু মে'ম আর লা ভি অন রোয। হিসাব মতো আরো অনেক  ফরাসী ছবি দেখা উচিত ছিল। কিন্তু আমার কোন কিছুই হিসাব মোতাবেক হয় না।  &lt;br /&gt;শূন্যদশকে মুম্বাইএর ছবি দেখা হয়েছে সব থেকে কম। একদম শুরুতে দিল চাহতা  হ্যায়, কাঁটে ভালো লেগেছিল। এর বহুকাল পরে রঙ দে বাসন্তি আর থ্রী ইডিয়টস্  বাদে আর তেমন কিছু দেখা হয় নাই। খানিকটা করে দেখেছি কাল হো না হো জাতীয় এটা  সেটা কিন্তু মনে থাকার মতো না। সেই নব্বই দশকের শেষে জাহাঙ্গীরনগরে ভর্তি  হবার পর থেকে কেন যেনো হিন্দী ছবির প্রতি আকর্ষণটা চলে গিয়েছিলো। সম্ভবত  আশির দশকের শেষ থেকে ১৯৯২-৯৩ পর্যন্ত অতিরিক্ত দেখবার কারণে। ১৯৯৫ থেকে  ২০০০ পর্যন্ত দেখবার মতো জিনিস বলতে গোবিন্দ'র কিছু ঝাকানাকা গান। এর বাইরে  তেমন কিছু ভাল্লাগতো না। &lt;br /&gt;আমাদের সময়কার কিছু মধ্যবিত্তের মতো বাংলাছবি বলতে শুধু তথাকথিত আর্ট  ফিলিম বোঝার বাতিক আমারো ছিলো। সম্ভবত এখনো আছে। তবুও গত কয়েক বছরে বেশ  কিছু তথাকথিত বানিজ্যিক ছবি দেখা হয়ে গেছে। টাইম্পাসের দোহাই দিয়ে লাভ নাই।  গণিতের হিসাবে দেখলে যুক্তি তক্কো আর গপপো দেখলেও টাইম্পাস, চ্যালেঞ্জ  নিবিনা শালা দেখলেও টাইম্পাস। তারপরেও বলবো মুখে স্বাদ কিঞ্চিৎ বেশী পাওয়ায়  ঐ তথাকথিত বিকল্পধারা'র ছবিই বেশী দেখা হয়েছে।  এর মধ্যে সেভাবে ভালো  লাগার মতো ছবি সংখ্যায় যথারীতি কম। সেভাবে মানে কীভাবে সেটা ব্যাখ্যা করা  আমার জন্য কঠিণ। কারণ ফিলিমের টেকনিক্যাল ব্যাপারস্যাপার কিচ্ছু বুঝি না।  আমি বলতে পারেন কেবল চোখের আর মগজের স্বাদের উপর ভর করে দর্শকের দায়িত্বটা  পালন করতে পারি। &lt;br /&gt;২০০৩-০৪ এ ঘরে ইন্টার নেট না থাকায় বাংলা ছবি দেখা হয় নাই। ২০০৫ এর শেষে  ইন্টারনেটের কল্যাণে দেখে ফেললাম গৌতম ঘোষের দেখা আর আবার অরণ্যে। দুটোর  একটাও ভাল্লাগে নাই। পার, অন্তর্জলী যাত্রা, পদ্মা নদীর মাঝি থেকে গৌতম  ঘোষের যে ভাবমূর্তি তৈরী হয়েছিল আমার কাছে সেগুলো একভাবে ভেসে গেলো।  বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের উত্তরা দেখেছিলাম জাবি'র একেবারে শেষ সময়ে ২০০১ সালে।  এর পরে ২০০৫ সালে দেখলাম মন্দ মেয়ের উপাখ্যান আর ২০০৯ এ কালপুরুষ। অনেকের  থেকে ভালো হলেও নিম অন্নপূর্ণা, চরাচর, তাহাদের কথা বা লাল দরজার  বুদ্ধবাবুকে পাওয়া গেল না। মন্দ মেয়ের উপাখ্যান'র শুধু ঐ পরান  বন্দ্যোপাধ্যায়ের "ও লাগর লাগর হে" গানের জায়গাটা আর তাপস পালের কিছু অংশ  ভালো লাগলো। আর কালপুরুষকে মনে হচ্ছিল অসম্ভব শ্লথ। মনে হচ্ছিল সিনেমাটা  একটা হাতি। আমাকে শেকলে বেঁধে টানছে আর আমি "সবাই বলে মানুষ বাড়ে আমি বলি  কমে রে" বলে ডুকরে কাঁদছি। বুদ্ধবাবুর নজরে এই পোস্ট পড়ে গেলে তিনি নিশ্চয়ই  আমাকে ক্ষমা করবেন। নির্বোধের প্রতিক্রিয়ায় শিল্পের কী আসে যায়? &lt;br /&gt;এরমধ্যে ২০০৪ এ এক বাংলাদেশী সতীর্থের বদৌলতে দেখা হলো ঋতুপর্ণ ঘোষের  চোখের বালি। পুরা সেরম লাগল। ছবিটা না। ঐশ্বর্য্যকে। তারপর দুষ্টু শিষ্ট যে  কারণেই হোক টুকটুক করে একেবারে আবহমান পর্যন্ত ঋতুপর্ণ ঘোষের সবছবি দেখে  ফেলি। শিষ্ট কারণে ভাল্লাগে শুধু হিরের আংটি, শুভ মহরৎ, রেইনকোট আর দ্য  লাস্ট লীয়ার। দুষ্টু কারণে হিরের আংটি বাদে সবগুলো।  কৈফিয়ত দিতারুম না।  শুধু চন্দ্রিল ভট্ট'কে কোড করতে পারবো,&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;টোনাটুনি দুই ভাই&lt;br /&gt;দ্যাখো কোনাকুনি বনসাই&lt;br /&gt;শুরুর খানিক মৃণাল-মানিক&lt;br /&gt;অন্তে সুভাষ ঘাই    &lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশের কয়েকটা ছবি ভাল্লাগছে। মাটির ময়না আর অন্তর্যাত্রা পুরা ভালো  লেগেছে। উত্তরের খেপ আর নিরন্তর লেগেছে মোটামুটি। ব্যাচলার আর থার্ড পারসন  সিঙ্গুলার নাম্বার (পুরা দেখি নাই) যা তা লেগেছে। মনপুরা দেখে হাই তুলছি।  নব্বই দশকে চাকা, একাত্তরের যীশু, ইতিহাস কন্যা, দুখাই'র মতো ছবি হয়েছে। এই  এক দশকে নিশ্চয়ই আরো ছবিটবি হয়েছে বা হচ্ছে। সেখানে নিশ্চয়ই আমার মতো  দর্শকের জন্য একটা দুইটা ভালো কিছু আছে বা থাকবে। না থাকলে কিছু করার নাই।   &lt;br /&gt;ঋতুপর্ণ ঘরানার কাছাকাছি আরো কয়েকটা ছবি দেখলাম। তার মধ্যে অন্তহীন  প্রথমটা মন্ত্রমুগ্ধের মতো দেখেছি। পরে বুঝলাম সব কৃতিত্ব রাধিকা আপ্টের।  একটানে দেখলাম শিকারী, চিতা, চ্যালেঞ্জ নিবি না শালা, বর আসবে এক্ষুনি,  পরান যায় জ্বলিয়ারে, বঙ কানেকশান, ক্রস কানেকশান, ম্যাডলী বাঙালী। বুঝলাম  উত্তরাধুনিক নন্দনতত্ব প্রান্তিক সমাজদৃষ্টির দায় থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে  অনেকেই মেনে নিচ্ছেন। এটা ভালো। তবে ভালো মানে এই না যে সেটা আমারো ভালো  লাগতে বাধ্য। এগুলির মধ্যে নানা কারণে ভালো লাগলো শুধু ম্যাডলী বাঙালী। সেই  ভালো লাগাও আগের ভালো লাগাগুলির থেকে অন্যমাত্রার। প্রধাণ কারণ সম্ভবত এর  আগে বাংলায় আর কোন আস্ত রক মুভি হয় নাই। ভালো লাগার তালিকায় জনপ্রিয় ছবির  মধ্যে আমি বরং এমএলএ ফাটাকেষ্ট আর মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট'কে কিছুটা এগিয়ে  রাখবো। ওগুলার মধ্যে ডিজুস ভণ্ডামী নাই। &lt;br /&gt;ভালো লাগার তালিকায় আরো এগিয়ে রাখবো এক মুঠো ছবি (সব কয়টা না এক নম্বরটা  অর্থাৎ জন্মদিন আর তিন নম্বরটা মানে তপনবাবু), নিশিযাপন, পাতালঘর, কণি,  ওয়ারিশ ইত্যাদিকে। তবে শূন্য দশকে আমার ফেভারিট ছবির শীর্ষে থাকবে সুমন  মুখোপাধ্যায়ের হার্বার্ট আর চন্দ্রিল ভট্টাচার্যের ওয়াই টু কে অথবা সেক্স  ক্রমে আসিতেছে। এর মধ্যে হার্বার্ট দেখবার সুযোগ হয়েছে এই মাত্র সপ্তাহ দুই  আগে। মনে হলো দেড় দশক পরে একটা ভালো ছবি দেখলাম। উপন্যাসটার অনেক নাম  শুনেছি কিন্তু পড়া হয়ে ওঠে নাই। গত দশবারো দিন ধরে একা একা বিড়বিড় করছি,  ক্যাটব্যাটওয়াটারডগফিশ। ওয়াই টু কে অথবা সেক্স ক্রমে আসিতেছে দেখেছিলাম  ২০০৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের দ্বিতীয় সেমি ফাইনাল চলাকালীন সময়। প্রথমার্ধে  আর দ্বিতীয়ার্ধের পঁয়ত্রিশ মিনিটেও গোল হলো না দেখে মোটামুটি নিশ্চিন্ত হয়ে  শুরু করলাম। প্রথম দেখায় একটু ধাক্কা খেলাম। পুরো মনোযোগ দিতে পারছিলাম  না। ভাবলাম পেটে কিছু পড়ুক তারপর আবার দেখা যাবে। অতিরিক্ত সময়ের আর মিনিট  তিন বাকি। আর গোল হবেনা ভেবে গেলাম ড্যোনার কাবাব কিনে আনতে। আসতে আসতে যা  সর্বনাশ হবার হয়ে গেলো। ক্লিন্সম্যানের সেই চেহারা এখনো ভূলতে পারি না।  টিভি বন্ধ করে ড্যোনার সাবাড় করে ছবিটা আবার দেখলাম খিয়াল করে। তারপর আবার  দেখলাম। আবার দেখলাম। সব মিলিয়ে চার পাঁচবার তো হবেই। টাইটেল সং থেকে শুরু  করে পুরাটাই ফাটাফাটি। দুর্দান্ত স্ক্রিপ্ট। কোথাও কোন বাড়তি মেদ নেই। এই  ছবির একটা সংলাপ আমার কাছে শূন্য দশকের সেরা। &lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;আমি পোস্টমর্ডানিজম জানি না... আমি শেফালীকে চাই..&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;হলিউডের ছবিও বলিউডের মত খুব একটা দেখা হয় নাই গত দশ বছরে। শুধু হ্যারী  পটার দেখেছি সবগুলি, লর্ড অফ দ্য রিংস সবগুলি, শিকাগো, ডুপ্লিসিটি, ক্যাচ  মি ইফ ইউ ক্যান, টার্মিনাল, ওশিয়ানস ইলেভেন/ টুয়েলভ, ল'জ অফ অ্যাট্রাকশান,  মামা মিয়া, ইণ্ডিয়ানা জোন্স ৪, মোনালিসা স্মাইলস, ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস  এই তো। মোটামুটি এগুলোই সাথে আরো দুয়েকটা হয়তো যোগ হবে। এর প্রায় সবই  দেখেছি হলে গিয়ে। বেশীরভাগই দলে পড়ে। &lt;br /&gt;জার্মানী আসার পর থেকে সমসাময়িক জার্মান ছবিও দেখা হয়েছে কিছু। একেবারেই  অল্প কিছু। সেই ২০০৪ সাল থেকে ভুণ্ডার ফন বেয়ার্ন, ডেয়ার উন্টারগাঙ, আগনেস  উন্ড যাইনে ব্রুইডার, এলেমেন্টার টাইলশেন, ডেয়ার বাডার মাইনহফ কম্প্লেক্স,  এণ্ডডেকুং ডেয়ার কারিভুর্স্ট, আনোনুইমা, ১৯৩৬, বুডেনব্রুকস(২০০৮) ইত্যাদি।   এগুলিও সব হলে গিয়ে দেখা। আরো বেশি কিছু দেখা উচিত ছিল। হয় নাই। কত কিছুই  তো হয় নাই জীবনে। যষ্মীন দেশে যদাচার নিয়মে এখন জার্মান ছবি দেখেই অনেক  বেশী স্বস্তি পাই। বাংলাছবির মতো জার্মান ছবিও একভাবে জীবনের অংশ হয়ে গেলো।   মাঝে লো প্রোফাইলে চলে গেলো হলিউড আর বলিউড। &lt;br /&gt;এই পুরো পোস্টটা নিজেই পড়লাম একবার। এটার মানে কী? একটা দশক ধরে একটা  লোক মোটে এই কয়টা ফিলিম আর দেখেছে? আমি দেখেছি। কারণ বেশীর ভাগ সময়ই গেছে  আশি আর নব্বই দশকে গণ্ডা গণ্ডাবার দেখা সেই সত্যজিত রায়, ঋত্বিক ঘটক আর  মৃণাল সেন দেখে। হলিউডের যা দেখেছি সবই পুরনো। গান যা শুনেছি তাও পুরনো।  ২০০৮ সালের অক্টোবরে বের হওয়া ব্ল্যাক আইস বাদে আর কোন নতুন ইংরেজী গানের  অ্যালবাম আগ্রহ করে শোনা হয় নাই। বাকি যা শুনেছি সবই রাস্তাঘাটে ক্যাফেতে  বা পাবে। নতুন দুনিয়া হয়তো আমার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে ক্রমশ। আর গানবাজনা  সিনেমা বা ব্লগিং এর বাইরে এই এক দশকের বাকি সালতামামি কিছুদিনের মধ্যেই  হয়তো লিখব। বা হয়ত কোনদিনই লিখবো না। &lt;/div&gt;পুনশ্চ : গত দশকে হতাশ না করে অপরিবর্তিত এন্টারটেইনার আমার বিচারে মোটে  একজনই। তিনি শচীন তেণ্ডুলকার। তিনি খেলেই চলেছেন। আরো চলবেন সেই বিশ্বাস  থাকলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;table bgcolor="#000000" cellpadding="0" cellspacing="0"&gt;&lt;tbody&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;embed bgcolor="#000" flashvars="theTheme=blue&amp;amp;autoPlay=no&amp;amp;theFile=http://www.esnips.com//nsdoc/32f60a42-eee3-49d6-9453-8b1fc674fcdc&amp;amp;theName=Chandrabindoo - Khelche Sachin&amp;amp;thePlayerURL=http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/mp3WidgetPlayer.swf" height="94" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" quality="high" src="http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/esnips_player.swf" type="application/x-shockwave-flash" width="328"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;table cellpadding="2" style="color: white; font-family: Verdana,Arial,Helvetica,sans-serif; font-size: 10px; font-weight: bold; padding-left: 2px; text-decoration: none;"&gt;&lt;tbody&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;a href="http://www.esnips.com/CreateWidgetAction.ns?type=0&amp;amp;objectid=32f60a42-eee3-49d6-9453-8b1fc674fcdc" style="color: white; text-decoration: none;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; Get this widget &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style="font-size: 7px; font-weight: normal;"&gt;|&lt;/td&gt;&lt;td align="center"&gt;&lt;a align="center" href="http://www.esnips.com/doc/32f60a42-eee3-49d6-9453-8b1fc674fcdc/Chandrabindoo---Khelche-Sachin/?widget=flash_player_esnips_blue" style="color: white; text-decoration: none;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; Track details&amp;nbsp; &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style="font-size: 7px; font-weight: normal;"&gt;|&lt;/td&gt;&lt;td&gt;&lt;a align="center" href="http://www.esnips.com//adserver/?action=visit&amp;amp;cid=player_dna&amp;amp;url=/socialdna" style="color: #ff6600; text-decoration: none;"&gt; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; eSnips Social DNA&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/tbody&gt;&lt;/table&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/tbody&gt;&lt;/table&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-166423815913719078?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/166423815913719078/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=166423815913719078' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/166423815913719078'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/166423815913719078'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2011/01/blog-post_09.html' title='শূন্যদশকের সালতামামি'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-1889448899356892833</id><published>2010-12-29T12:59:00.000+01:00</published><updated>2011-01-09T13:00:48.549+01:00</updated><title type='text'>টুকরো টুকরো রেসিপি</title><content type='html'>খাওয়া&amp;nbsp;বন্ধ না হওয়ায় রান্নাও বন্ধ হয় না। কারণ তৈরী খাবারে সময় বাঁচলেও পয়সা  বাঁচে না। আবার&amp;nbsp;ঘরেও মন&amp;nbsp;মতো এইটা সেইটা করতে গেলে সবসময় পকেটের সাথে&amp;nbsp; ঘড়ির সাথে ম্যাচ করে না।&amp;nbsp;সুতরাং পয়সা আর  সময় বাঁচে আবার জিবলাও খুশি থাকে এরকম কিছু রেসিপি আবিস্কার করা আমার মতো  সর্বহারার জন্য বিপ্লবের মতো না হইলেও অন্তত লেবার ওয়েলফেয়ার অফিসারের  সদ্যকেনা মার্সিডিজে ইটা মারার মতো ফরজ।  সেরকমই দুইএক্টা&amp;nbsp;পোস্টাইলাম।  আসলে&amp;nbsp;খুব সিরিয়াস কিছু লিখতে চাইছিলাম। কিন্তু আঙ্গুল কী-বোর্ডে লাগাইতে  পাইলো খিদা।&amp;nbsp;রান্না নাই ঘরে। যা আছে সেগুলা&amp;nbsp;রান্তে কমপক্ষে দেড়দুই ঘন্টা  লাগবো।&amp;nbsp;তারপর&amp;nbsp;বানাইলাম এই পোস্টের প্রথম রেসিপিটা। পরের রেসিপিটাও এই ধরণের  পরিস্থিতির জন্য। তবে দেশী বাস্তবতায় মনে হয় এগুলা সবসময়&amp;nbsp;কামে লাগবো না।  এইসব রেসিপি কামে আইবো&amp;nbsp;নি:সঙ্গ প্রবাসীদের মধ্যে বিশেষভাবে তাঁদের  যারা&amp;nbsp;ইতোমধ্যেই&amp;nbsp;নীতিগতভাবে যষ্মীন দেশে যদাচার মাইনা নিছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&lt;i&gt;ডিমালুভর্তা দিয়া শুয়োরের গোস্তভাজা&lt;/i&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইটার জন্য বাড়িতে যেগুলা থাকা দরকার :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১. ম্যাশড পটেটো অর্থাৎ আলুভর্তার&amp;nbsp;গুড়া&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২. পিঁয়াইজের&amp;nbsp;গুড়া&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩. কাঁচা মরিচ (অপশনাল)&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৪. নুন&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৫. সয়াবিন তেল (সূর্যমুখী হৈলে ভালো হয়)&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৬. হাড্ডি&amp;nbsp;ছাড়া শুয়োরের কান্ধের গোস্ত ( কিছুটা&amp;nbsp;চর্বি থাকলে ভালো হয় )&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৭. এট্টুসখানি ভিনেগার&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আর বাড়ির বাইরে ঠান্ডা থাকাটাও জরুরি। মাইনাস পাঁচ থিকা শুরু কইরা যত নিচে যাইবো তত ভালো।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;একমাত্র শুয়োরটাই আজকে বিকালে ছিলো না।  বাইরে মাইনাস সাড়ে দশ। অ্যাস্ট্রোনট সাইজা বাইর হইলাম। অচ্ছুৎ বলাইয়ের আগের  বাসার নিচতলার রুশ দোকানটা তাজা মাছ,&amp;nbsp;শুয়োর আর ভদকার জন্য কাসেল বিখ্যাত।  দোকানে ঢুইকাই দেখি হাড্ডি&amp;nbsp;ছাড়া শুয়োরের&amp;nbsp;কান্ধের গোস্তে আনগেবট অর্থাৎ  অফার।&amp;nbsp;দুইটাকা&amp;nbsp;চৌত্রিশ পয়সা কেজি।&amp;nbsp;হাফ&amp;nbsp;কেজির মতো কিনলাম।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বাসায় আইসা প্রথমে শুয়োরের গোস্তরে  স্টেকের সাইজে কাটলাম খুব খিয়াল কৈরা। পুরাপুরি না হইলেও  মোটামুটি&amp;nbsp;হইলো।&amp;nbsp;তারপর একটা বাটির মধ্যে&amp;nbsp;৩/৪ চিমটি নুন আর ৫/৬ ফোঁটা ভিনেগার  দিয়া&amp;nbsp;মাখাইয়া থুইয়া দিলাম। এইবার একটা বাটিতে এক ঠোঙ্গা ম্যাশড&amp;nbsp;পটেটো  ঢাল্লাম। তাতে&amp;nbsp;দেড় চাচামুচ নুন । এক চাচামুচ&amp;nbsp;পিঁয়াইজের&amp;nbsp;গুড়া ।  তিন্টা&amp;nbsp;কাঁচামরিচরে আশ্রাফুল&amp;nbsp;মনে কইরা কুঁচিকুঁচি কইরা ঐগুড়ার লগে  মিশাইলাম। এইবার ১/৪ লিটার ফুটানো পানি দিয়া টেবিল&amp;nbsp;চামুচ দিয়া খিয়াল  কইরা&amp;nbsp;লাড়া&amp;nbsp;দিতে&amp;nbsp;দিতে আড়াই মিনিটের মধ্যে আলুভর্তা ৯১% রেডি। এইবার একটা  তাওয়ায় দুই টেবিল চামুচের মতো তেল&amp;nbsp;দিয়া গজব তাপে গরম করেন তিন মিনিট। তারপর  ৬০% এ মিনিট খানেক রাইখা তারুপর এক&amp;nbsp;এক কইরা দুইটা&amp;nbsp;স্টেক মতো দেখতে  শুয়োর&amp;nbsp;ছাড়লাম। এইবার একটু মুচরামুচরি কইরা আড়মোড়া&amp;nbsp;ভাইঙ্গা ফ্রিজ&amp;nbsp;কোঁৎ কোঁৎ  কইরা পেগ&amp;nbsp;দুয়েক আনগেবটের ভদকা মাইরা দিলাম। মাইনাস দশ তাপমাত্রায় ভদকা  জিনিসটা কেমন যেন নিরাসক্ত&amp;nbsp;নিস্পৃহ আচরন করে। মনে হয় বোতলটা হাই তুইলা  কইতাছে, খা খা আরো খা। কোন লাভ নাই। ঠাণ্ডা যা লাগার লাগবোই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মিনিট পাঁচ পরে স্টেক উল্টাইয়া দিলাম।  দিয়া টের পাইলাম প্রকৃতি ইয়াদ করছে। ঠিক ঠাক মতো খালি হইয়া আইসা দেখি  সূর্যমুখী তেলের রঙ শুয়োরের চর্বির সাথে মিশা সোনালী হইয়া গেছে। এইবার একটা  থালে একটা একটা কইরা স্টেকগুলা নামাইয়া ঐ তেলেই আলুভর্তা ছাইড়া দিলাম।  তারুপর দুইটা ডিম। এইবার গজব&amp;nbsp;লাড়ালাড়ি। আড়াই থিকা পৌনে তিনমিনিটে ঘটনা শেষ।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যারা শুয়োর খান তারা টেরাই মার্তারেন। ভালো লাগার সম্ভাবনা ৯৬%। বাকি চাইর পার্সেন্ট ব্যাকাপ রাখলাম।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গুটেন আপেটিট !&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;i&gt;আটার রুটি দিয়া লণ্ডভণ্ড&lt;/i&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তুর্কি দোকানে ৬৫% আমাগো আটার রুটির  মতো&amp;nbsp;দেখতে/খাইতে একরকম জিনিস পাওয়া যায়। আকারে অবশ্য অনেক বড়। ঐটা বাসায়  থাকলে ধুমধাম&amp;nbsp;গোটাদুই ডিম ভাইজা একবেলা পার কইরা দেওয়া যায়। কিন্তু শুধু  ডিমে তো মন মানে না। তাই&amp;nbsp;এট্টু কায়দা কইরা ডিমের উপর এট্টা অন্যকিছুর  ক্যামোফ্লেজ চাপানো লাগে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এই জিনিসটা অবশ্য জাহাঙ্গীরনগরে থাকতেও  খাইছি। ডেইরি গেটে রাজ্জাকের হোটেলে আফজল নামে এক লোক কাজ করতো। চেহারায়  এট্টুআট্টু ডিপজল ভাব ছিলো। আমরা&amp;nbsp;ফোলাফোলা চোখমুখ নিয়া বেলা দশটার দিকে  ডেইরিতে গেলে আফজল আমাদের জন্য পার হেড এক হাফ কইরা লণ্ডভণ্ড নিয়া&amp;nbsp;আসতো।  আমরা বাড়িমারা পরোটা দিয়া গপ্&amp;nbsp;গপ্ কইরা খাইতাম। এইটা  হইলো ১৯৯৮-৯৯এর কথা।  সেইসময় ডিপজলের হিট ছবি লণ্ডভণ্ড  আর ধর।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যাই হোক। স্মৃতি খুব খাচ্চর জিনিস। একবার  খাউজানি শুরু করলে খাউজাইতে খাউজাইতে নব্বই দশকের শুরুর দিকের বলাকার  সামনের ফুটপাথে যায় গা। সেইটারে পোল্ভোল্ট&amp;nbsp;মারাইয়া দুইহাজারদশে আন্তে  এট্টুও ভাল্লাগে না।&amp;nbsp;আন্তে&amp;nbsp;বাধ্য তাই আন্তে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;লণ্ডভণ্ডের জন্য লাগবো গোটা দুইতিন বা  চাইরটা ডিম।&amp;nbsp;টেনিস বল সাইজের একটা বা গল্ফের বল সাইজের দুইটা বেশ রসালো  টমেটো। পিংপং বল সাইজের একটা পিঁয়াইজ আর রেগুলার সাইজের ৩/৪টা কাঁচামরিচ।  পিয়াইজ আর মরিচ&amp;nbsp;নৃশংসভাবে কুচি করেন। এইবার দেন দুইটাবাতিন্টাবাচাইরটা ডিম।  তারুপরে টমোটোগুলারে নিঠুরদরদীর মতো চটকান। মনে রাখবেন এই অশ্লিলতার  মাত্রার&amp;nbsp;উপরই&amp;nbsp;লণ্ডভণ্ডের সোয়াদ নির্ভর করে। এইবার চাচামুচের একচামুচের  কাছাকাছি লবণ দিয়া রাবণঘুটা দেন। তারপর তাওয়ায়&amp;nbsp;তেল দিয়া চুলার জ্বাল  চ্যাতাইয়া দেন। মারাত্মক গরম তেলের মধ্যে&amp;nbsp;এতোক্ষণ যা ফেটলেন সেইটা ছাইড়া  দেন।&amp;nbsp;তারপর&amp;nbsp;অশ্লিলভাবে লাড়তে থাকেন। তিন মিনিটের&amp;nbsp;মধ্যে রেডি লণ্ডভণ্ড।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এইবার চুপচাপ আটার রুটি দিয়া মাইরা দ্যান। একদেড়বেলা&amp;nbsp;থাকবো প্যাটে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এরকম&amp;nbsp;ফকিরা রেসিপি আরো আছে&amp;nbsp;তয় আইজকার মতো এইদুইটাই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;খাইতে&amp;nbsp;খাইতে আরো এক্টা বহুপরিচিত&amp;nbsp;গান শুনেন ....&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;iframe class="youtube-player" frameborder="0" height="390" src="http://www.youtube.com/embed/8eq3QLWFbRQ" title="YouTube video player" type="text/html" width="480"&gt;&lt;/iframe&gt; &lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="fivestar-static-form-item"&gt;&lt;div class="form-item"&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;hr /&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-1889448899356892833?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/1889448899356892833/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=1889448899356892833' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/1889448899356892833'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/1889448899356892833'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2011/01/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো রেসিপি'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://img.youtube.com/vi/8eq3QLWFbRQ/default.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-6235224888696279093</id><published>2010-12-03T09:52:00.001+01:00</published><updated>2010-12-03T09:58:13.615+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>ফোরেলে সন্ধ্যায় স্মৃতি খাউজানি</title><content type='html'>&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;সচলায়তনে ইদানিং বেশ রেসিপিটেসিপি পড়তেছে। দিফিও&lt;/span&gt;’&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;র  রেসিপি ধইরা কালী পূজার দিন কাচ্চি রানছিলাম। মাইনসে ভালোই কইছে খাইয়া।  সেইটা যে পুরাপুরি ভদ্রতা না পাতিল খালি হওয়া তার প্রমাণ। তারপরের কয়েকদিন  গেলো আবারো ধুনফুন খাইয়া। কোনদিন ইউনির মেন্জায়, কোনদিন তুর্কি দোকান&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt; থিকা ড্যোনার কিংবা ভেড়ার মাথার সুপ আর নাইলে রুটি দিয়া টমেটো ডিমের লণ্ডভণ্ড।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;সময়টা  খারাপ। আগেও খারাপ ছিল। ভবিষ্যতেও খুব সাংঘাতিকভাবে বদলাইয়া যাবে তেমন  সম্ভাবনা আপাতত দেখা যাইতেছে না। জীবনটা এই পর্যন্ত বাঁশের উপর দিয়া গেছে।  ভবিষ্যতও খুব সম্ভবত যাবে। বাঁশের&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt; আয়তনটায়তনে হয়তো কখনোসখনো পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু বাঁশ যে খাইয়াই যাইতে হবে সেই বিষয়ে এই মুহুর্তে তেমন কোন সন্দেহ নাই। &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;কথা  হইলো দু:সময়ের দু:খে খাওয়া তো আর বন্ধ থাকবো না। সাদাকলারের কামলা হোক,  ফকিন্নির পুতের কামলা হোক, ধার কইরা হোক, ভিক্ষা কইরা হোক যতক্&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;ষণ জান আছে প্যাট খালি রাখার কোন অপশন নাই। আইজ সকালে কামলা দিয়া দুপুরে লাইব্রেরীতে কিছু সময়হত্যা কইরা &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;বিকালের দিকে বাইর হইয়া একটা বিড়ি ধরাইয়া এই কথাগুলাই ভাবতেছিলাম। ভাবতে ভাবতে বাসায় ফিরার পথ বদলাইয়া সোজা গেলাম গিয়া &lt;/span&gt;“&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;টেগুট&lt;/span&gt;”&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;এ। টেগুট হইলো উচ্চমধ্যবিত্তের স&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;ুপার  মার্কেট। মানে সব জিনিসের দামই অন্য সুপার মার্কেটগুলার থিকা একটু কইরা  বেশী। গিয়া কতক্ষণ এদিকসেদিক ঘুরলাম। এইটা সেইটা হাতে নিয়া লাড়াচাড়া কইরা  আবার থুইয়া দেই।&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt; এরকম ঘুরতে ঘুরতে  একসময় গেলামগা যেইখানে তাজা মাছ ব্যাচে সেইখানে। দেখি একটা মাত্র আনগেবট  মানে সস্তার অফার আছে এই সপ্তাহে। সেইটাও আমার অতিপ্রিয় মাছ ফোরেলে।  ইংরেজীতে যারে কয় ট্রাউট। অফারের শিল্ডের উপর বড় কইরা লেখা ১ ইউরো। আমার তো  মন মেজাজ ভালো হইয়া গেলো লগে লগে। তাজা ফোরেলে মোটে এক টাকা ! কইলাম দেন  একটা। বেডি দেখি বড় একটা উঠাই&lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;য়া সেইটা আবার ওজন করে। লেবেলের দিকে খিয়াল কইরা দেখি ১ ইউরো&lt;/span&gt;’&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;র  উপর ছোট ছোট অক্ষরে ১০০ গ্রাম লেখা। পুরা মাছটার দাম খাড়াইলো তিন ইউরো  তেত্রিশ সেন্ট। ফ্রোজেন কিনলে দুই ইউরোতে দুইটা পাইতাম। তাতে পার্থক্য হইতে  যে বাসায় আইসা সেটা গলাইতে আবার কিছু টাইম যাইতো। কী আর &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;করা মাছ কিনা টেগুট থিকা বাইর হইয়া বাসায় ফিরতে ফিরতে মনে হইলো কিনাই যখন ফালাইছি তখন আইজকা একটা গজব এক্সপেরিমেন্ট ফরজ। &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;রাস্তা পার হইয়া হাঁটতে হাঁটতে গেলামগা রেভে। এইটাও একটু নাক উঁচা সুপার মার্কেট তবে টেগুটের থিকা কিছু কম। &amp;nbsp;এক কেজি আলু কিনলাম। একবোতল অলিভ &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;অয়েল আর এক বোতল বালজামিকো। বালজামিকো জিনিসটা মনে হয় জীবনে এই প্রথম কিনলাম। &lt;/span&gt;&lt;span style="font-family: BNG;"&gt;&amp;nbsp;কে জানি একবার কইছিলো যে ফোরেলে বেক করার সময় পিঁয়াইজের লগে একটু কইরা বালজামিকো দিলে স্বাদ বাড়ে।&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;মাথার মধ্যে নানারকম  আইডিয়া ঘুরতাছে কী দিয়া কেমনে কী। বাসায় আইসা প্রথমেই যেইটা করলাম ওভেন অন  কইরা ১৮০ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে দিয়া দিলাম। তারপর গল্ফের বলের সাইজের  পিঁয়াইজ কাটলাম একটা এক্কেরে পুরা কুচাইয়া। মার্বেল সাইজের দুই কোয়া রসুন  কাটলাম আরো সূক্ষ কুচি কইরা। লগে চাইরটা মাঝারি সাইজের কাঁচামরিচ।&amp;nbsp; তারপর  সবগুলারে একলগে কইরা আরো একদফা মৌলিক কুচি। তারপর তিনটা মোটামুটি বড় সাইজের  আলুর চামড়া ছাড়াইয়া একেকটারে মাঝখান থিকা দুইভাগ করলাম।&amp;nbsp;ব্যাস কাটাকুটা  শ্যাষ। &lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;এইবার ফোরেলের প্যাকেট  খুইলা দেখলাম প্যাট ফাড়াই আছে।&amp;nbsp;প্যাটের মধ্যে পিঁয়াইজ-রসুন-কাঁচামিরচের  ঘন্ট ভইরা দিয়া উপরে দুইতিন ফোঁটা বালজামিকো দিয়া দিলাম। এইবার মাছের  সাইজের থিকা এদিক এদিক আধাবিঘৎ মতন বড় রাইখা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল ছিঁড়লাম।  তারপর ওর উপরে একটুস খানি অলিভ অয়েল আর দুই চিমটি মতন লবণ ছড়াইয়া তার উপরে  রাখলাম মাছটা। এইবার মাছের উপরে আর দুই চিমটি মতন লবণ আর সামান্য অলিভ অয়েল  দিয়া অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলরে এমনভাবে মোড়াইয়া দিলাম যাতে বেগানা বাতাস কোন  চান্স পায়। আরো একটা অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল দিয়া আলুর সাইজমত ঠোঙ্গা বানাইয়া  তার মধ্যে প্রথমে দিলাম কিছুটা আইরিশ বাটার আর লবণ তার উপর আলু দিয়া তারো  উপর আবারো দুইতিন চিমটি লবণ ছিটাইয়া দিলাম। তারপর মনে হইলো আরে রেসিপি যেই  দেশেরই হোক। আমি যেইটা করতেছি সেইটা কজমোপলিট্যান&amp;nbsp; হওয়া ফরজ। পিঁয়াইজের আর  কাচামরিচের কুঁচি যা বাঁইচা গেছিলো তার পুরাটাই ছিটাইয়া দিলাম আলুর উপরে।  তারপর ঐ আলুরেও এয়ারটাইট কইরা ঠোঙ্গা দুইটা দিলাম ওভেনে ভইরা। ঘড়িতে তখন  কাঁটায় কাঁটায় সন্ধ্যা ছয়টা বিশ। &lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;তারপর প্রথমে গত  তিনদিনের জইমা থাকা থালাবাটি ধুইলাম। অরবাদে একটা নিরতিশয় সস্তা হোয়াইট  ওয়াইনের কর্ক খুইলা কম্পুর সামনে আইসা বসলাম।&amp;nbsp;কম্পক্ষে সোয়া একঘন্টা আরো  বইসা থাকা লাগবো। কারণ তাপ দিছি মোট ১৮০ ডিগ্রি। কতক্ষণ দৈনিক পত্রিকা আর  সচল লাইড়া গেলাম ইউটিউবে। পুরানা বাংলা ছবির গান শুন্তে খুব ইচ্ছা করতাছিল  কয়েকদিন ধইরা। দিলাম সার্চ। কয়েক মাস আগেও একবার এরকম সার্চ দিছিলাম তখন  কিছুই পাই নাই। আজকে টিবি দেওয়া মাত্র দেখি একটার পর একটা আসতেছে। শুন্তে  আর দেখতে থাকলাম একেকটা কয়েকবার কইরা। আপনারাও শুনেন। ততক্ষণ আমার ফোরেলে  আর আলু ওভেনে সাইজ হইতে থাক&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;object height="385" width="480"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/pt0kqHw9qrE?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/pt0kqHw9qrE?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="480" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="385" width="640"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/yvjsnGgsMao?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/yvjsnGgsMao?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="640" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="385" width="480"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/uDW_5bEeFM0?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/uDW_5bEeFM0?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="480" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt; &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="385" width="480"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/1SGEJeGwrfc?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/1SGEJeGwrfc?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="480" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt; &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবগুলাই&amp;nbsp;ফালতু&amp;nbsp;গান। কিন্তু&amp;nbsp;চালু গান। এরকম চালুগান আজকাল আর হয় না। অথবা হয় কিন্তু আমার কাছে চালু লাগে না। &lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;একসময় দেড় ঘন্টা পার  হয়।&amp;nbsp;ওভেন খুইলা বাইর করলাম।&amp;nbsp;বড় একটা বাসনে সাজাইলাম। এখন খামু। কুত্তার মতো  খিদা লাগছে। খাওয়া শুরু করার আগে লেখাটা পোস্টাইলাম। &lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="MsoNormal" style="text-align: justify;"&gt;প্রৌস্ট উণ্ড গুটেন আপেটিট!&amp;nbsp; &lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-6235224888696279093?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/6235224888696279093/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=6235224888696279093' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6235224888696279093'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6235224888696279093'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/12/blog-post.html' title='ফোরেলে সন্ধ্যায় স্মৃতি খাউজানি'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-6463015592933771672</id><published>2010-11-14T15:59:00.000+01:00</published><updated>2010-11-14T15:59:25.737+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দীপাবলি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দিওয়ালী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কালীপূজা'/><title type='text'>জগদম্বা ! রাখিস মা রসেবশে !</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রবাসীদের বিশেষ করে পশ্চিমের প্রবাসী  বাঙ্গালীরা, নিদেনপক্ষে তাঁদের একাংশ ভয়াবহ&amp;nbsp;সাংস্কৃতিক সঙ্কটে পড়েছেন&amp;nbsp;বা  পড়তে যাচ্ছেন। উত্তর ভারতের&amp;nbsp;সাংস্কৃতিক আধিপত্যের কাছে&amp;nbsp;ধীরগতির বিষক্রিয়ায়  আত্মসমর্পন করে ফেলছেন তাঁরা। এই ব্যাপারে আমার মতে মিডিয়াকে একতরফা দায়ী  করা&amp;nbsp;যাবে না। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের জায়গাটা মনে হয় সব থেকে জরুরি।&amp;nbsp;ভারতীয়  বা পাকিস্তানীদের সাথে ভাববিনিময়ের ক্ষেত্রে হিন্দি বা উর্দুকে  লিঙ্গুয়া&amp;nbsp;ফ্রাঙ্কা বানিয়ে ফেলছে কিছু বাঙ্গালী এবং এদের সংখ্যা প্রতিদিন  বাড়ছে। ভারতীয় বাঙ্গালীদের এক্ষেত্রে হয়তো অতটা দায়ী&amp;nbsp;করা&amp;nbsp;যায় না। কিন্তু  বাংলাদেশের বাঙ্গালীদের জন্য ব্যাপারটা একভাবে সাংস্কৃতিক আত্মহত্যার  পর্যায়ে পড়ে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কয়েক বছর আগে আমরা মানে কাসেলের বাংলাদেশী  ছাত্ররা&amp;nbsp;সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম নতুন কোন ছাত্র এলেই প্রথম দফা তাঁকে সতর্ক  করে দেওয়া হবে যে কোন অবস্থাতেই যেন ভারতীয় বা পাকিস্তানীদের সাথে&amp;nbsp;ইংরেজী  বা জার্মান ছাড়া অন্যকোন ভাষায়&amp;nbsp;যেন কথা না বলা হয়। শুধুমাত্র পশ্চিবঙ্গের  বাঙ্গালীদের সাথে গায়ে পড়ে হলেও বাংলা বলা যেতে পারে। কিন্তু  দিল্লী-মুম্বাই-পিণ্ডি-লাহোরের লোকজনের সাথে কোন অবস্থাতেই&amp;nbsp;ম্লেচ্ছভাষার  বাইরে যাওয়া চলবে না। কিন্তু ছাত্ররা আর কয় জন? বিপুল অধিকাংশ বাংলাদেশী  শ্রমিক, রাজনৈতিক আশ্রয়প্রাপ্তদের কাছে আমরা পৌঁছতে পারিনি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আজ আমার পরিচিত এক সনাতন ধর্মাবলম্বী  বাঙ্গালী "দিওয়ালী" উদযাপন করছে।&amp;nbsp;আমি জিজ্ঞাসা করলাম বাঙ্গালীর কালী পূজার  আবেদন তো দীওয়ালী বা দীপাবলির থেকে অনেক বেশী। তাহলে কালী পূজা কথাটা  উল্লেখ করে দাওয়াত দিলে সমস্যা কোথায়? বলে দিওয়ালীর একটা বৈশ্বিক পরিচয়  আছে। কালীপূজা তো শুধু বাঙ্গালীর! তো শুধু বাঙ্গালীর&amp;nbsp;হলে&amp;nbsp;সমস্যা কী? তুমি  তো বাঙ্গালী! বলে কালীপূজা&amp;nbsp;ধলাদের বুঝিয়ে বলার অনেক ঝামেলা ইত্যাদি। আমি  চুপ করে&amp;nbsp;যাই। আসল কথা হচ্ছে মিডিয়া মারফত লোকে  দ&lt;span&gt;ি&lt;/span&gt;ওয়ালীটা চেনে। কালীপূজা বলতে গেলেই মিডিয়ার উপর খোদগারী করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মনটা খানিক খারাপ হলো।&amp;nbsp;গতকাল দুপুরে ঠিক  করেছিলাম প্রদীপ জ্বলবার পরে চলে&amp;nbsp;যাবো ট্রটস্কির উপর একটা সেমিনারে। পরে             সন্ধ্যার&amp;nbsp;কী ভেবে ভেড়ার গোস্ত কিনে এনে ম্যারিনেট করে ফেললাম।  অচ্ছুৎ বলাইরা চলে যাবার পর থেকে কাসেলে তো&amp;nbsp;সমাবেশটমাবেশের তেমন আর উছিলা  পাওয়া যায় না।&amp;nbsp;সেই ভেড়া দিয়ে কাচ্চি ঘন্টাখানেক আগে ওভেনে ঢুকিয়ে এলাম।  খেতে কেমন হবে জানিনা।&amp;nbsp;কালী পূজার টিপিক্যাল লুচি আর পাঁঠার মাংস ত আর  ম্লেচ্ছদের দেশে হবে না। তাই ভেড়ার কাচ্চি বিরিয়ানীই সই। মা কালী নিশ্চয়ই  ক্ষমা করবেন। পাঁঠা হোক ভেড়া হোক আসল কথা হচ্ছে নিহত আমীষ ব্যা করে কিনা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আস্তা আস্তে প্রদীপ জ্বলছে এক এক করে। আমি মিস করছি মুণ্ডুমালীনীর রক্তজ্বিভটাকে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জগদম্বা ! রাখিস মা রসেবশে !&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-6463015592933771672?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/6463015592933771672/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=6463015592933771672' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6463015592933771672'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6463015592933771672'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/11/blog-post_14.html' title='জগদম্বা ! রাখিস মা রসেবশে !'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-4251584113152546445</id><published>2010-11-06T21:40:00.000+01:00</published><updated>2010-11-06T21:40:08.129+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ২৪</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ভাবেসাবে মনে হচ্ছে এইবার শীতকালটা উল্টা  পোলভোল্ট করে ২০০৬/৭ বা ২০০৭-৮ এ চলে যাবে। নইলে আজ ২৯ অক্টোবর দুপুরে শুধু  একটা টিশার্টের উপর জ্যাকেট পড়ে ঘামাতে হতো না। বুড়ো জার্মানরা অবশ্য এই  জাতীয় আবহাওয়ায় অখুশী। তাঁদের মতে শীতের দিনে শীত না পড়ার অর্থ সামনে কোন  অমঙ্গল অপেক্ষা করে আছে। হয়তো&amp;nbsp;ঠিকই বলেন। তবে সারাদিন রোদ পাওয়া যাচ্ছে বলে  তেমন খারাপ লাগছে না। বরং বর্তমান পরিস্থিতে অন্যায় করে হলেও ভালোই লাগছে।  অন্তত কিছুক্ষণের জন্য হলেও একটু&amp;nbsp;ইজি লাগছে। জীবন, পারিপার্শ্ব আর  দিনদুনিয়ার এই পরিস্থিতিতে ভালা লাগাগুলি&amp;nbsp;পট করে এসে ফট করে মিলিয়ে  যায়।&amp;nbsp;চোখে রোদ পড়ে ঘুম ভাঙার ভালো লাগা দিনের পেটে প্রবেশ করতে করতে চিরতা  হয়ে যায়। তারপর সন্ধ্যা নাগাদ মনে হয় ভালা লাগা বলে কিছু নাই। এটা মিডিয়ার  সৃষ্টি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গতকালকে সকালের দিকে শোনা  গেলো&amp;nbsp;রাজাকারকূলশিরোমণি গোলামাজম বৃটিশ ভিসা পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ শালার পো  যে কোন মুহুর্তে&amp;nbsp;ভাগবে। সংবাদপত্রের পাঠকের&amp;nbsp;দৃষ্টিতে যুদ্ধাপরাধীদের  বিচারের প্রক্রিয়াও শ্লথ। অন্যদিকে একটা করে দিন যাওয়ার অর্থ হচ্ছে বর্তমান  সরকারের মেয়াদ প্রতিদিনই একদিন করে কমছে।&amp;nbsp;এই পর্যন্ত ধরা পড়েছে মোটে  চারজন। তাঁদের বিরুদ্ধে&amp;nbsp;যুদ্ধাপরাধের মামলার এখনো পর্যন্ত চার্জশিট হয় নাই।  গ্রেফতার না হওয়ারাও সংখ্যায়&amp;nbsp;অনেক। তার সাথে যোগ হয়েছে ইসলামী  ধর্মনিরপেক্ষতা। ছাত্রলীগ আর যু্বলীগ অনলসভাবে আগামীতে ক্ষমতায় না আসতে  পারার&amp;nbsp;ভিত রচনা করে চলেছে। সঙ্গে আছে জলপাই বাহিনি। যুদ্ধাপরাধের ইস্যু  ঝুলিয়ে রেখে পরের সেশনে নির্বাচিত হবার যে &amp;nbsp;দিবাস্বপ্ন ক্ষমতাসীন দল দেখছে  তার ভয়াবহ পরিণতি&amp;nbsp;শেষ&amp;nbsp;পর্যন্ত জনগণকেই ভোগ করতে হবে। রাজনীতির ইতিহাসে আজ  পর্যন্ত&amp;nbsp;শেষতক জনগণ&amp;nbsp;ছাড়া আর কারো নির্যাতিত হবার   ইতিহাস অতিঅল্প। এবারও  সম্ভবত তাই হবে। এসব কোন কিছুই অপ্রত্যাশিত নয়। শুধু এতোকিছুর পরেও ছাগুদের  উল্লসিত মুখগুলো আরো দেখতে হবে&amp;nbsp;এই হতাশাটুকু কামড়ে&amp;nbsp;ধরে। এই আর কি।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;হাতে অস্ত্র থাকুক আর যাই থাকুক পুঁজিবাদী  রাজনৈতিক আধিপত্য শেষবিচারে পকেটে। সেখানে টান পড়লে ড্যাশিঙ মাস্তানরাও  ভেউ ভেউ করে কাঁদে। বৃটেন এমাসে সামরিক ব্যয় সঙ্কোচনের&amp;nbsp;ঘোষনা দিয়েছে। আর  তাতে বারাক ওবামার গুডবয় সরকার ব্যপক উদ্বিগ্ন। আফগানিস্তানে বা ইরাকে  সৈন্য পুষতে যে আলাদা করে পকেটের জোর দরকার সাহেবরা বর্তমানে সেই অবস্থায়  নেই। &amp;nbsp; অন্যকোন বলির পাঁঠা খুঁজে সেখান থেকে একদফা বড় দাঁও মারার আগ  পর্যন্ত সাহেবদের পকেটের অবস্থার বড় কোন পরিবর্তন হবার সম্ভাবনা অল্প। এরকম  পরিস্থিতিতে তাঁরা অর্থাৎ বিশ্বরাজনীতির কথিত মোড়ল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  আর বৃটেন এই সময় চাইছে বাংলাদেশের মতো দেশগুলি থেকে সৈন্য নিয়ে আফগানিস্তান  আর ইরাকে পরোক্ষ দখলদারি চালিয়ে যেতে। যাতে আক্রান্ত হলে আর সাহেবদের মরতে  না হয় আবার সৈন্য পুষবার খরচটাও বাঁচে।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বাংলাদেশ সরকারের এই বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত জানা গেলো&amp;nbsp;কি?&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;আমি সঙ্গীত জিনিসটা এমনিতে একেবারেই বুঝি  না। শুধু শুনে শুনে এর&amp;nbsp;তার ভক্ত।&amp;nbsp;রক-মেটালের ভক্ত হলেও বয়সের সাথে সাথে  ব্লুজের টান ক্রমশ বাড়ছে। আজকে&amp;nbsp;নিরতিশয়&amp;nbsp;ক্লান্ত-বিকালে&amp;nbsp;কি&amp;nbsp;মনে করে ইউটিউবে  সার্চ দিয়ে পেয়ে গেলাম খুব পছন্দের কয়েকটা&amp;nbsp;গান। নিজে লুরমা টাইপ বলেই  সম্ভবত অতিবিশাল বস&amp;nbsp;লোকজনদের একবাক্যে গুরু মানি।&amp;nbsp;বিকালে&amp;nbsp;বাড়ি ফিরে ইউটিউবে  বি.বি.কিং সার্চ দিয়ে গোটাকয়েক পুরনো গান শুনে পাংখা হয়ে&amp;nbsp;সাময়িক ভালো লাগা  চাখলাম খানিকক্ষণ। আমি জানি এই ভালো লাগার মেয়াদ বালিশে মাথা দিয়ে চোখ  বুঁজতে বুঁজতে শেষ হয়ে যাবে। কাল সকালে আবারো প্রতিদিনের মতো বিড় বিড়  করে&amp;nbsp;বলবো ভালো লাগা বলতে কিছু নাই। এটা মিডিয়ার সৃষ্টি।&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="385" width="480"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/f6gDeGdQ3rM?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/f6gDeGdQ3rM?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="480" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="385" width="480"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/F4OXrmxDp44?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/F4OXrmxDp44?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="480" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="385" width="480"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/gDR1-JD4Sms?fs=1&amp;amp;hl=de_DE"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/gDR1-JD4Sms?fs=1&amp;amp;hl=de_DE" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="480" height="385"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-4251584113152546445?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/4251584113152546445/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=4251584113152546445' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4251584113152546445'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4251584113152546445'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/11/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ২৪'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-505029854024116385</id><published>2010-10-29T22:12:00.000+02:00</published><updated>2010-10-29T22:12:01.064+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>দু:সময়ের ফুটুস</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;কম্পুতে লেখালেখির একটু বড়ো&amp;nbsp;সুবিধা হচ্ছে,  হাতে লেখা বা পুরনো টাইপ রাইটারের মতো এখানে খসড়া বাতিল করতে কাগজ নষ্ট হয়  না। সিলেক্ট করে ডিলিট মারুন। ফুটুস। গত কয়েক&amp;nbsp;মাসে বা বছরে আমার ব্লগীয়  জীবনে এরকম ফুটুসরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। যা কিছু প্রকাশিত হয়েছে তার সবটাই এইসব  ফুটুসের ফাটাফুটো গলে। সেগুলির অবস্থা ফুটুসরাজির থেকে ভালো ছিলো এরকম বলার  তেমন কোন সুযোগ নাই।&amp;nbsp;অনেকটাই&amp;nbsp;নির্ভর করেছে প্রকাশ বোতাম টিপে দেওয়া না  দেওয়ার সিদ্ধান্তের উপর। সিদ্ধান্ত নেওয়া না নেওয়ার দ্বন্দ্বে ক্রমশ  আশরাফুলে পরিণত হয়েছি। সম্প্রতি আশরাফুল বাদ পড়ায়&amp;nbsp;মোটের উপর ব্লগিং  ক্যারিয়ার নিয়ে আতঙ্কে আছি। মাঝে মাঝে রীতিমতো নার্ভাস ব্রেক ডাউনের মতো  হচ্ছে। "ব্লগ লিখে কী হবে" জাতীয় ফালতু&amp;nbsp;কথাবার্তা পর্যন্ত খুলিতে বারকয়েক  এসে&amp;nbsp;ঘুরে গেছে আর কখনো আসবে না এরকম কোন গ্যারান্টি ছাড়া। এরকম সংশয় অতীতে  যারা দেখিয়েছে তাঁদেরকে গণহারে "ছাগু-ট্যাগিং"&amp;nbsp;করে "লেখক যশোপ্রার্থীদের  হেজিমনি" তৈরীর কলঙ্ক খানিকটা আমার গায়েও থাকায় আতঙ্কটা তেমন অমূলক না।  সুতরাং আবারো ফিরতে হলো&amp;nbsp;চাবি-পাটা'র কাছে, কী লিখবো সেই প্রশ্নকে আপাতত  অপেক্ষা তালিকায় গেঁথে।  কারণ&amp;nbsp;লিখতে থাকা ছাড়া তথাকথিত রাইটার্স ব্লক  কাটিয়ে উঠবার অন্যকোন রাস্তা নাই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;ব্লগে কী লেখা যায় বা কী লেখা উচিতের মতো  প্রশ্নগুলি বাংলাব্লগের চারবছর পার করে এখন পৌরাণিক।&amp;nbsp;অধুনা আলোচ্য হতে পারে  "ব্লগে কী লেখা হয়"।&amp;nbsp;ব্লগে&amp;nbsp;লেখা হয় না এমন কোন প্রকার আপাতত চোখে পড়ছে না।  গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, রম্য, নাটক, গান, উপন্যাস, কার্টুন, পাটানাটানি,  কাঠিবাজি সব কিছুই দেখতে পাচ্ছি। "ব্লগ" বলতে যে ধরণের লেখাকে  অনেকে&amp;nbsp;ট্যাগিং করেন সেগুলি আমার চোখে আন্তর্জালে&amp;nbsp;প্রকাশিত লিংক সমৃদ্ধ  প্রবন্ধ।&amp;nbsp;ছাপামাধ্যমে&amp;nbsp;লিংক দেওয়ার সুবিধা নেই। সেখানে শুধুই বইপত্রে ছাপা  রেফারেন্সে কাজ সারতে হয়।  লিংক জুড়ে দেওয়া অন্য যেকোন প্রকার লেখাও সেই  লেখার আন্তর্জালিক প্রকরণ ছাড়া কিছু নয়। সুতরাং "ইহা সাহিত্য" এবং "ইহা  ব্লগ" জাতীয় সীল ছাপ্পড়ের তেমন কোন সুযোগ এই মুহুর্তে দেখতে পাচ্ছি না।  পার্থক্য যারা টানেন তাঁরা আলো ফেলেন প্রকাশযোগ্যতার উপর। প্রকাশযোগ্যতার  প্রশ্নটির সমাধান  হয় আলাদা আলাদা পাটাতনের আলাদা আলাদা কিছু সাধারণ  সিদ্ধান্তের উপর&amp;nbsp;যেই&amp;nbsp;সিদ্ধান্তগুলি সংশ্লিষ্ট পাটাতনে দার্শনিক আধিপত্য  (হেজিমনি:)) তৈরী করে।এই সাধারণ সিদ্ধান্ত বা&amp;nbsp;নীতিমালামুক্ত  পাটাতনের&amp;nbsp;অস্তিত্ব&amp;nbsp;যতদূর জানি অন্তত আমাদের বর্তমান সৌরজগতে নাই, সে  নেটপাটাতনই&amp;nbsp;হোক আর তথাকথিত প্রতিষ্ঠিত ছাপাপাটাতনই হোক।  সুতরাং ব্লগগুলিও  একেকটা মিডিয়া।&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এসব কথা সবাই জানেন। এগুলি নতুন কিছু না।  ব্লগ লেখালেখি শুরু হওয়ার পর থেকে এই কথাগুলি সহস্রাধিকবার আলোচিত হয়েছে।   আরো হবে। কেন্দ্রমুক্ত কাঠামো বা কাঠামোমুক্ত অবস্থিতির নির্মাণ কীভাবে হতে  পারে বা আদৌ পারে কিনা সেই প্রশ্নগুলিও উত্থাপিত&amp;nbsp;হতেই থাকবে। তবে এখনও  পযর্ন্ত যা দেখা যাচ্ছে কোন না কোন কাঠামোর বাইরে থেকে এসব&amp;nbsp;উত্থাপিত হচ্ছে  না। সেইক্ষেত্রে প্রশ্ন হতে পারে কাঠামোসমূহের দ্বন্দ্ব-সংঘর্ষ এড়াবার  পথ&amp;nbsp;আছে কি? নাই। থাকা সম্ভব না। লেখা তো চেতনেরই বস্তুরূপ। আর চেতনাও তো  বস্তুজগতের বাইরের কিছু না। আর ফিজিক্সের সীমানা পেরিয়ে মিঠাফিজিক্সও আজ  পর্যন্ত বস্তুনিরপেক্ষ চেতন প্রমাণ করতে পারে নাই।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তাহলে লিলিপুট-ব্রবডিঙনাগ সঙ্কটের কী হবে?  কে হবে&amp;nbsp;বা কে তবে গালিভার? কেই বা ইয়াঙ্কি বা হুইনহুম? কে কারে দেখায়ে  দেবে? আবার জবাব হচ্ছে চাবিপাটা&amp;nbsp;টিপতে&amp;nbsp;থাকুন ইচ্ছা মতো। একটা না একটা জবাব  ঠিক পেয়ে যাবেন। না পেলে আরো টিপুন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যা লিখলাম এটা কি কোন সময়োপযোগী লেখা? অবশ্যই না। এটা নিতান্তই আশরাফুলপনা থেকে মুক্তির ডেসপারেডো প্রয়াস &lt;img alt="চোখ টিপি" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/3.gif" style="border-width: 0px;" title="চোখ টিপি" /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-505029854024116385?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/505029854024116385/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=505029854024116385' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/505029854024116385'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/505029854024116385'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/10/blog-post.html' title='দু:সময়ের ফুটুস'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-149377658019591399</id><published>2010-09-16T14:14:00.000+02:00</published><updated>2010-09-16T14:14:57.376+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কৈফিয়ৎ'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ২৩</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বলার কথা অনেক থাকার বিপদ&amp;nbsp;হচ্ছে কথা জমতে  জমতে একসময় মুখ-আঙ্গুল-মগজ সব একসাথে ব্লক হয়ে যায়। তখন ভুদাই হওয়া ছাড়া আর  উপায় থাকে না। এরকম ভুদাই হয়েই অবশ্য এই অপ্রয়োজনীয় জীবনের&amp;nbsp;বেশীরভাগটা পার  করে দিয়েছি। বাকিটা কীভাবে পার হবে বা আদৌ হবে কী না ভবিষ্য তার বিচার  করতে পারবে ক&lt;span&gt;ি&lt;/span&gt; পারবে না এইসব ভাবনাও ভুদাই সত্ত্বাকে ভুদাইতর করে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গত এপ্রিল থেকে নিষ্ক্রিয়। প্রায়ই সচল  খুলে বসে থেকেছি।&amp;nbsp;মাঝে মধ্যে লগইনও করেছি। কিন্তু ব্লগ লিখুনে ক্লিক করতে  আঙ্গুল সরে নাই। কখনো দু'এক ঝাপটা খোলা বাতাসে মনে হয়েছে হ্যা এইখানে এই  পোস্টে বা এই মন্তব্যে আমার কী কী যেন বলার&amp;nbsp;ছিল। এবার&amp;nbsp;ঠিক বলে ফেলবো। তারপর  সচল খুলতে খুলতে কথাগুলি ক্লিশে হয়ে যায়। মগজ হাত-পা ছড়িয়ে পড়ে থাকে।  রাজনীতি-সমাজনীতি-সাহিত্যফাহিত্য বাদ দিয়ে শুধু জম্পেশ একটা মালিশের জন্য  হাহাকার করতে থাকে। এইভাবেই&amp;nbsp;চলে যায় সাড়ে চার মাসের মতো।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এর মধ্যে একবার বুড়ো বয়সে শিশুদের রোগ  বাধিয়ে হাসপাতালেও দিন দশেক ঘুরে এসেছি। সত্যি বলতে ঐ কয়টা দিন&amp;nbsp;ভালোই  ছিলাম। আমার এই মনোটোনাস ছোট্ট ঘরটা থেকে বের হতে পারাই আমার কাছে অনেক  কিছু।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;১.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এর মধ্যে&amp;nbsp;পারিপার্শ্ব নিজের মতো করে তার  ঘটনাগুলি ঘটিয়ে গেছে। পঞ্চম সংশোধনী বাতিল হলো সর্বোচ্চ আদালতে। অনেক&amp;nbsp;কথা  বলা হলো ছাপামাধ্যমে-ব্লগে-ফোরামে।&amp;nbsp;কিন্তু শেষমেষ এই রায়গুলি বর্তমানকে ঠিক  কোন পরিবর্তন উপহার দিচ্ছে বোঝা গেলো না। বলা হলো ধর্মনিরপেক্ষতা  পুণর্বহাল হয়েছে কিন্তু ধর্মভিত্তিক রাজনীতিও থাকছে রাষ্ট্রধর্মও  থাকছে।&amp;nbsp;মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের পলিটোলজি মতে  এই সহাবস্থান অসম্ভব।&amp;nbsp;তারপর&amp;nbsp;সপ্তম সংশোধনীও বাতিল হলো একসময়। অনেকে অনেক  অভিনন্দনটন্দন জানালেন।&amp;nbsp;শেষ মেষ দেখা গেলো বাতিল হয়েছে বটে তবে পরবর্তী  সিদ্ধান্ত নেবে চলমান রাজনীতি। অর্থাৎ ইসলামের সওগাত নিয়ে আসা আটরশির পীরের  একনিষ্ঠ মুরিদ নিরাপদেই থাকবেন। রাজনীতিতে সবরকম সামরিক হস্তক্ষেপ অবৈধ  হলে সেটাও সম্ভব নয় বলে জানতাম। কিন্তু পলিট্রিক্সে সবই&amp;nbsp;সম্ভব।  একথা বলে  একদা সেই আটরশির পীরের মুরিদ অনেকের হাততালিটালি পেয়েছিলেন। এখনো পাচ্ছেন।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;২.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে বহুদিন কোন  আপডেট নাই। শুরু তো করলাম এখন দেখি কী হয় পরিস্থিতিতে আটকে আছে, অন্তত আমার  মতো বাতেনীদৃষ্টিহীন মানুষের চোখে। জাহিরি যতটুক তাতে নতুন কিছু পাচ্ছি  না। মাঝে মাঝে সেই গোলাম আজমের নাগরিকত্ব মামলার দুর্গন্ধ পাচ্ছি। হতে পারে  এটা নাকের সমস্যা।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;৩.&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;জার্মান রাজনীতিতে বেশ টালমাটাল পরিস্থিতি  গতবছর সেপ্টেম্বরের জাতীয় নির্বাচনের পর থেকে। রামধরা খাওয়া  সোশ্যাল-ডেমোক্র্যাটিক পার্টি&amp;nbsp;২৩% ভোট পেয়ে তার ইতিহাসের সর্বনিম্ন  ম্যান্ডেটে। শুধু তারাই নয়।&amp;nbsp;ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানীর ইতিহাসের  বেশীরভাগ সময় ক্ষমতায় থাকা ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়নও ৩১% ভোট নিয়ে  সব থেকে খারাপ ফলাফল করেছে। একদিকে বামের (১১.৯%) অন্যদিকে লিবারেলদের  (১৪.৬%) আর গ্রীনদের (১০.৭%) ভোটবৃদ্ধি গত ষাটবছরের&amp;nbsp;বাইপোলারিটি রুখে  দিয়েছে। সেইসাথে যোগ হয়েছে নির্বাচনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলা ২৯%।  লিবারেলদের  সাথে কোয়ালিশনে আবারো সিডিইউ ক্ষমতায়। কিন্তু প্রান্তিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর  কোয়ালিশনের ভাগীদারদের মতপার্থক্যে&amp;nbsp;তারাও খুব ভালো নেই। এর মধ্যে গত মে  মাসে অতিগুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ নর্থরাইন-ওয়েস্টফালিয়ারের প্রাদেশিক নির্বাচনে  এসপিডি-গ্রীনের&amp;nbsp;সরকার গঠণ কেন্দ্র সরকারের সঙ্কটকে আরো বাড়িয়েছে।&amp;nbsp;সব খানেই  কোয়ালিশন ভাগীদাররা নির্ধারক হয়ে দীর্ঘকাল বাইপোলার মনোপলি করা বড় দুইদলের  "নিজস্ব রাজনীতি"কে&amp;nbsp;মানিক সাহেবের চিপায় ফেলে দিয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;এইসব কিছুরই আমি দর্শক। আমার কিছু করার নাই। খালি দেখে যাই। দেখে যাচ্ছি।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-149377658019591399?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/149377658019591399/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=149377658019591399' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/149377658019591399'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/149377658019591399'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/09/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ২৩'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-4314849573695650414</id><published>2010-05-30T14:18:00.000+02:00</published><updated>2010-09-16T14:19:04.794+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ফেইসবুক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কছ কী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধর্মীয় অনুভুতি'/><title type='text'>তবু্ও কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়</title><content type='html'>ব্যপক বিনোদোন পাইতেছি। একটু আগে প্রথম আলোর ব্রেকিঙ নিউজ দেখলাম। খুব  ভাল্লাগলো। এতো ভাল্লাগলো যে বলতে হয় "ভাল্লাগছে"। বিটিআরসি'র চেয়ারম্যান  সাহেব কইছেন, &lt;br /&gt;&lt;div class="bb-quote"&gt;উদ্ধৃতি&lt;br /&gt;&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;ধর্মীয়  অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে—এমন কিছু কার্টুন ও ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করা  হচ্ছিল। এসব কার্টুন যাতে প্রকাশ না হতে পারে, সে কারণে বিটিআরসি এর শাখা  লিংকগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তা করতে না পারায় সরাসরি ফেসবুকই  সাময়িক বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;কোন কথা না। ব্যাখ্যা না। প্যাচাল না। কারণ তিনি এমন কিছুই বলছেন যার  পরে টুকরি ভইরা টাস্কি খাওয়া ছাড়া আর কিছু খাওয়ার নাই। কলির সন্ধ্যা দেখতে  দেখতে তো বাল পাইকা পয়তাল্লিশ মোচড় দিলো। এরপর রাইতে আসলে কোন সীন অপেক্ষা  করতেছে আমাগো জন্য?&lt;br /&gt;ইজি'ই আছি। আপনারাও থাকেন। থাকতে থাকতে আঁটি বান্ধেন। আমিও বান্ধি। &lt;br /&gt;আমগাছে আমও ছিল। কাকও ছিল।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-4314849573695650414?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/4314849573695650414/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=4314849573695650414' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4314849573695650414'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4314849573695650414'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/09/blog-post_16.html' title='তবু্ও কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8184941714563963775</id><published>2010-04-23T15:12:00.000+02:00</published><updated>2010-04-23T15:14:02.574+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বরাহদের স্মৃতিভ্রম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বঙ্গবীর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গরু'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ২২</title><content type='html'>&lt;p&gt;শুক্রবার পর্যন্ত ভূতের মতো কাজ করেছি। টানা চারদিন ইস্টারের বন্ধ। গত সপ্তাহজুড়ে যেই বিশাল কর্মতালিকা বানিয়েছিলাম তাতে ধূপধুনো দিয়ে ঘুমের উপর আছি। পরিকল্পনা একটা ভ্রান্ত ধারণা। এই মহাসত্য জানা সত্ত্বেও একের পর এক ভ্রান্তির টানেলে ক্রলিং করছি। এর শেষ খুঁজতে যাওয়াও একটা ভ্রান্ত ধারণা। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;বঙ্গবীর ডিগবাজী মারছেন বেশ অনেক বছর আগেই। এখন আস্তে আস্তে পলিটিক্যাল ক্লাউনে পরিণত হইতেছেন। চারিদিকে পরিবর্তনের জোয়ার। সবাই চেঞ্জ হইতে চায় চেঞ্জ দেখতে চায়। দিনকাল অন্যরকম। এতোকাল পত্রিকা মারফত জানতাম তিনি মূলত ঢুশঢাশ লাইনের লোক। সেদিন &lt;a href="http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=123700&amp;amp;cid=3" target="_blank" class="bb-url"&gt;বিডি নিউজে দেখলাম&lt;/a&gt; এখন তিনি বেশ পরহেজগার হইছেন। দেইখা কলিজাটা ঠাণ্ডা হইয়া গেলগা। ভালো থাকেন বঙ্গবীর। আমরা ধইরা নিলাম নিচের ছবিটা আপনার না।  &lt;p&gt;&lt;span class="inline none"&gt;&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/" onclick="launch_popup(31301, 400, 596); return false;" target="_blank"&gt;&lt;img src="http://www.sachalayatan.com/system/files/images/kader+siddiqie.thumbnail.jpg" alt="" title="" class="image thumbnail" height="200" width="134" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;ছবিটা যার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বঙ্গবীর বইলা আমরা তারেই চিনুম। আপনে থাকেন আপনার গামছা লইয়া। &lt;/p&gt;&lt;/div&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;পটুয়াখালীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইনিঙে শুনলাম &lt;a href="http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&amp;amp;type=single&amp;amp;pub_no=119&amp;amp;menu_id=56&amp;amp;news_type_id=1&amp;amp;index=12" target="_blank" class="bb-url"&gt;গরুর গোস্ত নিষিদ্ধ করা হইছে&lt;/a&gt;। আমি উপমহাদেশের সব থিকা বড় ছাত্রাবাসগুলির একটাতে সাড়ে চাইর বছর থাকছি। মিলপ্রতি আট টাকা কইরা দিতাম সেই সময়। তখনো গোমাংস বাংলাদেশে এমন কিছু সস্তা ছিলো না। আর আমাদের হলে কমপক্ষে পঞ্চাশজন সনাতন ধর্মাবলম্বী বাস করতেন। কোনদিন শুনি নাই যে তাঁদের জন্য গরুর বিকল্প কিছু রান্না করা হয় নাই। সুতরাং নির্মলবাবু দ্রব্যমূল্যের এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ছাত্রদের যে দোহাই দিলেন সেইটা ধোপে না টিকার মতোই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সুবুদ্ধি হউক। মেনুতে গোমাংস ফিরুক এই প্রত্যাশাই করি। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;তবে দেশে গরুর মাংসের দাম যে গত এক দশকে অস্বাভাবিক রকম বাড়ছে এইটা ঘটনা। আমি যখন প্রথম বাজারে যাই সেই আশির দশকের শেষের দিকেও গরুর মাংসের কেজি ছিল পয়ত্রিশ থিকা চল্লিশ টাকা। সেইটা বাড়তে বাড়তে চুরানব্বই-পচানব্বই নাগাদ ষাইট টাকায় আসে। দুই হাজার সালের শুরু পর্যন্ত সেইটা সিজন অনুসারে ষাইট থিকা সত্তুর-পচাত্তুরের মধ্যে ওঠানামা করতো। এর পরে মিলেনিয়ামে আইসা সেইটা হাইজাম্প দিলো। কারণ হিসাবে পত্রিকা মারফত জানলাম ভারতীয় গরুর "অনুপ্রবেশ" রোধ করতে গিয়াই এই দশা। নব্বই দশকের প্রথমার্ধেও দেখতাম অনেক রিক্সাচালক-বেবি ট্যাক্সি চালক হোটেলে পরোটা-গরু দিয়া প্রাতরাশ সারে। মোড়ের হোটেলগুলিতে এক বাটি গরুর গোস্ত ছয় থিকা আট টাকা আর বাড়ি মারা খাস্তা পরোটা একটাকা। মোটামুটি বারো থিকা চৌদ্দটাকার মধ্যে তখন চা-বিড়ি সহ গ্র্যান্ড প্রাতরাশ সম্ভব ছিল। যেই অমানুষিক শারিরিক পরিশ্রম তাঁরা করেন তার জন্য সকাল বেলা ভারী নাস্তা খুব জরুরি। এখন যে দ্রব্যমূল্যের কথা শুনি তাতে তো ভাজি দিয়া বাজে পরোটা খাইতে গেলেও বিশটাকা বাইর হইয়া যাওয়ার কথা। চা-বিড়ি না হয় বাদই দিলাম। আমার প্রশ্ন হইলো আমাগো দেশে কি কোনভাবেই গরুর উৎপাদন বাড়ানো যায় না? দেশে এতো পয়সাওয়ালা লোকজন আছেন তারা কি এই খাতে কিছুটাকাও খাটাইতে পারেন না?&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; যা বুঝতাছি এর একটাই সমাধান আছে। সেইটা হইলো আমারে একটা জ্যাকপট পাইতে হইবো। তারপর অচ্ছুৎ বলাইয়ের বন্ধুরে সেইখান থিকা এককোটি টাকা দিমু। সে একটা বড় সাইজের জমিতে একটা ফার্ম বানাইবো। সেইখানে সারা দুনিয়া থিকা উত্তেজিত ষাড় আর লাস্যময়ী গাভী কিনা আইনা রাখা হবে। বাইরে থিকা তাগো খালি দরকার মতো খাওন দেওয়া হবে। ব্যস। ঐখানে তাগো একটাই কাম। পাঁচ বছরে তাগো সংখ্যা অন্তত পাঁচগুণ হইবো। তারপর পুলাপান লায়েক হইলে তারাও কর্তব্য বুইঝা যাইবো। এইভাবেই একদিন বর্তমান ওয়েজ লেভেল স্থির রাইখা গরুর গোস্ত কেজিপ্রতি পঞ্চাশ টাকায় নামবে। মাছেভাতে বাঙালী গরুভাতে শিফট করবে। বাংলাদেশ হবে এশিয়ার আর্জেন্টিনা। বাঁচুকমরুক যাই করুক গরু খাইয়াই করবো। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;অপেক্ষা শুধু জ্যাকপটের .....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৩. &lt;/p&gt; &lt;p&gt;বরাহ শিবিরে স্মৃতিভ্রম শুরু হইছে। বাড়িতে সবাই তাওয়া কড়াই রেডি রাখেন। স্মৃতি ফিরাইতে থ্রীস্টুজেস মডেলের বিকল্প নাই।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8184941714563963775?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8184941714563963775/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8184941714563963775' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8184941714563963775'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8184941714563963775'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/04/blog-post_23.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ২২'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-4284225686101050875</id><published>2010-04-05T11:27:00.002+02:00</published><updated>2010-04-05T11:35:07.668+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টেরা-উপন্যাস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='উপন্যাস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='দৈনিকি চৈনিক ফুদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধারাবাহিক'/><title type='text'>আম কোয়নিগস্ প্লাৎস্ :::: ১০</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/suman/23531" target="_blank" class="bb-url"&gt;পর্ব ৯&lt;/a&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;বোলিঙ ক্লাবের ঘুঁটির মতো বারান্দার রেলিং ঘেঁষে বীয়ারের সারি। শেষ দুটো বীয়ার নামিয়ে রেখে খালি বোতলগুলি তুলতে গেলে সোহাগ বলে,&lt;br /&gt;- থাক ওগুলি সকাল পর্যন্ত। ভালো একটা ডেকোরেশান লাগতাছে।&lt;br /&gt;- হ...এই দুইটা খালি হইলে ছবি তুইলা রাখতে হইবো। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;কেইসের শেষ দুই বোতলের ঢাকনা খুলে সোজা চোখের দিকে তাকিয়ে "প্রৌস্ট" (চিয়ার্স!) করলো দুই বন্ধু।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;দশটা বাজতে তিন মিনিট বাকি। এতক্ষণে আকাশে একরকম প্রাক-গোধুলীর আভাস। লোয়ভেনবেয়ার্গ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বাড-ভিলহেল্মসহোয়ের উপর হনুমানের সমুদ্রমন্থনের মতো একফালি রোদ। সূর্যের আলোর আয়ূ আজকের মতো আর মিনিট চল্লিশ। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- পর্বগুলি কেমন জানি ডেইলী নোটবুক হইয়া যাইতাছে না? ড্রামা কৈ?&lt;br /&gt;- কোয়ালিটি জাজমেন্ট কৈরা তো আর ডেইলী সোপ হয় না।&lt;br /&gt;- আরে কোয়ালিটির কথা কই না। ড্রামার কথা কই। দিনে তো অনেক ঘটনাই ঘটে। সব কিছু যেমন মনে কর বাথরূমে বা টয়লেটে যা ঘটে তাতো আর সবসময় নাটকীয় না। যদিও খাবারে ঝামেলা থাকলে টয়লেটে ক্রিটিক্যাল ফেনোমেনা জাগ্রত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল, এবং নাটক হিসাবে সেইটা কোনমতেই নিয়মিত প্যাকেটধারাবাহিকের চাইতে কম রোমাঞ্চকর না, তবুও এখনো পর্যন্ত এই নাটকীয়তাগুলি কেউ ধারণ করে নাই। বাথরূম দেখানো হয় শুধুমাত্র খুনখারাবী দেখাইতে গেলে।&lt;br /&gt;- পয়েন্ট ছিল ড্রামা। তুই আবার টয়লেট টান দিলি ক্যান?&lt;br /&gt;- খালি হৈয়া আইতাছি। কিছু বীয়ার রাইখা আসি।&lt;br /&gt;- আইচ্ছা আয়। একটু ভাবি। নাটকের খোঁজ করি। তুই আইলে আমারো যাওয়া লাগবো।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;সোয়া পাঁচ মিনিট পরে দুই বন্ধু আবারো বসে। রেলিঙে হেলান দিয়ে ম্যাট্রেসে পা ছড়িয়ে সোহাগ শুরু করে.....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;(চতুর্থ পর্ব)&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;প্রথম দৃশ্য&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;জসীমের বাসা ক্যাম্পাসের একেবারে মাঝখানে। নোরা-প্লাটিয়েল স্ট্রাসে ৭। একটানা অনেকগুলি সিঙ্গেল রুম পার হয়ে তিনতলার কোনায় একটা পাঁচ জনের অ্যাপার্টমেন্ট। জসীমের প্রতিবশীরা আজকে নেই। সব কয়টা জার্মান। বেশীর ভাগ উইকেন্ডেই বাড়ি যায়। রান্নাঘরটা বেশ বড়। বাসা খালি থাকলে পার্টি করার জন্য চোস্ত জায়গা। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- এইটা বাসা? একতলার সদর দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কুতুব জিজ্ঞাসা করে।&lt;br /&gt;- তো কী মনে হয় তোমার?&lt;br /&gt;- না মানে দেইখা মনে হয় কোন ডিপার্টমেন্ট।&lt;br /&gt;- এই ক্যাম্পাসে লাল রঙের দালানগুলি বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট আর সবুজগুলি ডর্ম।&lt;br /&gt;-ও।&lt;br /&gt;কুতুবের বেঢপ সুটকেস তিনতলায় তুলতে বেশ কসরৎ করতে হলো।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- কী আছে এর মধ্যে? এতো ভারী ক্যান?&lt;br /&gt;- এই অল্প কিছু বই.....&lt;br /&gt;- কী এতো বই আনছো? ঢাকায় কি আইজকাইল জার্মান সাহিত্যের বইও পাওয়া যায় নাকি?&lt;br /&gt;- আরে না। গোটা সাতেক ডিকশনারি।&lt;br /&gt;- সাআআত টা?&lt;br /&gt;- হ্যা...সলজ্জ্ব হাসি দেয় কুতুব।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;জসীমের রূম নাম্বার ১১৫। লম্বা প্যাসেজের একেবারে শেষে বাম কোনায়। স্যুটকেস কোনমতে ঘরের এককোনায় ঠেসে দিয়ে সবাই এসে বসে রান্নাঘরে। একটা মাঝারি ডেগচি বের করে জসীম জিজ্ঞাসা করে,&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- আমরা কয়জন টোটাল?&lt;br /&gt;- গাবি আর শারমিনরে ধইরা বারোজন...&lt;br /&gt;- হুম... তাইলে দেড় কেজি...না আরেক্টু বেশীই নেই...&lt;br /&gt;মকবুল আড়মোড়া ভাঙতে ভাঙতে বলে,&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- এই চাইলের হিসাবে আমার বরাবর ঝামেলা বাজে, প্রায় প্রতিটা পার্টির পরে দেখা যায় এ্যাত্তোগুলি কইরা ভাত বাঁইচা যায়..কম পড়লে আবার বেইজ্জতি..&lt;br /&gt;এইবার কুতুব মৃদুস্বরে জিজ্ঞাসা করে,&lt;br /&gt;- পার হেড কত গ্রাম কইরা ধরেন?&lt;br /&gt;- হুঁ...এই একশ পঁচিশের মতো...ক্যান?&lt;br /&gt;- না ভাত বাঁচে কইলেন যে ঐটা ভাবতেছিলাম...&lt;br /&gt;- তুমি যদি বেশী খাও অসুবিধা নাই...চাইল বেশী কইরাই নিছি..&lt;br /&gt;- আমি কি আপনার ডুশে(বাথরূম) ব্যবহার করতে পারি?&lt;br /&gt;- বুঝলাম না !&lt;br /&gt;- গোসল করা যাবে এই বাসায়?&lt;br /&gt;- তুমি মিয়া আইতে না আইতে জার্মান ছাড়া শুরু করছো&lt;/p&gt; &lt;p&gt;লাজুক হাসি দিয়ে কুতব বাথরূমে ঢোকে। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;ক্যামেরা কুতুবের গায়ে শোয়ানটেক্সের স্যান্ডো গেঞ্জি থেকে বাথরুমের দেওয়াল বেয়ে চলমান শাওয়ারে পৌঁছায়।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;দ্বিতীয় দৃশ্য&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;আমালিয়েন স্ট্রাসে ৪। &lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;তিনতলায় বামদিকে তিনজনের অ্যাপার্টমেন্টে শারমিনের ঘর। শারমিন ছাড়া ঐ বাসায় আরো থাকে আনা স্মীডট্ আর সিলভিয়া ক্লুগ নামে দুই জার্মান ছাত্রী। আপাতত শারমিন একাই আছে। সব অর্থেই একা। আনা আর সিলভি গ্রীষ্মের ছুটিতে বাড়ি গেছে। মামা অবশ্য একবার বলেছিল ছুটির সময়টা ফ্রাঙ্কফুর্টে গিয়ে থাকতে। হাফহার্টেড প্রস্তাব। আর ব্যাপারটার মধ্যে কিছুটা বেবি সিটিঙের ব্যাপারও ছিল। মামাতো ভাই টুঙ্কু স্কুল থেকে ফিরে বাড়িতে একা। ছেলেকে জার্মানদের সাথে মিশতে দিতে মামামামী ভয় পায়। কিন্তু এর কোন বিকল্পও তারা তৈরী করেন নাই। কারণ টুঙ্কু তুর্কি-আরব পোলাপানদের ভয় পায়। তার সাথে রান্নাবাটি খেলতে হবে। অর্থাৎ ফ্রাঙ্কফুর্টে গেলে শারমিনের পুরা সামার ভ্যাকেশানটাই মাটি। একা না থাকার অন্য সম্ভাবনার মঞ্জিল এখনো শারমিনের নাগালের বাইরে কিংবা মঞ্জিলগুচ্ছ শারমিনকে বাগাতে পারছে না। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;সশব্দে দরজা লাগিয়ে ঘরে ঢুকে টেবিলের উপর চাবি-মোবাইল-পার্স রাখতেই কলিং বেল। পাশের ফ্ল্যাটের ফ্রাউ বেকেনবাখ। &lt;p&gt;- ভাস ইস্ট ডাস ফুয়ার আইনে ফ্রেষহাইট? (এইটা কী ধরণের অভদ্রতা?)&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- এন্টশুলডিগুঙ! ঈষ বীন আইগেন্টলীষ মুইডে দেসভেগেনস্ ...( মাফ করবেন আমি আসলে ক্লান্ত তাই...)&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- ইয়ো... যী যিন্ড মুইডে...আলে যিন্ড ফেরদাম্ট মুইডে ... মাইন ফেরদাম্টার মান ভার আউখ মুইডে... যোগার বিস সুম টোড ...ভাস কাইন শোয়াইন ফেরস্টেট, দাস ঈষ আউখ মুইডে যাইন কান ... ( হ বুঝলাম আপনে ক্লান্ত...... দুনিয়ায় বাল সবাই ক্লান্ত...আমার বুইড়া হালায়ও ক্লান্ত থাকতো....এমন কি মরণ পন্তও ... কোনো শুয়ার বুঝেনা যে আমিও ক্লান্ত থাক্তারি ...)&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- হালো! হিয়ার গেয়েন যী পার স্টুইক সু ভাইট! ঈষ হাব গেযাগ্ট ডাস এস বীসশেন লাউট ভার উন্ড ঈষ এন্টশুলডিগে মীষ দা ফুয়্যার... আবার হাবে ঈষ আবসলুট কাইন বক মিট ঈরার লেবেনস গেশিষ্টে মীষ সু লাঙভাইলেন ... গুটে নাখট্ ! ( হ্যালো ! এট্টু বেশী হইয়া যাইতেছে না? আমি কইলাম যে দরজা লাগানোর শব্দ একটু বেশি হইয়া গেছে আর আমি সেই জন্য দু:খিত ... কিন্তু আপনের জীবনের দাঁসতাঁয়ে শুইনা বোর হওনের টাইম নাই... গুড নাইট! )&lt;/p&gt;&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; দরজা লাগিয়ে ঘরে ফিরে এলেও বাইরে থেকে ফ্রাউ বেকেনবাখের হাঁউমাউ ভেসে আসে। ঘরের দরজা লাগিয়ে দিতে তিনিও হারিয়ে যান ধীরে ধীরে।&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; ধুপ করে খাটের উপর বসে কিছুক্ষণ হাঁটুতে মাথা গুঁজে থাকে শারমিন। গরম লাগছে। বাইরে মনে হয় এখন ত্রিশ ডিগ্রীর কাছাকাছি। টি-শার্ট খুলে বিছানায় ছুঁড়ে ফেললো। তার উপর ব্রা। শুধু এই বাড়তি জিনিসটার জন্যই মেয়েদেরকে কমপক্ষে পৌনে দুইগুণ বেশী গরম সহ্য করতে হয়। গলা থেকে নাভি পর্যন্ত ঘেমে উঠেছে। বাংলাদেশের মতো দরদর করে ঘাম না। প্যাঁচপ্যাঁচে ঘাম। ঘামের উপর তোয়ালে চালিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়ায় শারমিন। একে একে জিন্স আর প্যান্টিও জমা হয় বিছানায়। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; মুগ্ধ হয়ে নিজেকে দেখতে থাকে। জ্যামিতির মাপে সব ঠিকাছে। এক দিন্না একদিন জুটে যাবে জন আব্রাহামরূপী কোন ফাঙ্কি। তখন কুতুবের মতো মাঙ্কিদের আর চান্স থাকবে না। সেদিনের আরো অনেক কথা মনে পড়ছে। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;তৃতীয় দৃশ্য&lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;ক্যামেরা শাওয়ারের মুখে। পানি পড়তে শুরু করেছে। পুরোদমে। শারমিনের চুল ভিজে কাঁধ পর্যন্ত দেখা গেলো। বাথরূমের ছোট্ট জানালায় সূর্যাস্ত ....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;(চলবে)&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-4284225686101050875?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/4284225686101050875/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=4284225686101050875' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4284225686101050875'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4284225686101050875'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/04/blog-post_05.html' title='আম কোয়নিগস্ প্লাৎস্ :::: ১০'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-47634864884106345</id><published>2010-04-04T05:56:00.001+02:00</published><updated>2010-04-04T05:56:51.829+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='উপন্যাস'/><title type='text'>উটপাখী'র ডায়রী</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;সিরিজ খেলাপী, ই-বুক খেলাপী ইত্যাদি সুনাম আমার আছে। রিসেশানের যূগে খেলাপী হওয়াটা বিচিত্র কিছু না। ক্রেডিট ইন্সটিটিউটকে দেনাদার যা বলে এক্ষেত্রে সচলে আমার পাঠকদেরও সেরকম প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কিছু দিতে পারছিনা। খালি এটুকুই বলতে পারি...সবটাই ক্রমে আসিতেছে...সাথে এই আরো একটা যোগ হলো। এই আর কি.... &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;  &lt;img style="border-width: 0px;" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/4.gif" title="দেঁতো হাসি" alt="দেঁতো হাসি" /&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;একখাবলা সিগারেটের খোল মনিটর আর উফারের মাঝখানে ঢাকনা ভাঙা ক্যালকুলেটর আড়াল করে নির্লিপ্ত পড়ে আছে। ডানপাশে শরিরের আধখানা ঝুরঝুরে মানিব্যাগ আর বাকিটা মাল্টিপ্লাগে ঢেলে দিয়ে জিজ্ঞাসু শুয়ে আছে আধপাতা প্যারাসিটামল। টেবিলের বাকিটা জুড়ে ধোঁয়াচ্ছন্ন সিপিইউ, বর্তমান মোবাইল, দুইবছর আগের বাতিল মোবাইল, গোটা চার খালি তামাকের ঠোঙা, একটা আধাভরা তামাকের ঠোঙা, লাইটার, দেশলাই, বীয়ারের লাইনার, উপচে পড়া ছাইদান, ওয়াইন ওপেনার, হাবারমাসের থিউরি অফ কমিউনিকেটিভ অ্যাকশানের পেপারব্যাক প্রথম খণ্ড, বাদামের খোল, শুকনো দারুচিনি, মাস ছয় আগের টেলিফোন বিল, অনিয়মিত ছড়িয়ে থাকা বাতিল ট্রিপল-এ ব্যাটারি, একজোড়া সস্তা এয়ারফোন আর গোটাদুই নকিয়া-চিকন আর একটা নকিয়া-মোটা চার্জার সুপ্রচুর তামাকের গুড়া আর বিশুদ্ধ ধূলা মেখে মীমাংসার অযোগ্য দ্বন্দ্বে জড়িয়েছে। টেবিল ল্যাম্পের স্ট্যান্ড থেকে সিপিইউ-মনিটর-সাউন্ডবক্স আর উফারকে একই নেটওয়ার্কে আনতে মাকড়সাগুলি কয়েকমাস ধরে খুব খাটছে। এই শ্রমকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে কখনো ছয়টি কখনো আটটি কখনো একসাথে দশটি আঙ্গুলের ডগা কী-বোর্ড থেকে নিয়মিত ধূলা মেখে চলেছে। আঙ্গুলের সরণ সাপেক্ষে মনিটরের স্ক্রীনে পরবর্তী পরিবর্তনগুলি কোনরকমে প্রতিফলন পাচ্ছে। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;কোঁৎ করে চ্যাপ্টা বোতলের চারের এক সস্তা ভদকাটুকু মেরে দিয়ে আঙ্গুল গুলি আবার সেই কী-বোর্ডের ধূলিসাগরে ঝাঁপ দেয়। টাইপিঙের খুটখুট শব্দের সাথে পাল্লা দিচ্ছে উইন্যাম্পে চলমান সোয়া পাঁচঘন্টার ম্যারাথন প্লেলিস্ট। তার এই প্রান্তে রক অ্যারাউন্ড দ্য ক্লক ঐ প্রান্তে রক অ্যান্ড রোল ট্রেইন। খুব বেছে বেছে তৈরী করা ৫৭ বছরের একটা অ্যান্থোলজি। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;কিছু একটা জন্ম নিচ্ছে। ৫৭ বছর সঙ্গমের অনুশীলন বা অভিনয় দাবী করে এমন একটা কিছু। কবিতা হতে পারে, গান হতে পারে, প্রবন্ধ হতে পারে, গল্প হতে পারে, উপন্যাস হতে পারে, নাটক হতে পারে, স্ক্রিপ্ট হতে পারে, বালছাল হতে পারে, ধুনফুন হতে পারে, এমনকি মেগাবাইট খানেক ওয়ার্ড ফাইলও হতে পারে। সময়টা খরচ হচ্ছে নির্দিষ্ট কোন সঞ্চালনে এটাই ঘটনা।&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;অ্যান্থোলজি সত্তর দশকের মাঝামাঝি। ডীপ পার্পল ভেঙে রেইনবো হবো হবো সময়। প্রথমে ডান হাতটা দুই খাঁচার মাঝখানটা চেপে ধরলো। তারপর দুই হতে বাম দিকে। ঠেলা দিতে চেয়ার উল্টে ধূলিমাখা মেঝেতে উপুর হলেন আঙ্গুলগুলির মালিক। উইন্যাম্পে লঙ লিভ রক অ্যান্ড রোল। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- আমাগো ইমিডিয়েট আগের জেনারেশান পর্যন্ত মাইনসের পুরা সেরকম ঝোল আছিল বুঝছস! খাওন জুটে কৈ থিকা হিসাব নাই আটকালচার দিয়া ছ্যাড়াব্যাড়া। আমাগো টাইমটা ডিফরেন্ট। কাম আছে ট্যাকা আছে খরচো করার জাগা আছে, মাগার ঐ বালের আটকালচার করার টাইম নাইক্কা।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- ঠিকই কইছস মনে হয়। মাগার আটকালচার করা পাবলিকগুলা একসময় না একসময় বহুত নাম কামাইছে। কামাইয়া টাইম মতো ঠিকই কালচার-ট্রেড করা ধরছে ......&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- কয়জন? পঁচিশ বছর আগের থিকাই ধর। উননিশো পাঁচাশি থিকা আইজকা এই দুই হাজার দশ। কয়টা মাল কামাইন্যা কালচারকাকু পাইছস এর মধ্যে? খুব বেশী হইলে পঞ্চাশ জন?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- এ্যাতো হইবো না ...&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- পঁচিশ?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- তাও না.. টাইনা টুইনা পনেরষোল হৈতারে ...&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- তাইলেই দ্যাখ... জাস্ট মোর দ্যান হাফ এ ইয়ার ....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- কিন্তু এর মধ্যে তো এইজগ্রুপের আলাদা হিসাব আছে। মানে তুই যাগো কালচারকাকু কইতাছোস তারা তো বেশীরভাগই ফিফটিজ-সিক্সটিজের আঁতেল। ঐ সময়টাতে মার্কেট এরকম ক্লামজি ছিল না। হ্যারা সেই সময় প্রিমিটিভ অ্যাকুমুলেশান যা করার কইরা নিছে ....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- এগজ্যাক্টলী! এর পরে যারাই বাজারে জাগা নিতে গেছে তাগো প্রায় সবাইরেই ঐ পঞ্চাশ-ষাইট দশকের পীরসাবগো মুরিদান হইতে বাধ্য হইতে হইছে। এই ট্রেন্ডই চলছে এক্কেরে পৌনে পনের বছর আগের আইটি-ব্যুম পন্ত। আমাগো আগের জেনারেশন মানে তো ঐ সময়ের পোলাপানই। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- তাইলে বটম লাইন কী খাড়াইলো? &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- সহজ কথা। মাস্-পাঠকের মনোযোগের ভালোরকম আড়ালে থাকা কিছু প্রকাশিত-অপ্রকাশিত কবিতা বাদে মাঝের তিনসাড়েতিন দশকের অ্যাসথেটিক্স সামনে আইতারে নাই। পুরানা ঝোলে ভাত মাখাইতে মাখাইতে আইটি ব্যুমের টাইমে আইসা প্রথমে কাঁচা ভাত আরো কয়দিন পর পুরা চাইল। ইন দ্য মীন টাইম কাকুরা মরতে শুরু করছে। বাজারে ততদিনে নতুন ক্রয়ক্ষমতা পাওয়া নয়া কিছিমের কনজুমার আইসা পড়ছে .......&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- এইভাবে দেখতে গেলে মার্কেট কিন্তু এখন আরো একটা ভ্যাকুয়ামের মধ্য দিয়া যাইতাছে। মাঝে মধ্যে দুই একটা ডিজে'র ছাও আর নয়াবামের ভ্যাক ধরা মোল্লা ঘেঁষা পাতি আঁতেল চ্যাওম্যাও কইরা নিজেরাই কনফিউজড হইতাছে ....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;মোবাইল বাজে। মানে বেজে উঠে থেমে যায়। এসএমএস। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- কে রে?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- পালবাবু মাল জোগাড় করছে। কোন ঝামেলা হয় নাই। চৌরঙ্গী'র দিক যাইতে কয়। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- হলে আইলেই পারতো বাল। এখন উঠতে মন চাইতাছে না। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;- চল ব্যাটা। পূর্ণিমা আছে। মনা ভাইও আইছে .....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;- কছ কি! খাড়া মুটুম মাইরা আহি .....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;মীর মশাররফ হোসেন হলের লাল ইটে গোধুলি একাকার হতে থাকে। দুই বন্ধু সোয়া তিন মিনিট রিক্সার অপেক্ষায় থেকে চৌরঙ্গীর দিকে হাঁটা দেয় হল অফিস ডানে ফেলে .....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;(চলবে?)&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-47634864884106345?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/47634864884106345/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=47634864884106345' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/47634864884106345'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/47634864884106345'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/04/blog-post.html' title='উটপাখী&apos;র ডায়রী'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-7560771513190011406</id><published>2010-03-30T10:37:00.000+02:00</published><updated>2010-03-30T10:39:24.202+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধর্মীয় মৌলবাদ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সচলায়তন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='উত্তরাধুনিক ধোঁয়াশা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ছাগুবান্ধব'/><title type='text'>খুব খিয়াল কৈরা!!!!!!</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;মানসিক প্রস্তুতি ছিল "নিয়মিত লেখা আর ব্লগের লেখা" নামে আমার প্রাগৌতিহাসিক একটা খেলাপি সিরিজকে শ্মশাণ থেকে টেনে তুলবার। পরে মনে হলো আরো কিছু কথা বিশেষ করে সচলায়তন নিয়ে কিছু কথা বলতে পারলে ভালো হয়, মানে আমার ভালো লাগে আর কি। ব্লগের একটা খুব বড়ো সুবিধা হচ্ছে কেন লিখছি কার জন্য লিখছি'র বিবেচনাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ফটাশ করে ইচ্ছে মতন কোন কথা নামিয়ে ফেলা যায়। কোন প্লাটফর্মে লিখছি সেটা অবশ্যই মনে রাখতে হয় যেহেতু জ্ঞানত বর্ণান্ধ নই। যা লিখতে চাই বা বলতে চাই, নিজের ব্যক্তিগত ব্লগের বাইরে সেটা শুধুমাত্র সচলায়তনেই বলতে পারি। তাই সচলে লিখি। সচলায়তনের সাথে চৈতন্যগত ঐক্যের এই জায়গাটাই সচলে আমার ধুনফুন লিখে যাবার প্রধাণ কারণ। এর থেকে বেশী যোগ্যতার দরকার নাই। &lt;/div&gt; &lt;p&gt; &lt;/p&gt;&lt;div style="text-align: justify;"&gt;সচল অনিকেতের পোস্টে হাসান মোরশেদ যেমন বললেন তারই একরকম পুনরোক্তি করে বলছি সচলায়তন মোটেও অন্যকোন কমিউনিটি ব্লগিং প্লাটফর্ম ভেঙে জন্মায় নাই। সেযুগে একটাই বাংলা-ব্লগিং প্লাটফর্ম ছিল নেটজগতে। প্রথমেই সেখানে সরাসরি ধর্মীয় মৌলবাদের সাথে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরী হয়, যেটা মৌলবাদীদের জামাত-হিজবুত'কে আকড়ে ধরার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক চেহারা পায়। রাজনৈতিক চেহারা আসলে যেকোন ধরণের সংঘাতেই থাকে। সেটা কোন সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে হতেই হবে এমন না। সেখানে জামাত-হিজবুত ধর্মীয় মৌলবাদের আইকন হিসাবেই ধর্মীয় মৌলবাদ বিরোধীদের প্রতিপক্ষ হয়েছে। মৌলবাদের স্বরূপ উদ্ঘাটনে বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন জামাত-মুসলীম লীগ-নেজামে ইসলামী'র ভূমিকা সব থেকে শক্তিশালী অস্ত্রগুলির একটা। আর এটাকে অস্ত্রে পরিণত করার ব্যাপারে সব থেকে বেশী সহায়ক ভুমিকা মৌলবাদ সমর্থক ব্লগাররাই পালন করেছেন। তাঁরা ক্রমাগত তাঁদের অতীত কালিমাকে কখনো অস্বীকার করে কখনো তাকে ডিফেণ্ড করতে অন্য আরো কেউ কেউ কী করেছেন না করেছেন তার ফিরিস্তি দিতে থাকেন। মরতেদম জামাত-হিজবুতদের খুব বড়ো আর একটা দূর্বলতা ছিল তাঁদের মধ্যে পাতে দেবার মতো লেখকের সর্বাত্মক অনুপস্থিতি। সুতরাং সংঘাতের চেহারা খুব বেশী সময় কূটনৈতিক শিষ্টতা বজায় রাখতে পারে নাই। অশিষ্ট আক্রমণ প্রথম মৌলবাদ সমর্থকদের মধ্য থেকেই আসে। "বিপরীতের ঐক্য এবং সংগ্রাম" এর বহু সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও চলমান রাজনীতিতে এর প্রকট উপস্থিতি প্রসঙ্গে কট্টর মার্কসবাদ বিরোধীরাও খুব একটা উচ্চবাচ্য করেন না। বাংলাভাষার প্রথম ব্লগ পাটাতনেও তার উদাহরণ যথেষ্ট প্রকটভাবে দেখা দিলো। ধর্মীয় মৌলবাদের বিরোধীতায় সেইসূত্রে উদারপন্থী, জাতীয়তাবাদী, পুরাবাম, আধাবাম, সোয়াবাম, পৌনেবামরা ঐক্যবদ্ধ হন বা হতে বাধ্য হন। পরিস্থিতিটা এমন দাঁড়ায় যে ধর্মীয় মৌলবাদবিরোধী সংঘাতের শিষ্টঅশিষ্ট সবরকমের অনুশীলনের কারণে বাংলাব্লগারদের নিজস্ব স্বাভাবিক ব্লগিঙের ঐ প্লাটফর্মে আর কোন উপায় থাকে না। সুতরাং বাংলাব্লগিঙের সেই প্রথম প্লাটফর্মের মনোপলি ভেঙে যাওয়া অনিবার্যই ছিল। কোন একটা বা একগুচ্ছ বিষয়ে মতৈক্য ছাড়া কোন ধরণের প্লাটফর্মেরই জন্ম হয় না। "স্বাভাবিক লেখালেখির পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে সেখানে ছাগু-বরাহদের অনুপস্থিতি ফরজ" এইটা সচলায়তনের জন্মের খুব প্রধাণ ডিরেক্টিভ প্রিন্সিপল। আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে সচলায়তনের জন্মের ইতিহাসের এটাই মর্মার্থ। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; সচলের জন্মের পরে প্রথম যুগে উত্তরাধুনিকতার মুখোশ পড়া মৌলবাদের সুশীলরক্ষকদের সাথে দ্বন্দ্বের পরিস্থিতি আসে। এর পরিণতিতে সেই সুশীল রক্ষকরাও কালক্রমে সচলে অপাঙতেয় বিবেচিত হন। এইসব সুশীলদের অনেকেই সুলেখক। কিন্তু আক্রান্ত হলে আত্মরক্ষার কায়দায় এঁদের ছাগুরূপ বেরিয়ে আসে। সচলায়তনে লিখতে হলে লেখার মান, বিষয়বস্তুর গভীরতা এই বিষয়গুলি খুব গুরুত্ব নিয়ে বিবেচ্য। সুতরাং এই সুশীলতার মুখোশ পড়া ছাগুদের অনুপ্রবেশ সরাসরি সব সময় ঠেকানো সম্ভব হয় না। আশার কথা খানিক লাড়ালাড়ির পরেই এঁদের অন্তর্বাস খুলে লেজ বেরিয়ে যায়। এক্ষেত্রে লাড়ালাড়ির বিকল্পপন্থা এখনো আবিস্কৃত হয় নাই। সুতরাং কারো লেখায় ধোঁয়াপন্থা দেখা গেলে সংখ্যাগরিষ্ঠ সচলরা তাকে লাড়বেন এটাই স্বাভাবিক। এইসব দার্শনিকদেরকে আমি ব্যক্তিগতভাবে সচলে প্রবেশের সময় ইস্পাতের জাঙ্গিয়া পড়ে প্রবেশের পরামর্শ ছাড়া আর কিছু দিতে পারছি না। ধর্মীয় মৌলবাদী এবং যেকোনভাবে মৌলবাদের প্রতি সহানুভুতিশীল যেকোন কারো জন্য আমার ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে সচলায়তন একটা ডেঞ্জারজোন। আর সেটা আছে বলেই সচলায়তনে আমি এবং আরো অনেকে আছেন।&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; ছাগুদের সক্রিয় অনুপস্থিতি লেখালেখির পরিবেশ নিশ্চিত করে এই কথা সচলায়তন প্রমাণ করেছে বলেই মনে করি। যারা সচলে আসেন তারা এই পরিবেশের আকর্ষণেই আসেন। ছাগুবান্ধব কারো কাছেও এই পরিবেশ আকর্ষনীয় হতে পারে। সেক্ষেত্রে তাঁদের পরামর্শ দেবো অনিবন্ধিত নিরব পাঠক হিসাবেই সচলাগমণ করতে। পৃথিবীটাতো অনেক বড়ো। ছাগুগন্ধী-কাঠিবাজীকে মৌলিক অধিকারজ্ঞান করলে তার জন্য আপনার জন্য পড়ে আছে নেটজগতের অবারিত প্রান্তর। সেখানে অনেক ঘাস অনেক কাঁঠাল পাতা আরো অনেক নাম না জানা ছাগখাদ্য সুপ্রচুর মজুদ আছে।&lt;/div&gt; &lt;p&gt;অতএব খিয়াল কৈরা ..... খুউব খিয়াল কৈরা!!!!!!&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-7560771513190011406?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/7560771513190011406/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=7560771513190011406' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7560771513190011406'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7560771513190011406'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/03/blog-post_30.html' title='খুব খিয়াল কৈরা!!!!!!'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-7770698392971284972</id><published>2010-03-24T15:00:00.001+01:00</published><updated>2010-03-24T15:03:12.319+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ২১</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;গত আড়াই দিন ধরে টানা রোদ পাচ্ছি। তবে ঠাণ্ডা কমার নাম নাই। কারণ গত শুক্রবার রাতে সর্বনাশ যা হবার হয়ে গেছে। রাত দশটা থেকে ভোর চারটার মধ্যে সপ্তাহখানেকের তুষার একসাথে পড়েছে। তারপর শুরু হয়েছে প্রকৃতির আরেক খাইস্টা রাজনীতি। ভোরবেলা থেকে সকাল দশটা সাড়ে দশটা পর্যন্ত মাইনাস সাত-আট আর তারপরে ফটাশ করে প্লাস শুণ্য থেকে এক-দুই। তুষার গলে রাস্তাঘাট মোটামুটি কাদা হতে হতে আবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ হিমাঙ্কের নিচে। ফলাফল ঐ কাদাগুলি তখন তুষারের বদলে বরফ। আর তাতে একটা আছাড় খাওয়া মানেই সচলায়তনের ব্যানার হবার দিকে কয়েক ধাপ এগিয়ে যাওয়া। শুধু তাই না। দিনে যতক্ষণ তাপমাত্রা হিমাঙ্কের উপরে ততক্ষণ ঝিরঝির বাতাস। গলন্ত তুষার/বরফের পুরো আঁচটাই তখন পথিককে রোমাঞ্চিত করে। ঝকঝকে রোদের মধ্যেও তাই বের হতে হয় অ্যাস্ট্রোনট সেজে ঠকঠক কাঁপতে কাঁপতে। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;রাষ্ট্রের মাথাদের বেতন দ্বিগুণ হয়েছে। হতেই হবে। দ্রব্যমূল্য ফকিন্নির পুতদেরই পিষে ফেলছে আর এঁরা হলেন সমাজের বাড়া। এঁদের মাথায় গোটা রাষ্ট্রের দায়। এদের খাটুনির দাঁস্তায়ে শুনে কুমিরের মতো কেঁদে ফেলি। কত কষ্ট! রক্তে উচ্চমাত্রার চিনি নিয়ে সংসদে মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে হাইপার উত্তেজনায় কেঁপে কেঁপে উঠতে হয়। তারপর একেকটা চেয়ারেরও তো ওজন আছে। এতো আর সুড়কির বস্তা না!&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;খান মামারা ভালো কইরা খান। প্রোটিনটা ঠিকঠাক খান। পাবলিকের অন্তত কার্বোহাইড্রেটের ব্যবস্থাটা কইরেন। না করলে আর কী করবেন। পরের সেশন তো আছে! আগের সেশনের উপর দোষটা চাপাইতে পারলেই হবে। সেইটাও তো কম শ্রমের না!&lt;/div&gt; &lt;p&gt;ও আমার দ্যাশের মাডি!&lt;br /&gt;তোমার পরে টাহাই মাতা!&lt;/p&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;পাকিস্তানের ক্যাপ্টেনসহ কয়েকজন একলগে ধরা খাইছে। এই একটা দেশ যারা খেলায় হারলে দেশে তদন্ত কমিটি হয়। অন্য কোন কোন দেশেও হয়তো কখনো হইছে বা হয় নাই শিওর না। কিন্তু পাকিস্তানে এইটা একটা নিয়মিত বিষয়। এর আগে ১৯৯৯ তে একবার সবকয়জন একলগে ঘুষের মামলায় ফাঁসছিল। সেইবার জলপাই মোশাররফ আইসা সবাইরে শফিউল আলম প্রধাণ বানাইয়া দিছিলো। দেশই একটা মাইরি!&lt;/div&gt; &lt;p&gt;&lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-03-11/news/48013" target="_blank" class="bb-url"&gt;এই খবরে ছবিটা দ্যাখেন। কার কথা মনে হয় কন্তো?&lt;/a&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;সুখবরের আকালের এই যূগে পাকিস্তানের কোথাও কোন ক্ষতি হইছে শুনলে ভালো লাগে ..... &lt;/p&gt; &lt;p&gt;৩.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;মাশরাফির মুম্বাই গমন আর রকিবুলের রিটায়ার নিয়া আর কিছু কইতে মন চাইতেছে না। ক্যানজানি মনে হয় পুরা ব্যাপারটাই বোর্ড ইচ্ছা করলে ঠ্যাকাইতে পারতো .... &lt;img style="border-width: 0px;" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/2.gif" title="মন খারাপ" alt="মন খারাপ" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৪.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;ব্লগ নিয়া কয়েকদিন আগে সচলে অনেক কথা হইলো। ব্রাহ্মণমাধ্যমে টুকটাক পরিচিত কেউ কেউ তাগো সুখটাক বাঁচাইতে গইড়াইয়া কান্দা শুরু করছে। কয়দিন পর মনে হয় মাডি থাবড়ানিও শুরু হইবো। কলুকূলগুরুরা এই নাভিশ্বাস তুলায় ভালোই লাগে। যারা আগে ব্লগের কথা জানতো না বা জানলেও তেমন পড়তো টরতো না তারাও এইবার ব্লগে উঁকি দেওয়া শুরু করবো। আমি তাঁদের উৎসাহই দিমু। যত পারেন ব্লগের বিরুদ্ধে লেখেন। আমি আছি আপনাগো লগে।&lt;/div&gt; &lt;p&gt;আউফ দ্দীণূ!&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-7770698392971284972?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/7770698392971284972/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=7770698392971284972' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7770698392971284972'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7770698392971284972'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/03/blog-post_24.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ২১'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8248002418296331232</id><published>2010-03-07T09:23:00.000+01:00</published><updated>2010-03-07T09:25:52.268+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ২০</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে আঙ্গুল গুলিও খুলি খুলি করতাছে। আসলেই খুলছে কিনা বুঝতে আরো মাস খানেক লাগবো। গত মাসের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি বলতে সচল খুইলা ভুদাই হইয়া চাইয়া থাকার বদলে কিছু এক্টা লেখার জন্য মাথার লগে আঙ্গুলেও কিছু কুচুরমুচুর। এইটা যুবকের না ভামের অ্যাপেটাইট সেইটা হয়তো ভোলে বাবা জানতে পারে, আমি শিওর না। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;শিবিরের পোলাপান ঠোলার হাতে ধরা খাওয়া শুরু করছে। ক্যান জানি মনে হইতেছে একটু দেরী হইয়া গেলো। এই মনে হওয়াটা ভোটের পলো দিয়া ধরা যাইবো না। দুইটা ব্যাপার, এক হইলো এতে শিবিরের বিরুদ্ধে ক্রিয়াশীল হিসাবে শুধুমাত্র ছাত্রলীগরে দেখানোর একটা ফরম্যাট আছে। যেইটা ভয়ঙ্কর বিপজ্জনক। আওয়ামী লীগ ৬২টা সীট পাক আর ২৩০টা সীট পাক ছাত্রলীগের পাবলিক ইমেজ জ্যামিতিক হারে নিম্নগামী। ছাত্রলীগের জন্য জনগণ আপ্লুত হবে এইরকম চিন্তা গাঁজার লগে ভাংপাতা আর ইউনক্টিনের জুস মিলাইয়া তার লগে তিনপেগ ব্রাস্কা মাইরাও কেউ কইবো না। এইটা আমি ফার্স্ট হ্যান্ড অভিজ্ঞতা থিকা কৈতে পারি। আওয়ামী ভক্তরা প্যান্ট খুলার আগে জাইনা রাখেন ছাত্রলীগের ভালুপুলা বলতে আপনারা যাগো কথা কইবেন তাগো আমি চিনি। শুধু চিনি না জানিও। তয় তারা সংখ্যায় মাইর খাইয়া যায়। কারণ কমিটিতে পোস্ট পাইতে গেলে যা করতে হয় তাতে আমি যা কৈলাম তার অ্যান্টোনিম দাঁড় করানো যায় না। ছাত্রলীগ একটা ড্রাগন। এইখানে কোন বিতর্ক নাই। কেমনে তারা ভালো হইতে পারে সেইটা তারা বুঝবো। আমার তাতে বালও আসে যায় না। আমি যে ছাত্রলীগরে চিনি সেইটা একটা লুম্পেন সংগঠণ ছিল। খবরের কাগজে যা পড়ি তাতে তাগো সেই অবস্থানের কোন রকম কোন পরিবর্তন হইছে বইলা মনে হয় না। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;দুই হইলো, ঢাকা আর জাহাঙ্গীরনগরে শুধুমাত্র গণপ্রতিরোধের জোরে শিবির ঠেকানো হইছিল সেইটা ছিল এই শুয়োরগো আইনের ফান্দে ফালানোর হাই টাইম। তাইলে ঠোলাগো যেকোন অ্যাকশানই একরকমের &lt;span style="font-style: italic;"&gt;পপুলার লেজিটিমেশান&lt;/span&gt; পাইতো। এখনো যে পাইতেছে না সেইটাও জোর দিয়া বলতে পারি না। তবে আমি জাহাঙ্গীরনগরের যেই যূগের ছাত্র সেই যূগের মূল্যবোধ ছিল রাষ্ট্রের আইনের অপেক্ষা না কইরা সোজা লাত্থি মাইরা শিবির খেদানো। শিবির ঠেকানোর ব্যাপারে জাহাঙ্গীরনগরের মডেলটাই একমাত্র সঠিক এবং গ্রহণযোগ্য। যাইহোক রাষ্ট্র হয়তো সেইভাবে আগাইতে পারে না। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং প্রয়োগের প্রক্রিয়াটাতে যেহেতু জনগণই গিনিপিগ সুতরাং জনগণের অবস্থানের প্রতিক্রিয়া রাষ্ট্রের থিকা আলাদাই হইবো। এখন দ্রুত রাজাকার-আলবদরগো বিচার শুরু না করলে আমি যেই আশঙ্কা কইরা দেরী হইয়া গেলগা বলতেছি সেইটাই হৈবো। এই আর কি। আমার আর এই জীবনে জনগণের অবস্থান ছাড়া সম্ভব হইবো কিনা জানি না। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;সিপিবি আর ওয়ার্কার্স পার্টি অবশেষে জোড়া লাগছে। ২০০১ সালে একবার শোনা গেছিল। তখন কী মনে কইরা আর হয় নাই। এইবার ঠিক ওয়ার্কার্স পার্টি না রনো'র লগে কিছু লোক আইসা যোগ দিছে। এরা রনো-মেননের ওয়ার্কার্স পার্টির কত শতাংশ কে জানে। তাতে অবশ্য তেমন কিছু আসে যায় না। কারণ এক্সপায়ারী ডেইট পার হইয়া যাওয়ার পরে যতই খান ভিটামিন তখন পোতাইনা মুড়ি। গত সপ্তাহে &lt;a href="http://prothom-alo.com/detail/date/2010-02-26/news/45144" target="_blank" class="bb-url"&gt;সিপিবি-ওয়ার্কার্স পার্টির যৌথ ঘোষনায় &lt;/a&gt; রনো'র মুখে ঐতিহাসিক ভূলের কথা শুইনা গইড়াইয়া হাসলাম কতক্ষণ। সোভিয়েত রাষ্ট্র পতনের বিশ বছর আর গণচীনের ঐতিহাসিক ডিগবাজীর বত্রিশ বছর পরে ঐতিহাসিক ভূল স্বীকারের কাহিনি ঐতিহাসিক রসিকতার মতনই লাগে। এই ঘটনাটাই বিরাট একটা এক্সপোজার পাইতো যদি এইটা আপনারা ১৯৯১-৯২ তে করতেন। সেইটা না কইরা আপনেরা গত বিশ বছর ধইরা সবাই কখনো সামনের কখনো পিছনের দরজা দিয়া আপনেগো ভাষায় "বুর্জোয়া" রাজনীতির দালালি করছেন। এখন ঐতিহাসিক ভূলের গুল মারলেই পাবলিক তা বিশ্বাস করবো এই ভরসা পাইলেন কৈ থিকা?&lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt; তবে একটা দরকারি কাজ এক্সপায়ারি ডেইট পার হওয়ার পরেও কখনো কিছু গুরুত্ব রাখে। সেইমতো ভদ্রতা কইরা তাগো একটা ধন্যবাদ দেওয়া যাইতারে। শুধু ধন্যবাদ না মোটামুটি একটা অভিনন্দনও দেওয়া যাইতে পারে। মরনোত্তর পুরস্কারের মতন। মাথায় তাওয়া দিয়া বাড়ি মাইরা অপটিমিস্টিক থাকার চেষ্টা কইরা সেই অভিনন্দনটাই দিলাম। এর বাইরে যা মনে আইতাছে সবই রং তামাসার কথা। সেগুলি এখন বাদ দিলাম ২০০১ সালে কাস্তে মার্কায় ভোট দিছিলাম বইলা। কাঁচি মার্কায় ভোট দেওয়ার মূলে ছিল নির্বাচন বর্জনের সিদ্ধান্ত। ঘটনা চক্রে সেদিন ভোট কেন্দ্রে গেছিলাম। ঢাকা ৯ থিকা খাড়াইছিল মকবুল আর খন্দকার মাহবুবউদ্দিন। দুইজনের একজনেরও আমার ভোট পাওয়ার যোগ্যতা ছিল না। নৌকাধানেরশীষ বাদ দিয়া তাই কাস্তে মার্কায় সীল মারলাম। তবে এইটাও ভুইলা গেলে চলবে না যে ঐ সীল মারার উদ্দেশ্য ছিল ভোটটা নষ্ট করা। ঐ ভোটটা জেনুইন পাইতে যা করা লাগে তা করার অন্তত নিয়ত আপনাগো আছে এরকম কথা ভাবার মতো কল্কি কি আপনারা সাজতে পারবেন? পরিসংখ্যানের গুষ্টি মাইরা ধইরা নিলাম থাকলেও থাক্তারে। সেই সম্ভাবনার জাগা থিকা অভিনন্দন। তবে বাম হাত মুঠ কইরা উপরে তুললাম না। সেইটা তুলুম না তুলুম না তার জবাব ভবিষ্যতই দিবো।&lt;/div&gt; &lt;p&gt;৩.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;জয় আওয়ামী লীগে যোগ দিছে। তারে আবার বিএনপিও অভিনন্দন জানাইছে। এগুলা কোন ঘটনা না। ঘটনা হইলো জয় সাহেব দেশে ফিরাই &lt;a href="http://www.dailykalerkantho.com/index.php?view=details&amp;amp;type=single&amp;amp;pub_no=92&amp;amp;cat_id=2&amp;amp;menu_id=20&amp;amp;news_type_id=1&amp;amp;news_id=35904" target="_blank" class="bb-url"&gt;জ্ঞানের পোটলা&lt;/a&gt; খুইলা বইছেন। পরিবারতন্ত্রের পক্ষে রীতিমতো তত্ত্ব ঝাড়ছেন। পৈড়া খুব ভাল্লাগলো। এমন ভালো লাগলো যাতে বলা যায় যে "ভাল্লাগসে".........&lt;/div&gt; &lt;p&gt;৪.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;চন্দ্রবিন্দুর গান জাহাঙ্গীরনগর যূগ থিকাই শুনছি টুকটাক। শুইনা অন্য আর দশটা ব্যান্ডের মতোই লাগতো। কিন্তু কেমনে কেমনে জানি চন্দ্রিলের গানগুলি বাদ পইড়া গেছিল। শুইনা মনে হইলো আঁতেল ভট্টাচার্যের এরকম বিলম্বিত আবিস্কারের জন্য আমার আদি গঙ্গায় ডুইবা মরা উচিত। চন্দ্রিলের একটা গানই শেয়ার করলাম শেষ মেষ :&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;table bgcolor="#000000" cellpadding="0" cellspacing="0"&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;embed quality="high" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" bgcolor="#000" width="328" height="94" src="http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/esnips_player.swf" flashvars="theTheme=blue&amp;amp;autoPlay=no&amp;amp;theFile=http://www.esnips.com//nsdoc/492289f8-83d9-4609-a149-b655bb7c778c&amp;amp;theName=EKJAN GELO MATTH&amp;amp;thePlayerURL=http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/mp3WidgetPlayer.swf"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;table cellpadding="2" style="font-family:Verdana, Arial, Helvetica, sans-serif; padding-left:2px; color:#FFFFFF; text-decoration:none ; ; font-size:10px; font-weight:bold"&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;a style="color:#FFFFFF; text-decoration:none " href="http://www.esnips.com/CreateWidgetAction.ns?type=0&amp;amp;objectid=492289f8-83d9-4609-a149-b655bb7c778c"&gt;     Get this widget &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style="font-size:7px; font-weight:normal;"&gt;|&lt;/td&gt;&lt;td align="center"&gt;&lt;a align="center" style="color:#FFFFFF; text-decoration:none " href="http://www.esnips.com/doc/492289f8-83d9-4609-a149-b655bb7c778c/EKJAN-GELO-MATTH/?widget=flash_player_esnips_blue"&gt;     Track details  &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style="font-size:7px; font-weight:normal;"&gt;|&lt;/td&gt;&lt;td&gt;&lt;a align="center" style="color:#FF6600; text-decoration:none" href="http://www.esnips.com//adserver/?action=visit&amp;amp;cid=player_dna&amp;amp;url=/socialdna"&gt;         eSnips Social DNA    &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8248002418296331232?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8248002418296331232/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8248002418296331232' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8248002418296331232'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8248002418296331232'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/03/blog-post_07.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ২০'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8231375818912431746</id><published>2010-03-03T10:03:00.000+01:00</published><updated>2010-03-03T10:05:42.599+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাটায়ার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খাগড়াছড়ি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সেকুলারিজম'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৯</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;বাংলা ব্লগিঙে চারবছর একমাসের মতো হতে চলল। প্রথম বছর দেড় ব্লগিং খুব সহজ মনে হতো। মাথায় বা আঙ্গুলে কুড়কুড় করলেই ঠুসঠাস টাইপ করে ফেলতাম। তারপর একসময় মনে হলো এভাবে না। খিয়াল করে লিখতে হবে। ধুনফুন ব্লগের দিন শেষ, দিন বদলের বাংলাদেশ। নাইলে পাঠক ধোলাই দিতে কার্পণ্য করবে না। আস্তে আস্তে দেখি এমনকি ধোলাই খাওয়ার মতো আইডিয়াগুলিও খুলির খানাখন্দকে খাবি খাচ্ছে। আঙ্গুল না চললে মাথা চলে না। মাথা নিজে থেকে কিছু কিছু চলার চেষ্টা করলে আঙ্গুলকে দিয়ে জোর করে এটাওটা নামাই। নামিয়ে মনে হয় এগুলি একেকটা ঐতিহাসিক ভুল। তার উপর আবার বেঁচে থাকার মতো খাইস্টা একটা কাজ করতে বাধ্য হই নিয়মিত। এইভাবেই তৈরী হয় একেকটা ভ্যাকুয়াম। এর সমাধান ব্রহ্মাবিষ্ণু জানেননা এটা নিশ্চিত। জানেন ভোলে বাবা। কিন্তু কৈলাস বহুদূর এবং তীব্বতে ট্যুরিস্ট যাওয়া নিশেধ। তাই গেছোদাদাকে খুঁজতে থাকি। এখনো খুঁজছি। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;রাজনীতিতে ভেল্কিবাজীর যূগ চলছে মোটামুটি মিলেনিয়াম তিনেক। বা তার থেকেও কিছু বেশী হতে পারে। অবিরাম তার নমুনাও দেখা যাচ্ছে সর্বত্র। কোথাও একটু লাইন মতো কিছু হতে গেলেই দেখা যায় আমাদের কোন প্রবীণ বিচক্ষণ পূর্বপুরুষ লাইনের কোথাও না কোথাও কমপক্ষে একটা কলার খোসা ফেলে রেখেছেন। কী আর করবো, আমরাও বৃদ্ধসম্মতি নিয়ে পরবর্তী উস্টাগুলি খেতে থাকি। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;এরকমই একটা কিছু দেখা গেলো বাংলাদেশে ৫ম সংশোধনী সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাতিল হবার আগুপিছু রাজনীতিতে। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বাতিল হবে কিন্তু থেকে যাবে বিসমিল্লাহ এবং রাষ্ট্রধর্ম, আর তার বিগ্রহরূপ ধারণ করবে বিমানবন্দরের সামনে আল্লাহু। কি সাংঘাতিক ভুদাই আমি ! ২০০৮ সালের অক্টোবরে ফেইসবুকে "উই ওয়ান্ট দ্য স্কাল্পচারস ব্যাক" নামে একটা গ্রুপ খুলেছিলাম। আর তাতে সদস্য হয়েছিল আমার মতো দুহাজারের কাছাকছি ভুদাই। আসলেই ভুদাই। এই সময়টা আসলে টেবিলের উপর তরকারিকাটলারিজুতামুজাজাঈঙ্গাগুমুতের প্লুরালিস্ট সমাবেশের। কোন কিছুকে হেজিমনি হতে দেওয়াই ফেসিবাদ। তাই সংবিধানে সাম্প্রদায়িকতাও থাক আবার ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের ঝাড়িপট্টিও থাক। অসুবিধা কী? সেকুলারিজমে তো আর পেট ভরবে না! আর দেখুন সাম্প্রদায়িকতা কি চমৎকারভাবে পেট্টা ভরিয়ে বিস্ফোরণমাত্রায় নিয়ে এসেছে। তেমন খারাপ লাগার কিছু নাই। সবুজ বাঘের মতো নিজেকে প্রশ্ন করি, ভুদাই হওয়া কি খারাপ?&lt;/div&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;খাগড়াছড়িতে আবার বর্ণদাঙ্গা। আবারো সেটলারদের সমর্থনে সেই জলপাই। এরকম আগেও হয়েছে। আমাদের পূর্বপুরুষের কেউ কেউ এট্টুআট্টু প্রতিবাদের অভিনয় করে তেলেজলে মিশে গেছেন। আমরাও গেছি। তোমরা ছোটরাও যাচ্ছো। ভবিষ্যের প্রতি অক্ষম মিনতি করে বলি, আপনাদের আর তোমাদের মতো তোরা ঐভাবে মিশিস না। আমি জানি তোরা পারবি।&lt;/div&gt;  &lt;p&gt;৩.&lt;/p&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;আগের পোস্টে বলছিলাম পিসির সামনে বসে লাফটার শো দেখে মুখে একটা হাসি মতোন আনার চেষ্টার কথা। আমার জানা সব ভাষাতেই দেখি এই শো গুলি পলিটিক্যাল স্যাটায়ারে ভর্তি। অনেকদিন আগে অন্য কোথাও এক পরহেজগার বালিকা বলেছিল, স্যাটায়ার সবসময় বামপন্থী কেন হয়। ব্লগীয় পরিভাষায় নি:সন্দেহে সেটা একটা ছাগুপোস্ট ছিল। তারও কারণ হচ্ছে তিনি সেটা লিখেছিলেন একেবারে ডানপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। কিন্তু তাঁর প্রশ্নটা সঠিক। বামপন্থীদের নিয়ে নির্মমতম স্যাটায়ারগুলিও কোন না কোনভাবে বামপ্রান্ত থেকে আসে। সোভিয়েতস্কি কৌতুকভ পড়ুন বা চন্দ্রবিন্দুর চন্দ্রিলের লেখা গানগুলি শুনুন। সেগুলি আর যাই হোক দক্ষিণপন্থী না। ডান বা মধ্যডান অবস্থান থেকে যা দুয়েকটা শোনা যায় ( আসলেও যায় কি?) সেগুলি মর্মান্তিক। আমি আসলেও এখনো সেইভাবে কোন ডানপন্থী স্যাটায়ার শুনি নাই বা দেখি নাই। কালকে শুতে যাবার সময় চোখ বুঁজে কিছুক্ষণ ভাবার চেষ্টা করলাম একটা ডানপন্থী লাফটার শো'র কথা। সেখানে অ্যাঙ্করিং করছেন কোন সিদ্ধ পুরুষ। কোন আলালের ঘরের দুলাল বলছে এরকম একটা কৌতুক : &lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;একবার ওভার সীজ জার্নিতে নিউলি ম্যারিড এক ক্যাপ্টেন শীপে উঠেছেন। জাহাজ চলতে শুরু করেছে। এর মধ্যে হলো কি ক্যাপ্টেনের বৌ'এর চোখ পড়েছে একটা খালাসীর দিকে। সে তার হাবিকে খাঁমচে ধরে বলে কি, ও মাই লুক অ্যাট জ্যাট! খালাসীটার প্যান্ট ছিঁড়ে বাট দেখা যাচ্ছে! হিহিহিখিকখিকখিক্ ! &lt;/span&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;পুরো হল কাঁপিয়ে তুমুল করতালি! &lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8231375818912431746?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8231375818912431746/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8231375818912431746' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8231375818912431746'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8231375818912431746'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/03/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৯'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8679232930391257107</id><published>2010-02-27T08:01:00.002+01:00</published><updated>2010-02-27T08:10:30.160+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লাফটার শো'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='স্যাটায়ার'/><title type='text'>গেছো বৌদির রান্না</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মঙ্গলবার ২৩.০২.২০১০&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আবারো জঘন্য আবহাওয়া। সেই ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু করে এক্কেবারে এই সপ্তাহান্তের শুরু পর্যন্ত টানা তুষারপাত আর বদখৎ শীতে হাঁফিয়ে উঠেছিলাম ঠিক। রবিবার নাগাদ তুষারপাত থেমেছে, তাপমাত্রা বাড়ছে, বরফ গলছে এগুলিও সব ঠিক। সমস্যা হচ্ছে বরফ গলবার সাথে সাথে গুরফগুলিও হিমবাহের আগের তাজা চেহারায় ফিরতে শুরু করেছে। সাড়ে ষোলকলা হিসাবে গতরাত থেকে শুরু হয়েছে চিত্তক্ষয়কর টিপটিপ বৃষ্টি। মনে জিলাপি বানানো রঙ থাকলে কেউ হয়তো বলবেন মন খারাপ করা দিন। আমি বলবো মেজাজ খারাপ করা আবহাওয়া। কোন কাজে তো মন দেওয়াই যায় না কোথাও যাওয়াও যায় না। যেতে বাধ্য হলেই গুরফ বাস্তবতার মুখোমুখি। সক্কালে এরকম বাধ্য হয়ে একবার বের হতে হওয়ায় মেজাজ চড়তে চড়তে তালু থেকে বিঘৎখানেক চড়ে ব্রহ্মকে ঠাস করে চটকানা লাগাতে গিয়ে সামনে পেলাম জানালার পাল্লা। হাতের ব্যাথায় ঘরের মধ্যে নাচলাম কিছুক্ষণ। তারপর আবার বসে থাকলাম কতক্ষণ ব্যাজার হয়ে। খানিক ক্ষুধা ছিল। খেতে বসেই সব অ্যাপেটাইট গায়েব। মনে হচ্ছিল সদ্য জ্বাল দেওয়া বীয়ার দিয়ে ফ্রোজেন বিরিয়ানি খাচ্ছি। কফি বানাতে গিয়ে দেখি দুধ শেষ। রাগের চোটে চিনিও নিলাম না। কফি বানিয়েছিলামও এ্যাত্তোগুলি। কাপে না ৩৩০ এমএল এর একটা বীয়ারের মগ ভরে নিয়ে এসে বসলাম কম্পুর সামনে। ভাবছিলাম যে দিনের কফিনে এবার পেরেক ঠুকবে ইন্টারনেট। হয় থাকবে না নয়তো চলবে আমার হাতে তৃতীয় প্রচেষ্টায় রান আউট হওয়া ব্যাটসম্যানের মতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কফির মগে চুমুক দিতেই ম্যাজিক! রীতিমতো অশ্লিল এক মগ কফি। যাকে বলে উদ্ভিন্ন যৌবনা। ৩৩০ এমএল তাড়িয়ে তাড়িয়ে চাটলাম। তারপর আরো এক মগ। কাজে মন দিতে চেষ্টা করলাম। কিছুদূর গিয়ে দেখি খুলির ভিতর ঝাঁকে ঝাঁকে নতুনপুরনো কথা থ্রিডি প্যারানয়েড শুরু করে দিলো। বাইরে যাবার উপায় নেই জানালা খুলে ঘরের মধ্যেই বিড়ি ধরাই। বৃষ্টির তেজ আরেক্টু বাড়ে। অতীত থেকে ছেঁকে ছেঁকে মন খারাপ না করা সময়গুলিকে এক এক করে টেনে আনতে থাকি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধরা খাওয়ার প্রতিযোগীতা ছাড়া কোন দিন কোথাও প্রথম হয়েছিলাম? হয়েছিলাম। একবারই। জীবনে প্রথম আর শেষবারের মতো। স্কুলের বার্ষিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায়। গান, আবৃত্তি, বিতর্ক, উপস্থিত বক্তৃতার মতো "ভালো" কিছুতে না। কৌতুকে। লোক হাসিয়ে সেই একবারই পুরস্কার নিতে মঞ্চে উঠেছিলাম তুমুল করতালির মধ্যে। নবদ্বীপ হালদারের সেই "দেখি না কী করে" সাধ্যমতো নকল করে কাঁপিয়ে দিয়েছিলাম। বেঁচে থাকলে তাঁর কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইতাম অতিনিম্নমানের মিমিক্রির জন্য। আমি তখন ইঁচড়ে পাকা ক্লাস সিক্স। তিনি নিশ্চয়ই ক্ষমা করতেন। নকলের অসুবিধা হচ্ছে রসদ ঝাল সবই অতি দ্রুত ফুরিয়ে যায়। তাই পরের বছর ভানু বন্দোপাধ্যায়ের "বাবা পাকিস্তান"এর মতো ধ্রুপদী কৌতুক ঝেড়েও স্বত:স্ফুর্ত মিমিক্রিতে অক্ষমতার কারণে ২য় পুরস্কার নিয়ে প্রতিযোগীতার লাইনে ক্ষ্যামা দিতে হলো সারা জীবনের জন্য। ধীরে ধীরে বুঝতে পারলাম অন্যের কৌতুক নকল করার মধ্যে তেমন কোন কৃতিত্ব নাই। নিজে থেকে রসাত্মক কিছু তৈরী করতে পারাটাই আসল। আর সেইটা শিল্পকলার আর যেকোন সৃষ্টিশীল ধারার থেকে কোন অংশে কম কঠিণ না। স্কুল পার হতে হতে বুঝতে পারলাম রসসৃষ্টির জায়গাটায় আমার প্রচণ্ডরকম ঘাটতি রয়েছে। আত্মীয়বন্ধু পরিমণ্ডলে আমি সব থেকে কম রসিক। সুকুমার রায়, শিবরাম চক্রবর্তী, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় আর ভানু, জহর রায় নবদ্বীপ হালদারে আচ্ছন্ন শৈশব-কৈশরের শেষ মাথায় এই ধরণের উপলব্ধির বেদনা নিয়ে স্কুল পার হলাম। তারপর থেকে শুধুই রসগ্রাহী। চ্যাড়াব্যাড়া জীবন থেকে হাস্যরসগুলি ছেঁকে ছেঁকে আলাদা করে সেভ করে রাখা। এটা মৌলিক কিছু না। তবু এই করে স্মৃতিতে সেঁক দিয়ে যাচ্ছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে দেখি রসগ্রাহীতার ব্যাপারটাও বিপ্লবী বুদ্ধিজীবিদের একাংশের প্রবল আক্রমণের মুখে। কারণ যেভাবেই হোক যেকোন রসিকতাই কাউকে না কাউকে আহত করে। সবার জন্য হাসি বলে কিছু নাই। আহতের দুষ্টিতে বিশ্ববীক্ষা তৈরী করতে না পারলে মহাপাতক হবে। সুতরাং হাস্যরস হতে হবে গঠণমূলক। স্যাটায়ারও নাকি সেই ক্যাটেগরিতে পড়ে না। কারণ সেখানেও একটা দৃষ্টিভঙ্গী থেকে আরেক্টা দৃষ্টিভঙ্গীকে আক্রমণ করা হয়। হাসতেই যদি হয় তবে সেটা হতে হবে নির্মল হাসি। মীর মশাররফ হোসেন হলে আমার পাশের ঘরের নির্মলেন্দু সিংহকে চিনলেও নির্মল হাসিকে আর চেনা হয়ে উঠলো না। তাই ঐ আধুনিকতা-পরবর্তী নীতিদর্শনকে ঝাঁটা মারতে একদম দেরী হলো না। মিশে গেলাম জনস্রোতে। যেখানে জীবনের হাজার হাজার জটিলতার মুখেও জনগণ খুব অনৈতিকভাবে হাসছে। সেখানে দার্শনিক নিক্তির বেইল নাই। মানুষ বাঁচে এবং আরো বাঁচতে চায়। হাসে এবং আরো হাসতে চায়। যতক্ষণ হাসে ততক্ষণ জীবিত থাকে। দারিদ্র্য, শোক, প্রতিবাদ, শোষণ, জ্বালা, যন্ত্রণা, সিনসিনানি'র সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে হাসে। অবস্থানমতো নৈতিকতা নির্ধারণ করে নেয়। আর সেখানে গণমানুষের অবস্থান মধ্যবিত্তের আরোপিত নৈতিকতার থেকে অনেক অনেক বেশী শক্তিশালী। যে কারণে উঁচুতলার মানুষ আর তাদের অনুকরণকারী মধ্যবিত্ত সব থেকে কম হাসতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফিরে আসি কফির মগে। জানালায় উঁকি দেই। আকাশে নিশ্ছিদ্র মেঘ। আবহাওয়াটা অন্তত আমার থেকে কম রসিক।  এই ভেবে একটু খুশী হতে চেষ্টা করি। আরেক্টা বিড়ি ধরাই। ভাবতে বসেছিলাম কমেডির কথা। শুরু করলাম ব্যক্তিগত সাতকাহন। এরকম হওয়া একদম ঠিক্না। যদিও এরকম অশ্লিল আবহাওয়ায় ঠিকবেঠিক লাইন রাখা মুস্কিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;বুধবার ২৪.০২.২০১০&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন খারাপ থাকলে কখনো গান শুনতেও ভালো লাগে না। সব থেকে ভালো চিকিৎসা হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে হন্ হন্ করে হাঁটা। আবহাওয়া সে ইচ্ছায় বাগড়া দিলে আরো কফি খাই। সচলায়তনে ঘুরি। কোন পোস্ট মনে ধরলে পড়ি। লিখতে পারলে মন একটু দ্রুত ভালো হয়। কিন্তু এরকম অবস্থায় আঙ্গুল কী-বোর্ড থেকে দূরে সরে যায়।  মাউস নাড়ার থেকে বেশী শ্রম সহ্য হয় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইউটিউবে ধুনফুন খুঁজি। স্ট্যান্ড আপ কমেডি একটা ভালো অ্যাপেটাইজার। রোয়ান অ্যাটকিনসনের ভিডিওগুলি গত ক'বছরে মোটামুটি হাজার খানেকবার দেখা হয়েছে। মাতৃভাষায় কিছু দেখতে শুনতে মন চায়। তখন মীরাক্কেল দেখি। আগে দেখতাম না। দীর্ঘ প্রবাসে থেকে মীর নামের যে লোকটা ডিডি বাংলায় খাস খবর পড়তো সে যে এর মধ্যে লাফটার শো'র হিরো হয়ে উঠেছে তা আর জানা হয়ে ওঠেনি। গত নভেম্বরে &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/himu/28896"&gt;হিমুর এই পোস্ট থেকে&lt;/a&gt;  মীরের উপর নজর পড়ে। আমার টানা খারাপ দিনকালের মোটামুটি চরম সময়টার ফাঁকেফুকে টুকটাক দেখতে থাকি। ইউটিউবে থাকা মীরাক্কেল আর এনজয় গুরুর প্রায় সব পর্বই দেখে ফেলি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/BGxnMwmOyxQ&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/BGxnMwmOyxQ&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুনিয়ায় এতো কিছু থাকতে লাফটার শো কেন দেখলাম জাতীয় প্রশ্ন নিজেকে বার দুইতিনেকের বেশী করা হয়ে ওঠে নাই। কয়েকটা পারফর্মমেন্স ফেভারিটেও যোগ হয়ে গেলো। কয়েকজন নজরেও পড়ে গেলো। চরম দু:সময়ে বালছালে টাইমপাসের প্রবণতা বাড়ে। আর দু:সময়ে হাসাতে পারা বস্তুর খানিক অতিমূল্যায়ন জৈবিক নিয়মেই হতে থাকে। আবার কাজে মন দিতে পারার সময় এলে দেখা গেলো হাঁফ ছাড়ার সময়টাতেও ঐ লাফটার শো'ই দেখছি। এবার দেখি বিচারকের অবস্থান থেকে। মীরাক্কেল থ্রীর দুই ফাইনালিস্ট মৃদুল ভট্টাচার্য, দীপাংশু আচার্য্য দুজনকেই গুল্লি লাগলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Kf5FroNlVng&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/Kf5FroNlVng&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/SFyaeMljPnw&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/SFyaeMljPnw&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর এনজয় গুরুতে দীপাংশু-সায়নের যৌথ পারফর্মেন্সগুলি এককথায় লা-জওয়াব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/nsc1LA8YQ9w&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/nsc1LA8YQ9w&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/MeVIgZreGK0&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/MeVIgZreGK0&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/m5LQCeqWYXQ&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/m5LQCeqWYXQ&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/_wX0IVtQfks&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/_wX0IVtQfks&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপর সিলভেস্টারের কয়েকদিন পরে হঠাৎ দেখি ইউটিউবে নতুন মীরাক্কেলের লিঙ্ক। ৫ নম্বর সেশন শুরু হয়েছে ৩১ ডিসেম্বর থেকে। অন্যায় রকম ভাবে কর্মক্লান্তির সময়গুলিতে তার প্রতিটা পর্বই দেখছি। দেখতে দেখতে মনটা আবারো একটু খারাপ হয়। বাংলাদেশে অনেক বড় বড় কমেডিয়ান ছিলেন। মেধা অনুপাতে মূল্যায়ণ পান নাই। রবিউল, আশীষ কুমার লৌহ, খান জয়নুলদের নাম এখন অনেকেই আর জানেন না বা মনে করেন না। আশির দশকে ফজলে লোহানি "যদি কিছু মনে না করেন" নামের ধ্রুপদী ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান করতেন। ফজলে লোহানির রাজনৈতিক ইতিহাস সুবিধার না হলেও ম্যাগাজিন অনুষ্ঠাণ পরিচালনায় তিনি একটা মৌলিক মাইলস্টোন পুতে গেছেন। "যদি কিছু মনে না করেন" থেকে বেশ কিছু শক্তিশালী কৌতুকাভিনেতা উঠে এসেছিলেন। আশির দশকের শেষে হানিফ সংকেত ফজলে লোহানির একরকম অনুকরন করেই "ইত্যাদি" নামের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠাণ শুরু করেন। প্রথম কয়েক বছরে ইত্যাদি'র সাথে বর্তমান পর্বগুলির তুলনা করলে হতাশ হতে হয়। শুধু ইত্যাদি না গত দুই দশকে আরো যত বিচিত্রানুষ্ঠাণ এসেছে কোনটাই মিনিট দশেকের বেশী দেখা যায় না। ইত্যাদি'টাই মাঝে মধ্যে দেখতাম কিছু মজার আশায়। হতাশ হতে হতে একসময় সেটাও বাদ দিয়েছি। হতাশার কারণ হতে পারে হয়তো আমার হাস্যরসাগ্রাহণে  কোন পরিবর্তন এসেছে অথবা হয়তো তাঁরা আর সত্যিই হাসাতে পারছে না অথবা দুইটাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মীরাক্কেলগুলি দেখতে দেখতে ভাবি দেশে কি আসলেই রসিক মানুষের অভাব পড়েছে, নাকি চ্যানেলগুলি লাফটার শো করার ঝুঁকির মধ্যে যেতে চায় না। বাজারে চাহিদা থাকা স্যাটায়ার দেখে ইজি থাকার সংস্কৃতিতেই হয়তো আমাদের মিডিয়াগুলি আসতে পারে নাই। তাই সম্ভাবনাগুলি আমার মতো এই খালি পেটের ভাবনাগুলিতেই অক্কা পাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজ দুপুর থেকে আবার রোদ একটু একটু উঁকি দিচ্ছে। একটু বের হবার মতো পরিস্থিতি বোঝা যাচ্ছে। যাবার আগে চন্দ্রবিন্দুর একটা গান ঝুলিয়ে গেলাম। চন্দ্রিল ভট্টাচার্যকেও ভাল্লাগছে ...:D&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;table bgcolor="#000000" cellpadding="0" cellspacing="0"&gt;&lt;tbody&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;embed quality="high" pluginspage="http://www.macromedia.com/go/getflashplayer" type="application/x-shockwave-flash" bgcolor="#000" src="http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/esnips_player.swf" flashvars="theTheme=blue&amp;amp;autoPlay=no&amp;amp;theFile=http://www.esnips.com//nsdoc/2f5af75a-4fcb-40b2-914a-7c4bfbdd5e03&amp;amp;theName=Tobo Mukut&amp;amp;thePlayerURL=http://www.esnips.com//escentral/images/widgets/flash/mp3WidgetPlayer.swf" height="94" width="328"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;table style="font-family: Verdana,Arial,Helvetica,sans-serif; padding-left: 2px; color: rgb(255, 255, 255); text-decoration: none; font-size: 10px; font-weight: bold;" cellpadding="2"&gt;&lt;tbody&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt;&lt;a style="color: rgb(255, 255, 255); text-decoration: none;" href="http://www.esnips.com/CreateWidgetAction.ns?type=0&amp;amp;objectid=2f5af75a-4fcb-40b2-914a-7c4bfbdd5e03"&gt;     Get this widget &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style="font-size: 7px; font-weight: normal;"&gt;|&lt;/td&gt;&lt;td align="center"&gt;&lt;a align="center" style="color: rgb(255, 255, 255); text-decoration: none;" href="http://www.esnips.com/doc/2f5af75a-4fcb-40b2-914a-7c4bfbdd5e03/Tobo-Mukut/?widget=flash_player_esnips_blue"&gt;     Track details  &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;td style="font-size: 7px; font-weight: normal;"&gt;|&lt;/td&gt;&lt;td&gt;&lt;a align="center" style="color: rgb(255, 102, 0); text-decoration: none;" href="http://www.esnips.com//adserver/?action=visit&amp;amp;cid=player_dna&amp;amp;url=/socialdna"&gt;         eSnips Social DNA    &lt;/a&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/tbody&gt;&lt;/table&gt;&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/tbody&gt;&lt;/table&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8679232930391257107?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8679232930391257107/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8679232930391257107' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8679232930391257107'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8679232930391257107'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/02/blog-post_27.html' title='গেছো বৌদির রান্না'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-7962229710891002511</id><published>2010-02-24T20:33:00.001+01:00</published><updated>2010-02-24T20:33:59.183+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>গুরফ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: justify;"&gt;তুষারভারাক্রান্ত মেঘের রঙ ঝিম ঝিম লাল। রাতভর তুষারের দিনকাল এলে সারারাত জানালা দিয়ে হিম গোধুলি দেখা যায়। এরকম চলছে সোয়া একুশ দিন হলো। সোয়া একুশ দিন ধরে টানা গোধুলি। দিনরাতের খবর নাই। রাস্তার ধারে তুষারের বপু হাঁটু ছুঁইছুঁই। তুষার জমে বরফ হয়েছে তারপর সেই বরফ ঢেকে আরো প্রায় বিঘৎখানেক তুষার। প্রতিটা ধাপ মেপে মেপে এগোতে হয়। লবণ আর কাঁকরের কৃপা শুধু বড় রাস্তাগুলিতেই। গলিঘুপচিতে বাড়ি থেকে বের হওয়া মানে পেলভিক বোনের আলাদা ইনসিওরেন্স গোনা। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;প্রায় কাছাকাছি মুস্তাকীমের পথে শ্যামল হালকায়ে উষ্টা খায়। বাম পাশের অসমাপ্ত গ্রিল বাঁচিয়ে না দিলে একটানে আধামাইল চলে যেতো। ভোলফহাগারস্ট্রাসে থেকে রেল স্টেশনের দিকে সোজা খাড়াই উঠে গেছে হফমান-ফন-ফালারসলেবেন স্ট্রাসে। মাইনাস পনের'র কৃপায় সেখানে লবণ-কাঁকরসহ সবটাই বরফ। এই রাস্তার মাঝামাঝি হাতের ডানে শিলারস্ট্রাসে। সেখানে ৩৩ নম্বর বাড়ি শ্যামলের গন্তব্য। শিলারস্ট্রাসে ৩৩ এর তিনতলায় থাকে শ্যামলদের ক্লাসের তিনকণ্যার বাস। মাগডালেনা, ইয়োহানা আর আন্দ্রেয়া। মাগডালেনা ওরফে মাগী আর শ্যামলকে গত পৌনে আটমাস ধরে নাচতে দেখা যাচ্ছে। এই পৌনে আটমাসের বিচারে কে কাকে নাচাচ্ছে বলা মুস্কিল। তবে আজ সকালের নাচটা শ্যামলকেই নাচতে হচ্ছে। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;সকাল সাতটা বেজে ঊনিশ মিনিটে মাগী'র এসএমএস। "এতই কি শীত যে আমাকে একবার চুমু খেতেও আসতে পারো না? এভাবে কি হয়?" জানুয়ারী মাসে আটটার আগে সূর্য ওঠে না। তার উপর রবিবার সাতটা ঊনিশে এসএমএসের শব্দে ঘুম ভাঙ্গা রীতিমতো মর্মান্তিক। শুক্রবার রাতের ঘটনা থেকে শ্যামলের মাথা এমনিতেই গরম হয়ে আছে। বিড়বিড় করে বলে, "এভাবে কি হয়? নাকি এভাবে কী হয়? মাগী কুনখানকার!" &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;মিনিট দশেক পরে দাঁত ব্রাশ করতে করতে মনে পড়ে মালতীর কথা। কলিকাতা থেকে ফুলদা'র পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটে ইন্টার্নি করতে আসা মালতী রায়। মাস চারেক আগে পরিচয়ের পর থেকে খুব ঘাঁটাচ্ছে। মাতৃভাষায় মহব্বতের স্বাদ পেতে শ্যামলও এই ঘাঁটাঘাটিতে তেমন আপত্তি করছে না। চলুক না এরকমই। একটা বৈদ্যুতিক নেটে আরেকটা সরাসরি চেটে। সাদা আর বাদামী পাউরটির কাবাব হতে শ্যামলের নিজেকে বেশ একটু মাচোও মনে হয়। ভাবতে ভালোই লাগে মানে লাগছিল আর কি। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;বাদ সেধেছে সেনেগালের কুকুক মানে কুকুভিয়ান ওয়াসওয়া। শ্যামল ওকে আগে ওয়াসওয়া বলেই জানতো। গত শুক্রবার সেমিস্টার শেইক আউট পার্টিতে মাগী ওকে কুকুক বলে ডাকছিল। শ্যামলের সাথে নাচতে নাচতে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যাবার মিনিট চল্লিশ পরে মাগীকে দেখে গেলো কুকুকের সাথে টোটাল সালসাবিভঙ্গে। শ্যামল এট্টু এদিক এদিক নেচে মুখ হাড়ি করে বারে গিয়ে বসেছিল। মাগী এক ফাঁকে কুকুকের ঘেটির ফাঁক দিয়ে শ্যামলকে চোখ মারলো। মুখে রহস্যময় হাসি। এরকম হাসি পরপর তিনটা ডাবল শট ভদকা মারার জন্য যথেষ্ট। চোখটোখ লাল করে একসময় সোজা গিয়ে কুকুকের মুখে একটা বাঙ্গালী মানের ঘুষি। তারপর কুকুকের অ্যাকশান। সবটা পরিস্কার মনে নেই তবে ট্যাক্সিতে করে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল এইটুকু মনে পড়ে। ভাগ্যিস মাল টেনেছিল। না হলে আফ্রিকান ধোলাইয়ের পরে বাড়ির পথ মনে থাকা অসম্ভব। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;চোয়ালে সেরকম ব্যাথা নিয়ে গতকাল দুপুরে মনস্থির করে মাগীকে একটা জ্বালাময়ী ইমেইল করে দিয়েছে। সেই মেইলের কোন জবাব আসেনি। রাতে মালতীকে কয়েকবার নক করেও সাড়া পাওয়া যায় নাই। মেজাজ খারাপ করে আরো মালটেনে ঘুম দিয়েছিলো। সেই ঘুম ভাঙ্গালো এই এসএমএস। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;উস্টা খেতে খেতে বেঁচে যাবার পরে শ্যামল কার্টুনের মতো পা টিপে টিপে শিলারস্ট্রাসেতে ঢোকে। ৩৩ নম্বর বাড়ির সামনে এসে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে একটা বিড়ি খায়। বিড়ি খেতে গ্লাভস খুলতে হয়। ধলাদের মতো করে গ্লাভস পড়ে বিড়িটানার কায়দা এখনো আয়ত্বে আসে নাই। পুরো সাড়ে চার মিনিট ধরে তাম্বাকু পুড়িয়েও মাগীকে কী বলা যায় খুঁজে পাওয়া গেলো না। শূণ্য মগজেই কলিং বেল টিপতে হলো। কোন সাড়া নাই। আবার টিপলো। তথৈবচ। মাগীর নম্বরে ফোন দিল। নো রিপ্লাই। অনেকগুলি প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে একটা এসএমএস টাইপ করলো দ্রুত। গ্লাভস ছাড়া আঙ্গুলগুলি ঠাণ্ডায় কেটে নিচ্ছে। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;এরমধ্যে একতলার বাসিন্দা হের স্মীডট মর্নিং ওয়াক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। শ্যামলকে দেখে কুশল জিজ্ঞাসা করে দরজা খুললেন। শ্যামলও ভদ্রতা সেরে সিড়ি দিয়ে দ্রুত তিনতলায় উঠে গেল। দরজার বাইরে কুকুকের গামবুট। ভিতর থেকে ছন্দোবদ্ধ খুনসুটির আওয়াজ আসছে। নারী কণ্ঠটা শ্যামলের পরিচিত। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;ঢালু রাস্তা দিয়ে হন হন করে ফিরতে গিয়ে এবার সঠিক একটা আছাড় খায় শ্যামলচন্দ্র বণিক। পেলভিক বোনটা বাঁচলো কী না বোঝা যাচ্ছে না। একটু ফিকে রৌদ্র এসে পড়েছে বরফের উপর। &lt;/div&gt; &lt;div style="text-align: justify;"&gt;হিমাঙ্কের নীচে সবই অবিকৃত থাকে। বরফের আস্তরের ভিতর দিয়ে পাশের জমে থাকা ছোট্ট ঢিবিটার উজ্জ্বল কালচে হলুদ দেখা যাচ্ছে। &lt;/div&gt; &lt;p&gt;গুরফ! &lt;/p&gt; &lt;p&gt;হ্যা ব্যাপারটা সেরকমই। &lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-7962229710891002511?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/7962229710891002511/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=7962229710891002511' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7962229710891002511'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7962229710891002511'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/02/blog-post.html' title='গুরফ'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8277188358687766063</id><published>2010-01-17T11:14:00.002+01:00</published><updated>2010-01-17T11:17:11.431+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শ্রদ্ধাঞ্জলি'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জ্যোতি বসু'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সিপিএম'/><title type='text'>লাল সালাম কমরেড!</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/S1LjdsrHwXI/AAAAAAAAAIo/WcL65ibxnt4/s1600-h/jotibabu.jpeg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 98px; height: 111px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/S1LjdsrHwXI/AAAAAAAAAIo/WcL65ibxnt4/s320/jotibabu.jpeg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5427650600282603890" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2010-01-17/news/35663"&gt;জ্যোতিবাবু আর নেই&lt;/a&gt;। প্রতিদিনই বহু লোক গত হচ্ছেন। খুব বেশী লোকে জ্যোতিবাবুর মতো ৯৬ বছর আয়ূ পান না। সেদিক থেকে জ্যোতিবাবুর বিদায়ে শোক যতটা তার থেকে স্মরণ আর শ্রদ্ধাবোধটাই বেশী আসে। তাঁর রাজনীতিকে সমর্থন করি বা না করি, কর্মবীরের সন্মান না পাবার জায়গা তিনি রাখেন নাই। কমরেডকে সেই শ্রদ্ধাঞ্জলিটুকই থাকলো। বিশাল মানুষগুলি একে একে হারিয়ে যাচ্ছেন। শোক বলতে এইটুকই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাল সালাম কমরেড!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/JUeMKn6Qeq8&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/JUeMKn6Qeq8&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8277188358687766063?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8277188358687766063/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8277188358687766063' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8277188358687766063'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8277188358687766063'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/01/blog-post_17.html' title='লাল সালাম কমরেড!'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/S1LjdsrHwXI/AAAAAAAAAIo/WcL65ibxnt4/s72-c/jotibabu.jpeg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-239432256273165177</id><published>2010-01-01T10:49:00.000+01:00</published><updated>2010-01-01T10:51:16.917+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='নববর্ষ'/><title type='text'>ফ্রোয়েস নয়েস ইয়ার</title><content type='html'>&lt;p&gt;নানা কারণে মনমেজাজ খারাপ। মোটামুটি তাৎক্ষণিক সমাধানের অযোগ্য সঙ্কটেই খারাপ। এরকম পরিস্থিতিতে বিষন্ন টাস্কিতে পড়ে থাকার বিকল্প নাই। তাই ছিলাম চুপচাপ পড়ে সন্ধ্যা থেকে। সচলায়তনে ঢোকা যাচ্ছে না। অসহায় অবস্থা জোরদার হলো। এর গুতাই তারে গুতাই। বিরক্তি বাড়ে। বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে নববর্ষে ঠিক কী যেন এক্টা পোস্টাতে চেয়েছিলাম সেই আইডিয়া বিলুপ্ত হয়। শেষমেষ জার্মান সময়ে নববর্ষ আসতে এই মোটে ঘন্টাখানি আগে মোটামুটি সব ঠিকঠাক হয়। তারপর লিখতে বসে কী লিখবো তাই আর মনে নাই।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;আমার প্রতিবেশীরা রান্নাঘরে পার্টি করছে। ভেবেছিলাম যাবো না। ঘরেই বসে থাকবো। গত কয়েকবছর এইসময় রান্নাঘর ফ্রি পেয়েছি। প্রতিবছর পার্টি করেছি আমি। বিরানিখিচুড়ির পার্টি। এই বছর এক জার্মান প্রতিবেশী ২৯ তারিখ বাড়ি থেকে ফিরেছে। সে পার্টি করছে। সম্মতি দিতেই হবে। রান্নাঘর ওদের ছেড়ে দিয়ে ঘরে বসে সচল পরিস্থিতি মনিটর করছিলাম। পরে গেলাম। ক্ষুধাও পেয়েছিল। প্রতিবেশী ভোলফগাঙ ক্রেবস দারুণ পিৎসা বানিয়েছে। কিমার উপরে পনিরের মোটা আস্তর। রাক্ষুসে ক্ষুধার মুখে ফাটাফাটি লাগলো। সেই থেকে কিছুক্ষণ রসুইঘরে কিছুক্ষণ সচলে চলছে। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;সবাই উৎসব করছে। নতুন আরেক্টা বছর এসেছে সেই খুশীতে উৎসব। নতুন বছরকে সামনে রেখে এত খুশীর কী আছে? সেই তো অভ্যস্ত আবর্তন আর নানান এঙ্গেলে মারা খাওয়ার রাস্তা ঝাড়ু। আমিও খুশী সবার সাথে। ক্যান খুশী?&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-239432256273165177?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/239432256273165177/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=239432256273165177' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/239432256273165177'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/239432256273165177'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2010/01/blog-post.html' title='ফ্রোয়েস নয়েস ইয়ার'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-2160381761870718203</id><published>2009-12-27T11:31:00.003+01:00</published><updated>2009-12-29T11:38:50.814+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৮</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SznbUbRKD1I/AAAAAAAAAIg/cnNGFMNVfls/s1600-h/Psychedelic.PNG"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SznbUbRKD1I/AAAAAAAAAIg/cnNGFMNVfls/s320/Psychedelic.PNG" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5420604770480688978" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কথা তাই যা মাথায় ঘোরে। বলতেই হবে এমন না। মাথায় যতকিছু ঘোরে তার একদুই চিমটি বলা হয়। বাকিটা ছ্যাড়াব্যাড়া পড়ে থাকে মগজের এখানে সেখানে। কোনটা বলার আর কোনটা হারাবার তার স্কেলের বেঁটে বেঁটে দাগগুলি বহুদিন মুছে গেছে। কখনো আন্দাজে দাগাদাগি করি বেশীরভাগ ডোন্টো কেয়ার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যে কথাগুলি বলা হয় নাই তার কোন টোট্যালিটি নাই। থাকার কথাও না। থাকলে পরের কথাগুলি কখনোই বলা হতো না। কথাগুলি আসলেই কি পরের? আপাত: পরিত্যক্ত চিপাগল্লিতে ভুদাই পড়ে থাকা কোন কথা কয়েক যুগ পেরিয়ে কুড়িয়ে আনলেও কি সেটা পরের কথাই হয়? হ্যা হয়। আগের কথা খুঁজে পেতে বলাই নতুন কথা। তবে তার সামাজিক যাথার্থ থাকতেই হবে এমন না। তাই স্কেলটা মূলত পিঠ চুলকাতে ব্যবহার করি। পিঠটা অবশ্যই নিজের।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সামাজিক যাথার্থ না থাকলে আর সারবস্তুতে কী হবে? আছে তো! এই যে বলে যাচ্ছি এইটাই সারবস্তু। বস্তুর ধারাবাহিক প্রতিফলনের অনিয়মিত ধারাবাহিক প্রকাশ। হয়তো এর থেকে কুটেবেছে বিকাশের লেখচিত্রও এঁকে ফেলা যেতে পারে। আমি পারি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গত সপ্তাহান্তে তুমুল তুষারপাতের পর গতকাল থেকে আবার কুৎসিৎ আবহাওয়া। সোমবার ভোররাতে মাইনাস ১৫ থেকে এক লাফে প্লাস চার। সারাদিন ধরে জমে থাকা বরফ গলে রীতিমতো বিশ্রী অবস্থা। আজ বরফগলা জল কিছু কমলেও আকাশ মুখ কালো করে ছিল। তার সাথে প্রতিদিনকার নেতি মার্জ করে মেলানকলির বদলে কেমন যেন সাইকেডেলিক আবহ তৈরী করে দিলো। এরকম পরিস্থিতিতে খুব বড় ফ্রেমে কিছু ভাবতে চেষ্টা করি। যাতে ব্যক্তি আমিকে কায়দামতো আড়াল করা যায়। না গেলেও নিদেনপক্ষে না দেখার ভান করা যায়। ভান ছাড়া তো আর কথা নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জুতার নিচে বরফগলা জলের শব্দ একেক সময় একেক রকম ধুনফুন শব্দবৃত্তের মাত্রাগুলিতে অস্থায়ী বৃত্তাংশের পথ দেখাচ্ছিল। টুকরো টুকরো নিরর্থক শব্দগুলি প্রথমে ছোঁয়াছুঁয়ি তারপর রুটি তারপর বাজারের কাছাকাছি আসতে আসতে রাগবী খেলা শুরু করে দিলো।  তারপর সদাহাস্য বিক্রেতার সামনে অতি সীমিত ক্রয়ক্ষমতা, চৈতন্যে খেলতে থাকা বৃত্তগুলিকে ইনক্রেডিবল হাল্কের মতো টেনে সোজা করে দিলো। এক ঝটকায় ছ্যাড়াব্যাড়া হয়ে কোথায় যেন হারিয়ে গেলো এতোক্ষণের ধুনফুন বৃত্তাংশের সম্ভাবনাগুলি।  তারপর বরাবরের মতো ডেগচী-মুখো হয়ে বাড়ি ফেরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;জুতা -&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;তোকে পশ্চিমবঙ্গে &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;কেউ কেউ জুতো বলে,&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;পাবনার পথেঘাটে জুইতে;&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;কোনটাই জুইতের থাকে না&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;যখন জাগামতো ফুটা হয়&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;ক্ষয় কিংবা &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;আধামুফতে পাওয়া &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;অদক্ষ সুকতলী ফুঁড়ে &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;আষাঢ়ের গাবতলী হয়ে &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;সস্তা উলের মোজা ভিজে চুপচুপ&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিংবা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;রসুনের গন্ধ &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;রান্নার আগে অথবা&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;সঠিক ঢেঁকুরের পরে &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;কতটা পৃথক?&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;নিছক &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;এই সওয়ালই কি ছিল &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;আরব্য রজনীর সেই &lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;কোতোয়ালের?&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিংবা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;ট্রামস্টপে মহব্বত&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;ধূমালী কিম্বা বেতাল যৎ&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;তেহাই কিম্বা ফিরতি গৎ&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;পিনিক ছুটায় যাত্রা ফের&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;গুষ্টি কিলাই মাত্রাদের&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অথবা&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;আজকে তোমরা যতই সাজো&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;যিশুর ছাগল যিশুর ভেড়া&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;কিংবা বক্র শিঙের ম্যারা,&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;কালকে তোমার খাস্তা আযাব&lt;/span&gt; &lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;টেবিলভরা কোফতা-কাবাব।।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সারদিন যতকিছু মাথায় ঘুরেছে তার মধ্যে এই কয়েকটাই বোধ হয় আস্ত পাওয়া গেল। অবশ্য এগুলি আস্ত কি আস্ত না তার বিচার কে করবে বা যে করবে তাকে বিচারকের ছাড়পত্র কিডা দিয়েছে ইত্যাদি অজ্ঞাত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাড়ি এসে সচলে ঢুকি। এটা পড়ি সেটা নাড়ি। আবার বাইরে যাই। বিড়ি খাই। একবার এই মোচড় দেই আরেকবার ঐ মোচড় দেই। তারপর সেই মোচড় দিতে মেরুদণ্ড মটমট করে ওঠে। ডিম দিয়ে ভাতভাজা খাই। খেতে খেতে মনে হলো যাই আবার সচলে। মুরগীর ডিম খেয়ে ঘোড়ার ডিমের মতো দুর্লভ কিছু একটা লিখি। টাইপিংটা অন্তত খানিক প্র্যাক্টিস হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরকম ক্রমশ পরবর্তী দিনগুলি খরচ হতে থাকবে। গুড়গুড়গুড় গড়িয়ে হামা দিতে দিতে গোষ্ঠমামাও খেপে যাবেন একদিন। ততদিন বসে বসে চাক্কা ঘোরাই দেখি .........&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/qp9dc9im3-M&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/qp9dc9im3-M&amp;amp;hl=de_DE&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা : উইকি মিডিয়া&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-2160381761870718203?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/2160381761870718203/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=2160381761870718203' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/2160381761870718203'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/2160381761870718203'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/12/blog-post_27.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৮'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SznbUbRKD1I/AAAAAAAAAIg/cnNGFMNVfls/s72-c/Psychedelic.PNG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-9004577742692070898</id><published>2009-12-23T22:54:00.000+01:00</published><updated>2009-12-25T23:00:52.865+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রথম তুষার'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনৈতিক উন্নয়ন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ভাল্লাগেনা'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৭</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SzU1exsfyNI/AAAAAAAAAIY/kY6vFE0KQsE/s1600-h/first+snow+2.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 240px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SzU1exsfyNI/AAAAAAAAAIY/kY6vFE0KQsE/s320/first+snow+2.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5419296529462577362" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ভট একটা ব্যারাম হয়েছে। হাতপা চাবায়। যেমনতেমন চাবানো না রীতিমতো কুচুরমুচুর করে চাবায়। কখনো মনে হয় ভোজপুরী পালোয়ান দিয়ে শরীর মালিশ করাই, কখনো মনে হয় স্পঞ্জের দাঁতওয়ালা কুমির দিয়ে হাঁটুর নিচ থেকে গোড়ালির আগ পর্যন্ত আনন্দদায়কভাবে চিবাই। কখনো নিজেই নিজের পা টিপি। কিছুক্ষণ টিপলে চোখ ভেঙে ঘুম পায়। আর এই সমস্যা হয় শুধু মাত্র একটু আরাম করে বসলে। ঠ্যাঙ যতক্ষণ হাঁটার উপর থাকে ততক্ষণ সুপার ফিট। এই রোগের ফেরে ইদানিং বেশীরভাগ সময় হাঁটা আর শোয়ার উপর থাকি। বসিটসি কম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ডাক্তারের কাছে বলতে তিনি খ্যা খ্যা করে হাসেন। বলেন কোলেস্টেরল বাড়তির দিকে ছাড়া কোন সমস্যা নাই। আর যেই সমস্যার কথা বলছেন সেটা আপনার মনের। কোন ওষুধটষুধ না দিয়ে শুধু কিছু হালকা ব্যায়ামের পরামর্শ দিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হতে পারে ডাক্তারের কথাই ঠিক। অথবা এমন গূঢ় কোন রোগে ধরেছে যা কিনা আধুনিক বিজ্ঞান এখনো চিনতে পারে নাই। হতে পারে টোট্যালিটি মাইনাস আধুনিক বিজ্ঞান ইজ ইকায়াল টু কুচুরমুচুর। অথবা ইঁচড়ে পাকা ছিলাম বলে প্রৌঢ়ত্বও আগেভাগে কড়া নাড়ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সপ্তাহ দুই আগে আবার তেহারি রানলাম। একসময় সপ্তাহে কম্পক্ষে দুইবার রান্না করতাম। মাস তিনচার ধইরা একটু লাইনে থাকার চেষ্টা কইরা ক্রমাগত বেলাইনে যাইতেছি। লাইনের তো আর কোন নৈতিক ভিত্তি থাকেনা। রিপিটেশান ভঙ্গ করাই সেই ক্ষেত্রে বেলাইন। একটু একটু ঠাণ্ডা পড়া শুরু করছে তখন। রান্না শুরু করার আগ দিয়া হিমুরে ফোন দিলাম। কামলার জাগা থিকা রুশ দেশের শরবত পাইছিলাম একটা। তেহারি হইলো একরকম। মাংসটা মনে হয় মহিষাসুরের ছিল। পুরা ছাব্বিশ ঘন্টা টক দৈ দিয়া ম্যারিনেট কইরা পাক্কা দেড় ঘন্টা উচাজ্বালে কশাইয়াও সে নির্বিকার। যাই হোক খিদার ঠেলায় রান্না একসময় না একসময় শেষ হয়। লগে একটু রুশ দেশের শরবত। ঐতিহাসিক ব্যুৎপত্তি রুশ দেশে হইলেও জন্মাইছে দেখলাম কোন জার্মান ব্রুইয়ারিতে। ব্র্যান্ডের নাম ইয়েলেৎসিন। জার্মান ভদকাগুলির প্রায় সবই কোন না কোন রুশ রাষ্ট্রপতির নামে। গরুবাছুর, ইয়েলেৎসিন, পুতিনফ (পুতিনকা না...ঐটা অভিজাত ভদকা) ইত্যাদি। ইয়েলেৎসিন এর আগে কখনো খাই নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তো সেইদিন মহিষাসুরের সাথে ইয়েলেৎসিন টাইনা চেয়ারে গাইথা গেলাম গা। কোন আলাপও আর জমে না। নানান বিষয় গুতাইতে গুতাইতে আইলো পলিটিক্যাল ডেভেলপমেন্টের কথা। অনেকদিন আগের থিকা এই বিষয়টা পড়তেছি। সেই ১৯৯৯-২০০০ সালে কম্পারেটিভ পলিটিক্সে পড়ছিলাম। বৈদেশে আইসা ঐভাবে একটা পেপার হিসাবে না পড়লেও বিভিন্ন প্রসঙ্গের ভগ্নাংশ হিসাবে পাইছি। তাতে আমি কৈছিলাম যে প্রতিরোধের প্রবণতা রাজনৈতিক উন্নয়ন পরিমাপের একটা খুব প্রধাণ প্যারামিটার। আসলে সেইটা রাজনৈতিক উন্নয়ন তাত্ত্বিকদের একাংশের বক্তব্য। অনেকে আরো অন্য অনেক কিছু মনে করেন। আর আমি ব্যক্তিগতভাবে (মহিষাসুর দিয়া ইয়েলেৎসিন না খাইয়া) যেইসব তাত্ত্বিকরে দোসবন্ধু মনে করি তারা রাজনৈতিক উন্নয়ন'রে সরাসরি ভূয়া ধারণা বইলা ফতোয়া দিছে। কিন্তু অত কথা ঐসময় মাথায় নাই। প্যাটে মহিষাসুর। আমি একটু জাতীয়তাবাদী ঝোঁক নিয়া কইতেছিলাম যে যেহেতু প্রতিরোধের ঘটনা আমাদের নিকট আর সুদুর অতীতে খুব ঘন ঘন সেই বিচারে আমরা যারা অনেকদিন ধইরা স্বৈরশাসন সহ্য করছে তাদের থিকা পলিটিক্যালি বেশি ডেভেলপ্ট। হিমু গেলগা চেইতা। কয় যেমন? আমি কইলাম যেমন ইন্দোনেশিয়া। কয় ওদের সাথে আমাদের কোন পার্থক্য নাই। আমি কইলাম আছে। কারণ আমরা কোন মার্শাল ল'রে দশবছরের বেশী দাঁড়াইতে দেই নাই। আর ওরা টানা বত্রিশ বছর ধইরা চরম প্রতিক্রিয়াশীল সুহার্তোরে সহ্য করছে। যেই লোক ক্ষমতায় বসতে বসতেই দশ লাখ মানুষ জবাই করছে। হিমু কয় ওগুলা বাদ দেন। আমাগো দেশে তো তিরিশ লাখ শহীদ হইছে। আমরাতো মুক্তিযুদ্ধ করছি। কিন্তু আফটারমাথগুলা চিন্তা কইরা দেখেন কোন পার্থক্য আছে কি না। আমি তাও হাল ছাড়িনা। কইলাম ক্যান আমরা তো গত সব কয়টা নির্বাচনে বিপরীতে ভোট দিছি। কয় তাতে কী লাভ। আমি আর কিছু কইনা। কারণ আমি জানি আমি ভূল কৈতাছি। কেমনে কেমনে জানি হান্টিংটন দিয়া তর্ক শুরু কইরা দিছি। লেভেল অফ ইন্সটিটিউশনালাইজেন জাতীয় প্যারামিটাররে যারা বর্ণবাদী কইছে সারা জীবনতো তাগোই সাপোর্ট কইরা আইছি। আমার গুরু বইলা জানতাম বারান, সুইজি, গুণ্ডার ফ্রাঙ্ক, হামজা আলাভী, প্রভাত পাটনায়েক, পুলানজা, ফস্টার আর ইদানিংকালে ক্রিস্টফ শেরার, বাস্তিয়ান ফন আপেলডর্ন, রবার্ট ওয়েইড, হাইনৎস হোলৎস, রবার্ট স্টাইঙ্গারভাল্ড প্রমুখ আরো অনেক অনেক জ্ঞানী লোক যারা মোটামুটি হান্টিংটন বা এস.ই,ফাইনার'দের উল্টা রাস্তায় হাঁটছে। আমি তো জানি রাজনৈতিক উন্নয়ন তত্ত্ব হইল নানান এঙ্গেলে লাউকদু কইরা শেষে কিউইডি টানে অতএব হোয়াইট ককেশিয়ানরা সভ্যতর রেইস....এবং তাহারা যিশুর ভক্ত বলিয়া নিজেদের ঘোষনা করে ... এবং সাধারণত সিডিইউ'রে ভোট দেয় ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি হয়তো একটু ইতিবাচক ভাবতে চাইতেছিলাম। শর্টরান ইতিবাচকতা যারে কয় আর কি। ভাবতে চাইতেছিলাম যে &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/sobujbagh/11607"&gt;শহরের সমস্ত বানর একদিন মারা যাবে&lt;/a&gt; ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সব কিছুর জন্য দায়ী ঐ ইয়েলেৎসিন। এরপর থিকা জার্মান ভদকা আর খামুই না। আর খাইলেও কম্পক্ষে পুতিনফ ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করার শিডিউল আবারো পিছাইছে। আইনগুলা আমরা সবাই মোটামুটি জানি। সেই কবে থিকা হেভিওয়েট আইনজীবিরা বইলা আসতেছে আইনে কোন সমস্যা নাই খালি রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অপেক্ষা। এই অপেক্ষার লাইনে ইতিমধ্যে &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/sobujbagh/8356"&gt;চোখের সামনে সুনাডা কয়েকবার ফলছেও&lt;/a&gt;। এইবার নির্বাচনের পর থিকা খুব খিয়াল করার কথা বলা হইতেছে, খোলা রাস্তা/ ভার্চুয়াল জগত সব জাগা থিকা। বর্তমান সরকারী দল সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অতি তিক্ত থাকায় তারা যে এইসব ভালো কথা পাত্তা দেয় সেইটা চুপচাপ মাইনা নিতে মোটেও ভরসা হয় না। পুরা একটা বছর চইলা যাইতেছে। জনপ্রিয়তা কমতে শুরু করার প্রচলিত শিডিউল কাছাইয়া আসতেছে। এই অবস্থাতেও রাজাকার-আলবদর-আলশামসদের বিচার শুরু করার শিডিউল পিছাইলে যারা নির্বাচনী দুধভাতের বদলে সত্যি সত্যি ধর্মীয় মৌলবাদের আইনসিদ্ধ খতম দেখতে চায় তারা একটু চিন্তিত হইতেই পারে। আসলে আমার প্রত্যাশাটা যেরকম সেরকম প্রত্যাশা ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের ভোটারদের খুব বড় সংখ্যারও। এইটা কোন সমীক্ষা ছাড়াই যৌক্তিক অনুমানের জায়গা থিকা বলা যায়। এই বিষয়ে ইতিমধ্যে গত এক বছরে বর্তমান সরকাররে কম্পক্ষে লাখখানেক রিমাইণ্ডার দেওয়া হইছে। তাতে তারা দৃকপাত করেন নাই যথারীতি। সম্ভবত লুহার তালা কানে না দিলে গদীতে পাছা রাখা যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে আমি চাই আমার এই অনুমানগুলা ভুল হোক। সত্যি সত্যি বিচার শুরু হোক। ২০১৪ সালের মধ্যে হয় রাজাকার/আলবদর/আলশামসগুলিরে ঝুলান নাইলে কম্পক্ষে কনডেম সেল পর্যন্ত পৌছান। নাইলে আম ছালা সবই যাইবো। এই ভবিষ্যতবানীর যাথার্থ ভোটের রাজনীতির বাকিসব ছাগু যুক্তি এবং মাইরপ্যাচের উর্ধ্বে। ২০১৪ সালের নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার সম্ভাবনা এমনিতেই বেশী। কারণ শেষ বিচারে আওয়ামী লীগ নিতান্তই বিএনপির মতো আরেকটা দল। নির্ভরশীল আর্থরাজনৈতিক অবকাঠামোতে কোঅপ্টেটিভ ডেমোক্র্যাসীর বাইরের বাস্তবতা পাওয়ার সম্ভাবনা আমাদের ছিল ১৯৭২ থিকা ১৯৭৫ এ। সেই সুযোগ বহুলাংশে বঙ্গবন্ধু নিজেই নষ্ট করছেন। কইরা নিজে নিহত হইছেন। বাঙ্গালীর বুকেও ছুরি মারছেন। আমি আওয়ামী মন:স্তত্ত্ব যা বুঝি তাতে তারা ভাবতেছেন যে গোআ-নিজামীদের ঝুলাইলে আউমিলীগরে ইসলাম বিরোধীটিরোধী বইলা ভোট কইমা যাইবো। এই ভাবনাটা ভুল। ভুল এই হিসাবে যে এই প্রচারনা ১৯৫৪ থিকাই আছে। তবুও এরপরে বেশ কয়েকটা নির্বাচনে তারা নানারকম মৌলিক স্বপ্ন দেখাইয়া ক্ষমতায় আইছেন। মোটামুটি কোনটাই পুরন করেন নাই। তারপরেও তারা ফিরা আসতে পারছেন সাম্রাজ্যবাদের আশির্বাদে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠাণের গুণগত দূর্বলতার কারণে। তবে এইবারের সাথে আগের প্রত্যেকবারের খুব বড় পার্থক্য হইতেছে বস্তু নিজের ভিতর থিকাও পারিপার্শ্বের প্রভাবে হোমোসেপিয়েনদের সচেতন প্রয়োগ নিরপেক্ষভাবে পরিবর্তিত হয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রসঙ্গটা সেইভাবে গত ৩৮ বছরে বহুব্যবহারে পারিপার্শ্বের সাথে বিক্রিয়া করছে এর সমর্থক বা বিরোধীতাকারীদের ইচ্ছানিরপেক্ষভাবে। ঐতিহাসিক বস্তুবাদের এই ন্যুনতম বোধ না থাকলে তারা এইবারও সামনে যত্ন কইরা পাতা ফাঁদে পা দিয়া পাতালে ঢুকবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গাফফার চৌধুরী একটা রামছাগল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আজকে সকালে জানালা খুইলাই দেখি চারদিক সাদা। মোটামুটি হালকা এক আস্তর স্নো পড়ছে। মৌসুমের প্রথম স্নো। আমি বরাবরই তুষারের ভক্ত। আর প্রবল শীতে আমার শরিরটাও অনেক অনেক বেশী ভালো থাকে। এইবারও আশাকরি থাকবে। তাপমাত্রা যত নিচে নামে এই কারণে আমার উল্লাস তত বাড়ে। চুড়ান্ত কোণঠাসা জীবনে এইরকম দুইএকটা উল্লাসের থাকলে ক্ষতি কী?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-9004577742692070898?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/9004577742692070898/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=9004577742692070898' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/9004577742692070898'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/9004577742692070898'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/12/blog-post_25.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৭'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SzU1exsfyNI/AAAAAAAAAIY/kY6vFE0KQsE/s72-c/first+snow+2.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8230457108348905016</id><published>2009-12-14T21:54:00.001+01:00</published><updated>2009-12-15T21:57:25.099+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শোক'/><title type='text'>বুদ্ধিজীবি হত্যার প্রতিশোধ চাই</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Syf4LYQYqSI/AAAAAAAAAIM/0sgtzncYxCs/s1600-h/fazle+rabbi.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 307px;" src="http://3.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Syf4LYQYqSI/AAAAAAAAAIM/0sgtzncYxCs/s320/fazle+rabbi.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5415569951309736226" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;কত সহজেই না রাজনীতির মারপ্যাঁচে ইতিহাসের দগদগে ঘা'কে আমরা ঢেকে রাখি। প্রতিবছর ঘুরে ঘুরে ১৪ ডিসেম্বর এলে বিচার চাই বিচার চাই বলে আবার চাদর টেনে দেই। গ্যাংগ্রীনের পুঁজ মেখে সেই চাদর বহুদিন থেকেই তার বর্ণহীনতা খুইয়েছে। এখন চট করে বাইরে থেকে দেখলে একরকম ডেকোরেশন মনে হয়। বেশ চমৎকার মানিয়ে গেছে বর্ণাঢ্য ইতিহাসের শোকেজে। বছর বছর ঘোমটা খুলে কয়েক মুঠো ধবধবে সাদা লবণ ছিটাবার রিচুয়াল পালন .....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রিচুয়াল পালিত হয় &lt;a href="http://www.dailysangram.net/news_details.php?news_id=21571"&gt;বরাহপুরীতেও&lt;/a&gt;। সবার সাথে সাথে তাঁদেরও কিছু বলার আছে। সকল প্রপঞ্চের সমাবেশ জরুরি'র দোহাই দিয়ে আমরা ঘোঁৎ ঘোঁৎকেও ভাষা বলে মেনে নিয়েছি। আমাদের মধ্যে কেউ কেউ দেওয়ালে মাথা ঠুকি, খামচাই ...তাতে কপাল আর নখের শ্রাদ্ধ ছাড়া কোন প্রাপ্তি নাই ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৪ ডিসেম্বর যারা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের অপরাধ ছিল তাঁদের মেধা তাঁদের যোগ্যতা। সেই মেধা-ধ্বংসযজ্ঞের লাভবানদের একটা যৌনকেশও আমরা ছিঁড়তে পারি নাই। মেধার বিকাশ আর প্রয়োগের গলায় ফাঁস দিতে দিতে এখন আর গ্যাংগ্রীনের যন্ত্রণাও কেউ অনুভব করে না ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কেউ কেউ হয়তো করেন। কিন্তু শল্য চিকিৎসার শস্ত্র থেকে তাঁরা বহুদূরে। তাঁদের নাগালে চাপা কান্নার গলা টিপে ধরার দুটি হাত ছাড়া আর কিছু নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অথচ এই একটি দুটি হাত জড়ো হতে হতে একটা প্রকাণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারতো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজেকে চড় মারি। লাথি মারি। ফজলে রাব্বির হৃদপিন্ড উপড়ে ফেলা লাশটা বারবার দেখি। ভোঁতা স্মৃতিতে শান দিতে চাই, পুরনো বারুদে প্রাণের শুস্কতা তুলে আনতে চাই। আসে না। সব শেষে ঐ গোঙানিটাই বেঁচে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাবতে চেষ্টা করি হয়তো হবে কোন একদিন সেই বিস্ফোরণ। মৌসুমী স্মৃতিকথা আর লাভের রাজনীতির ডেঁয়ো পিপড়াদের বদলে সর্বশক্তিমান জনতাই সেটা ঘটাবে। এইটুকু নিস্ফল আশার আস্ফালন বেঁচে থাকে .....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বুদ্ধিজীবি হত্যার বিচার চাই না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিশোধ চাই!&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8230457108348905016?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8230457108348905016/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8230457108348905016' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8230457108348905016'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8230457108348905016'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/12/blog-post_14.html' title='বুদ্ধিজীবি হত্যার প্রতিশোধ চাই'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Syf4LYQYqSI/AAAAAAAAAIM/0sgtzncYxCs/s72-c/fazle+rabbi.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-4162726641191000171</id><published>2009-12-11T21:50:00.000+01:00</published><updated>2009-12-15T21:53:19.935+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অণুগল্প'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='পোমো'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গল্প'/><title type='text'>কয়েকটি পোমো গল্পের খসড়া</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;বছর আড়াই-তিন আগে কোন একটা সেমিনারের শেষে ম্যাক্রো-সোশিওলজির প্রফেসার ড. হাইনৎস বুডে'কে আধুনিকতা আর উত্তরাধুনিকতার সহজ সংজ্ঞার্থ জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, "এই ব্যাপারগুলির আসলে কোন ডেফিনেশান নাই। উদাহরণ দিয়ে কিংবা উদাহরণগুচ্ছ দিয়ে বুঝতে হয়। আমার মতে সরলতম উদাহরণ হতে পারে এরকম: আধুনিকতা হচ্ছে প্রফেসারের লেকচার পছন্দ না হলে বের হয়ে চলে যাওয়া আর উত্তরাধুনিকতা হচ্ছে অপছন্দের লেকচারের সময় বসে বসে ল্যাপটপে চ্যাট করা।"  এর পরে এই বিষয়ে টুকটাক নানান কিছু পড়লেও কোথাও হের বুডে'র মতো চমৎকার উদাহরণ চোখে পড়ে নাই। এর কারণ আমার অজ্ঞানতা, গুরুভক্তি দুইটাই হতে পারে। যাই হোক এই সব জ্ঞানতাত্ত্বিক সীমাবদ্ধতা সহকারেই আজ সকালে শুভাশীষ দাশের গল্প পড়ে মনে হলো করি একটা এক্সপেরিমেন্ট সেটার আধুনিকতা/ উত্তরাধুনিকতার বিচার পাঠকের আঙ্গুলে ছেড়ে দেই। &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোন এক রবিবার সকালে মনির হোসেন বিঠোফেনপ্লাৎসে দাঁড়িয়ে মেসওয়াক করছিল। রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় ক্যাটওয়াক দেখতে পাবার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কিন্তু মনির হোসেন পরিসংখ্যানের ফ্যাসীবাদ মানে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মর্মনদের দেখা যাচ্ছে। মাথা বাদে বাকি দেহে গাদাগাদা কাপড় চড়ানো এক ফর্সা তরুণী পায়ে পায়ে এগিয়ে আসে। দেখার মতো বিভঙ্গগুলি অনেক ভেবে ভেবে জাগামতো ঝাপসা নেগেটিভ রেখে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- সুপ্রভাত!&lt;br /&gt;মনির হোসেন নিচের পাটির ঠিক মাঝের দুটি দাঁতের ফাঁক দিয়ে চিড়িৎ করে সামনের ফোয়ারাতে থুতু ফেলে অস্পষ্ট উচ্চারণে বলে,&lt;br /&gt;- সুপ্রভাত ......&lt;br /&gt;মোহিনি হাসিতে তরুনী বলে,&lt;br /&gt;- আপনি কি জানেন প্রভূ ফিরে আসছেন?&lt;br /&gt;- প্রভূ ক্যাঠা?&lt;br /&gt;বলে আবারো সেই দুই দাঁতের ফাঁক দিয়ে থুতু ফেলে। এবারের ডেলিভারি ইয়র্কার। একেবারে ফোয়ারার উৎসমুখে গেঁথে যায়।&lt;br /&gt;তরুণী মুখে হাসি ধরে রাখলেও কপালে চুলের গোড়া থেকে আর্য নাসিকা পর্যন্ত বিষাদ নেমে আসে।&lt;br /&gt;- আপনি বারে বারে এমন আনসিভিক হচ্ছেন কেন?&lt;br /&gt;সাথে সাথে মর্মনরা কালো ব্লেজার ছুঁড়ে ফেলে মাওয়ালী ছবির জিতেন্দ্রর মতো কিশোর কুমারের কণ্ঠে কোরাস ধরে , রামা রামা রামা রামা রামা রামা রে ..এ এ এ....&lt;br /&gt;তাঁদের প্রত্যেকের টি-শার্টে হাভানা ক্লাবের জলছাপ। নিচে সোনালী অক্ষরে লেখা, আজ সন্ধ্যায় কিউবা লিব্রে'তে বিরাট মূল্যহ্রাস। গ্লাসপ্রতি দুই ইউরো তেত্রিশ সেন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মনির হোসেন ফোয়ারার জলে কুলি করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্ক্রিন চারভাগ হয়ে দ্বিমাত্রিক চারকোণে হারিয়ে যায়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাসেল শহরের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশনের সামনে বিরাট লন। সেখানে কিছু স্থায়ী বেঞ্চি পাতা। তার ঠিক বামকোণে গম্ভীর মুখে সান্টাক্লজ। তিনি অতি ধীরে ডানপায়ের জুতা খোলেন। তারপর মোজা। সি এণ্ড এ থেকে কেনা উন্টার সকস্ । খ্যাশ খ্যাশ করে পায়ের পাতা চুলকান। চোখেমুখে অরগাজম্ !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার স্ক্রিন চারদিক থেকে অন্ধকার হয়ে আসতে আসতে কষ্টিপাথর হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিয়েন আনমেন স্কোয়ারে কাকডাকা ভোর। তরুণ রবীন্দ্রনাথ কালু পালোয়ানের কাছে নানচাক্কু শিখছেন। পাশে মাও সে তুং। গায়ে নামাবলী। মাঝে মাঝে ডানহাতে বামবগল চুলকান। কেউ কিচ্ছুটি জানতে পায় না। একটু দুরে মাটিতে বসে ব্রুসলী টিফিন ক্যারিয়ারের ঢাকনা খুলে নানরুটি আর বটিকাবাবে মন দেয়। তার থেকে কোনাকুনি লিও শাও চী হাভানার ধোঁয়া ছাড়ে।&lt;br /&gt;স্ক্রিন ঝন ঝন করে ভেঙে পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রায়ান্ধকার শুড়িখানায় হিমু। বারের ওপাশে হাসান মোরশেদ। তাঁর হাতে বাকির খাতা। হিমুর মুখে রহস্যজনক হাসি। আমি বললাম, আমি তো বাকি খাইনা আমারে দ্যান! মনির হোসেন বলে, আমিও তো! হাসান মোরশেদ কাষ্ঠ কণ্ঠে বলেন, আইজকা দোকান বন্ধ বাড়িজ্জাও। সবুজ বাঘ দরজা থেকেই ফিরে যাচ্ছিল। আমরা তিনজন বেরিয়ে আসতে চারজন হলাম। আমাদের পরনে হাওয়াই শার্ট আর শর্টস।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চারজনে কোরাস গাই,&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমরা ক'টি ভাই&lt;br /&gt;টাল টক্কর হতে চাই&lt;br /&gt;কেরুর দারু গলায় ঢেলে&lt;br /&gt;শ্বশুরবাড়ি যাই .....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রবীন্দ্রনাথ হন্তদন্ত হয়ে মিউনিখ সেন্ট্রাল স্টেশনে রেলওয়ের অফিসে ঢুকে পড়ে। লাইন ভেঙে গিয়ে অফিসারকে পাকড়ে ধরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- মিউনিখ থিকা দর্শনার গাড়ি কয়টায়?&lt;br /&gt;অফিসার বললেন, যাব্বাবা! যা বললেন একখানা! চা খেয়েছেন নাকি?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-4162726641191000171?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/4162726641191000171/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=4162726641191000171' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4162726641191000171'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4162726641191000171'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/12/blog-post.html' title='কয়েকটি পোমো গল্পের খসড়া'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-5665334340377741875</id><published>2009-11-14T18:33:00.002+01:00</published><updated>2010-02-27T09:07:35.529+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>ডী এক্ ক্নাইপে ৫</title><content type='html'>(এই সিরিজের শেষ পর্বটা আইছিল ২০০৭ এর ৩০ আগস্ট। দুই বছর পরে কোন সিরিজের পুনর্জন্ম পরবর্তী পাঠকদের বিভ্রান্ত না করার কোন কারণ নাই। কিন্তু আমার সিস্টেমটাই এইরকম হইয়া খাড়াইছে। এরকম না হওয়াই ভালো। কিন্তু যা ভালো তা আমার হইতেছে না। হওয়ানো দরকার। মাঝে মাঝে খুব উদ্যোগটুদ্যোগ নেই। তারপর বুকডন দিতে গেলে দেখি পাখনায় ব্যাথা। ভেজিটেরিয়ান হইয়া যামু নাকি ভাবতাছি ........&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাঠকের মাইর না খাইতে আগের পর্বগুলার লিঙ্কু দেওয়া হৈল ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[url=http://www.sachalayatan.com/suman/102]ডী এক ক্নাইপে ১[/url]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[url=http://www.sachalayatan.com/suman/189]ডী এক্ ক্নাইপে ২[/url]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[url=http://www.sachalayatan.com/suman/891]ডী এক ক্নাইপে ৩[/url]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;[url=http://www.sachalayatan.com/suman/8347]ডী এক ক্নাইপে ৪[/url]&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৬-০৭ এর নভেম্বর-মার্চে শীত পড়ে নাই। অন্তত মধ্য-উত্তর জার্মানীতে না। শীতের দিনে শীত না পড়া শীতের দেশে ভয়াবহ দু:সংবাদ। গ্রীষ্ম শেষ হতে হতে গুছিয়ে আনা সব প্ল্যানপ্রোগ্রাম ভেস্তে যায়। কাজ করতেও আলাদা করে ক্লান্তি বাড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নভেম্বরের শেষদিকে তেমন এক রবিবার অসহ্য লাগছিল। বেরিয়ে পড়লাম বেলা বারোটা নাগাদ। গায়ে মোটে একটা টি-শার্ট। ঠিক এক বছর পেছনে গেলেই ঐসময় ঠক্ঠক্ কাঁপতে হতো ভোম্বা জ্যাকেট চড়িয়ে। যাই হোক। তাপমাত্রা কমপক্ষে কুড়ি, পথে ধুন্ধুমার ধূলো। হাঁটতে হাঁটতে ফুলদার পাড়ে। স্রোত নেই। পানি স্বচ্ছ। একটা দুটো পোনা মাছ দেখা যায়। কখনো দুয়েকটা কচ্ছপ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ওপারে গুটিকয় সোমত্থ বালিকা। সেদিকেই তাকাই। তাঁরা কি যেন একটা ঘিরে খিলখিল করছে। একটু পরে হালকা গোলাপী স্কার্টের বালিকা কি যেন কোলে করে চুমাচাট্টি দিয়ে নদীতে পা ডোবালো। খিয়াল করে দেখি বালিকার সিনায় এক পিস ঘোঁৎঘোঁৎ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মেজাজ আরো খারাপ হলো। কুড়ি এমনিতে ভালো, যদি ঝকঝকে রোদ থাকে। কিন্তু সেদিন রোদও নেই, বাতাসও নেই, ভেজাও না শুকনোও না ধরণের কুৎসিৎ অনুত্তেজক আবহ। ঢাল বেয়ে উঠে এলাম পার্ক থেকে। অটোমাট দেখে মনে হলো খাই একটু বিড়ি। মানিব্যাগে খুচরা নেই। মেশিনে কয়েন ছাড়া নেয় না। উল্টো হেঁটে এলাম শহরের দিকে। পেট্রোল পাম্পের সামনে এসে তামাকের আগ্রহ চলে গেলো। সামনে এগিয়ে রাস্তা পেরোনোর সিগনালে হাত দিলাম। উল্টো দিকে সেই ক্নাইপে। প্রায় বছর খানেক যাওয়া হয় নি। দরজা হাট করে খোলা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উঁকি দিয়ে দেখি বারে কেউ নেই। ডানদিকের ঢাল পেরিয়ে ম্যুলার আর ক্নাপ বিলিয়ার্ড খেলছে। আমাকে দেখেই হৈ হৈ করে উঠলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: দু ফাউলে যাক্! ( ব্যাটা অলস বস্তা!)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: ভী গেটস্ অয়েশ? ( তুমাগো খবর কী?)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বলে হাসি মুখে বারে গিয়ে বসলাম। পুরো পাবে সব মিলিয়ে চারজন। আমরা তিনজন বাদে আর একজন লিজি। পুরো নাম লিজেলটে শ্নাইডার। কেউ ডাকে লিজি কেউ ডাকে লটে। এ আবার কবে থেকে এখানে কাজ করে? একটু অবাকই হলাম। শুরুতে আমরা যখন ব্যাকুল হয়ে কামলা খুঁজছিলাম এই ছেমড়ি তখন খানিক উন্নাসিক আচরণ করেছিল। যাই হোক, ভাগ্যের ফেরে রুটি রুজিতে যখন নেমেছে তখন পুরনো কথা ভোলাই ভালো। এখন আর মুখে সেই উদ্ধত ভাব নেই। কেলার থেকে বের হয়ে পুরো ক্নাইপে তে একবার&lt;br /&gt;[i]ইনহি লোগোনে লে লিয়া দোপাট্টা মেরা[/i]  ধরনের নজর দিয়ে বারের দিকে এগোলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object height="344" width="425"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/PQ5Q_jUTgU0&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/PQ5Q_jUTgU0&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" height="238" width="289"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বারে এসে মনোযোগ দিয়ে গ্লাস ধুতে ধুতে প্রায় মিনিট পাঁচেক পর প্লাস্টিক হাসি দিয়ে জিজ্ঞাসা করলো, খবর কী?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: আছি আর কী। মরি নাই তা তো দেখতেই পাচ্ছো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: তোমার বন্ধুদের খবর কী? আলেক্স, স্টেফান, ইয়ানি, গুনার, বিলি, লেনা, দেসি, আলেকজান্দ্রা, রাগাদ, হাও মিং, কন্সটানটাইন.....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: বোধ হয় ভালোই আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুক্ষণ চুপচাপ। লিজি চুপচাপ বার ঝাড়া মোছা করে। আমি চুপচাপ বিলিয়ার্ড খেলা দেখি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একজনের কথা ও জিজ্ঞাসা করেনি। আসলে ঠিক একজন না দুজনের কথা। আমাদের পুরনো বন্ধুমহলের তালিকা থেকে মরিৎস আর মিরিয়াম বাদ গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: কী খাবা?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: হুইস্কি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: নাই। শেষ হইয়া গেছে। ভদকা আছে দিবো?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: দাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই দোকানে মুড়িমিছরি একদর। ভদকা-হুইস্কি-রাম-ব্র্যান্ডি একদর। হুইস্কি জিম বীম বা জ্যাক ডানিয়েলস্, ভদকা মস্কোভোস্কায়া, ব্যাকার্ডি রাম আর ওসবার্ন ব্র্যান্ডি সবই নিরানব্বই ইউরো সেন্ট।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাইরে পড়ন্ত বিকাল। রোদের খাবলাটা টেবিলের মাঝ থেকে আস্তে আস্তে ক্যাশ পার হয়ে জানালার পাশের বাকির লিস্টির উপর চলে গেল। বার আস্তে আস্তে বুড়োদের দখলে চলে যেতে থাকলো। লিজিকে অনেক দিন পর পেয়ে শুধু আবোল তাবোল আলাপ চালাচ্ছিলাম। মাঝে মধ্যে বুড়োদের ফোড়ন কাটাও চলছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিজি চুপ করে বসে ছিল বারের ওপাশে টুলের উপর। ডান পাশের জানালা দিয়ে এক ফালি রোদের রেখা উপুড় করে রাখা বোতলগুলি পেরিয়ে লিজির সোনালী চুল স্পর্শ করেছে। জার্মান লোকসঙ্গীত বাজছে ....ঈশ ফ্রয়ে মীষ ভেন ঈষ ডিশ যেয়ে (I feel happy when I see u..)। ভদকা এমনিতেই আমি তাড়াতাড়ি খাই। তারউপর এই বিরক্তিকর আবহাওয়া আরো তাড়া দেয়। নিরবতা ভাঙি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- এই দোকানে কবে আসছো?&lt;br /&gt;- হুঁ...এইতো মাস চার হৈলো।&lt;br /&gt;- থিসিস শুরু করছো?&lt;br /&gt;- আরে না...এখনো না...করবো দেখি ক্রিসমাসের পরে...প্রোজেক্ট রিপোর্টটা জমা দিয়া নেই...&lt;br /&gt;- সেই রিপোর্ট এখনো জমা দেও নাই?&lt;br /&gt;- না....&lt;br /&gt;আমি আর কিছু বলি না। আমি প্রোজেক্ট করছি তখন ক্যাম্পাসের ভিতরে। কামলা দিয়ে আর বেশী কিছু পোষাচ্ছিল না। লিজিদের একটা গ্রুপ প্রফেসার শ্রোয়েডারের সাথে ব্রাসেলসে গিয়েছিল। মরিৎস, মিরিয়াম, স্টেফান, নাওমীরাও ছিল ঐ গ্রুপে। লিজি আর মরিৎস তখন পারলে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৬ ঘন্টা জাবড়াজাবড়ি করে থাকে। ব্রাসেলস থেকে ফিরে আসবার পরে মরিৎসকে দেখতাম মিরিয়ামের সাথে। লিজিকে বহুদিন দেখিনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাহ্ মজা লাগছে না। লোকে বারে মদ খেতে আসে মেজাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে। এখানে অবশ্য ইতিবাচক আর নেতিবাচক নিয়ে দার্শনিক বচসা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- হালো! মাখ এস আন ! (hallo! turn it on!) এক বুড়ো দু নম্বর বিলিয়ার্ড টেবিল চাপড়ে লিজিকে ডাকলো। লিজি বিলিয়ার্ড টেবিলের নিচের কাউন্টারটা অন করে দিলো। সেখানে ৫০ সেন্ট ভরে শুরু হলো বুড়ো মাতালদের বিলিয়ার্ড খেলা। ক্নাপ প্রথম ঠেলায় বল পাঠালো বাম দিকের গর্তের কাছাকাছি; হাইটমান পরের ঠেলায় নিজের দলের বল গর্তে ফেলতে না পারলেও ক্নাপের টার্গেট প্রায় তিন বিঘৎ সরিয়ে দিলো.... নাহ্ খেলা দেখতেও ভালো লাগছে না। আবার বাড়ি যেতেও মন চাইছে না। বাইরের ব্যাজার দিন আর লিজির গোমড়া মুখ আর কুড়ি ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে বরফ ছাড়া ভদকা...সব মিলে একটা ভারতীয় পেঁয়াজ আর তুর্কী মরিচে রান্না খিচুড়ি দিয়ে হালাল বীয়ার খাওয়া পরিস্থিতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- একটা ডাবল পেগ দাও।&lt;br /&gt;- তোমার কী হইছে? এই ভুল আবহাওয়ায় মাল টানতেছো ক্যান?&lt;br /&gt;- ভালো লাগতেছে না কিছু। রাইত পোহাইলেই আবার সোমবার। সকাল দশটায় সেমিনার। তিনটা থিকা কামলা।&lt;br /&gt;- এইটা নতুন কইরা খারাপ লাগার কী হৈল?&lt;br /&gt;- প্রতিবারের খারাপ লাগাই একেকটা নতুন ঘটনা....&lt;br /&gt;এইবার লিজির মুখটা কিছুটা বাঁকা হয় দুপ্রান্তে। ধরে নেওয়া যায় ছেমড়ি আমার কথায় কিঞ্চিৎ মজা পেয়েছে।&lt;br /&gt;- ঠিকাছে। এইবার আমিও খাই একটা।&lt;br /&gt;আমার খানিক অপ্রস্তুত মুখ দেখে বলে,&lt;br /&gt;- আরে এইটা তোমার পয়সা দেওয়া লাগবো না। এইটা আমার পকেট থিকাই যাইবো। (বারে মদ বিক্রির চাকরি করা কোন মেয়ে বারের নিয়মমতো সাধারণত অন ডিউটি শুধু তখনই মাল টানতে পারে যখন সেটা কোন ক্রেতা স্পন্সর করে।)&lt;br /&gt;- কিন্তু তুমি তো ডিউটিতে আছো।&lt;br /&gt;- আর আধা ঘন্টা। এরপর ক্নাপ নিজেই বসবে বারে।&lt;br /&gt;- ঠিকাছে। তাহলে আউফ ইক্স!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটানে ডাবল পেগ চলে গেলো ভেতরে। মাথায় এতক্ষণে খানিক ভোঁ সাড়া দিলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- আরেক্টা দেই...বলে চোখ টেপে লিজি...আমি খাওয়ামু অসুবিধা নাই...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইভাবে কর্তা-ক্রিয়া-কর্ম চলল আরো কয়েক চক্কর। কয় চক্কর মনে নাই। তবে এক লিটারের মস্কোভোস্কায়ার বোতলটা খালি হয়েছিল এইটা মনে আছে। ইতিমধ্যে লিজির ডিউটি শেষ। ক্নাপ বারের ঐপাশে বসে গোঁফে তা দিতে দিতে আমাদের কারবার গভীর মনোযোগে লক্ষ্য করছিল। বারে বারে ঘুরে গিয়ে পেগ নামানোর খাটনি বাঁচাতে যখন বোতলটা আমাদের হাতে দিয়ে দিল তখন সব মিলিয়ে পাঁচছয় পেগের মতো অবশিষ্ট আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরো বোতল শেষ হবার আগে না পরে মনে নাই, লিজি খিলখিল করে হেসে আমার উপর লুটিয়ে পড়লো। ধরে সোজা করে বসিয়ে দিতে টের পেলাম মালে ধরেছে ভালো মতো। দুজনকেই।&lt;br /&gt;- কী হৈছে? মাতালের মতো হাসো ক্যান?&lt;br /&gt;- কারণ আমি মাতাল..খিক খিক খিক&lt;br /&gt;- খাইছে?&lt;br /&gt;- মানে?&lt;br /&gt;- বুঝবানা ...মাতৃভাষায় বলছি....&lt;br /&gt;কয়েক সেকেন্ড চুপ থেকে আবার ফিক করে হেসে ফেলে লিজি।&lt;br /&gt;- ব্রাসেলসে কী হৈছিলো জানো?&lt;br /&gt;- কেমনে জানুম? আমি তো যাই নাই...&lt;br /&gt;- হৈছিল কি...তার একদিন পরে আমাদের ফিরা আসার কথা। আমি আর লেনা গেছি টুকটাক কিনতে। মরিৎস কয় আমি একটু ঘুমাই পেট খারাপ ইত্যাদি।&lt;br /&gt;- তারপর?&lt;br /&gt;- তারপর শপিং করার সময় দেখি আমার কাছে টাকা বেশী আর নাই। তখন ওরে ফোন দেই মার্কেটে আসার জন্য, রিং হয় কিন্তু ছ্যাড়া ফোন আর ধরে না। মেজাজ খারাপ কইরা ইন্টারনাটে যেইখানে আমাদের থাকার ব্যবস্থা ছিল, সেই খানে আইসা দেখি আমাদের ঘর থিকা চেঁচামেচি শুনা যায়...ছন্দোবদ্ধ কোলাহল...&lt;br /&gt;- খাইছে..&lt;br /&gt;- হাতের জিনিসপত্র আছাড় মাইরা নক করলাম। খুলে না....মিরিয়ামের আওয়াজ আসে...শাইস এগাল ...শাইস এগাল...মাখ ভাইটার...(যে নক করে তার গুষ্টি কিলাই....পরের বল...পরের বল...!)...পাক্কা ছয় মিনিট ধাক্কা মারার পরে মরিৎস ব্যাজার হইয়া দরজা খুলে...শালার পো আমার একটা স্কার্ট পড়া আর মিরিয়াম সোফার উপর অলিম্পিয়া ভঙ্গীতে শুইয়া আছে। মাগী আমারে কয় .....আহ্ দু...এস ইস্ট আবার নিষ্ট যো শ্লিম....ডাস ভার রাইন নাখবারশাফ্টলীষ...(আরে তুমি! এইটা খারাপ কিছু না, প্রতিবেশীর কর্তব্য কর্তেছিলাম...)....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিজি আবার হাসতে শুরু করে। খুনে হাসি। আমিও হাসি। কেন হাসছি ঠিক বুঝতে পারি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- তারপর কী করলা? মরিৎসের স্কার্ট খুইলা দিলা?&lt;br /&gt;- না। পকেট থিকা ক্যামেরা বাইর কইরা মরিৎসের একটা ছবি তুললাম।&lt;br /&gt;- স্কার্ট পড়া অবস্খায়?&lt;br /&gt;- হ্যা। তারপর দ্রুত ঐ ঘর থিকা আমার জিনিসপত্র নিয়া লেনার ঘরে আইসা পড়ছি। তারপর .....তারপর আর কী? আবার কাসেলে ফিরলাম....&lt;br /&gt;- কিছু হয় নাই আর?&lt;br /&gt;- কার মরিৎসের?&lt;br /&gt;- না ওরটা জানি। তোমার?&lt;br /&gt;- আমার আর কী? বাসা বদলাইয়া গেলাম ফিডলারস্ট্রাসে.... ...একটা সেমিস্টার পুরা এদিক ওদিক কইরা নষ্ট করলাম..&lt;br /&gt;- এখন কি তুমি একা?&lt;br /&gt;- হুঁ...কী জানি বুঝি না...&lt;br /&gt;-&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-5665334340377741875?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/5665334340377741875/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=5665334340377741875' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/5665334340377741875'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/5665334340377741875'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/11/blog-post_14.html' title='ডী এক্ ক্নাইপে ৫'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-2795212200177317708</id><published>2009-11-04T19:39:00.002+01:00</published><updated>2009-11-04T19:42:11.873+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='শচীনদেব বর্মন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চাউল'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৬</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SvHKz1mL-6I/AAAAAAAAAIE/PKY6xAgUxf8/s1600-h/sdburman_8477.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 286px; height: 300px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SvHKz1mL-6I/AAAAAAAAAIE/PKY6xAgUxf8/s320/sdburman_8477.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5400320420103322530" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;সচলায়তনে লেখার মান নিয়ে নানান কথা হয়। সেইসব কথার সাথে আমার যে তেমন দ্বিমত আছে তাও না। বাজে পোস্টগুলির নমুনা দেখি। শঙ্কিত হই নিজের লেখাজোখা নিয়ে। বাংলা ব্লগিঙের শুরু থেকে কালিরামের ঢোল ফাটিয়ে নেচে চলেছি বলে কখনো ভাবতে চেষ্টাও করিনি পাঠকরা হঠাৎ একদিন "বল হরি" শুরু করলে কোন্দিক যাবো। এইসব ভাবনা কান টেনে চাঁদিতে ঠুয়া মারে। ঠিক কোন স্কেলে টিউন করতে চায় বোঝা যায় না। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;কত কাজ জমে আছে ভাবতে যাবার মূল সমস্যা হচ্ছে তাতে টেবিলে পেন্ডিঙ কাজের বিন্ধ্যাচল তৈরী হয়ে যায়। আর যারা ডিফল্ট বিন্ধ্যাচল থেকে ভাবতে শুরু করেন তাদের অবস্থা কী হয়? সমস্যা হলো এই ভাবাভাবি থেকে কীভাবে রেহাই পাওয়া যায় এটাও ভাবতে হয়। আর সেখান থেকে ফণা তোলে অসংখ্য বাইলাইন। আমি কম্পিউটার গেমসের কোনকালেই ভক্ত না। ১৯৯৮ এর দিকে ক্ল খেলতাম আর ২০০০-২০০১ এর দিকে হলে বসে শিখেছিলাম নীড ফর স্পীড ১ আর ২। সেখানে আমার যা স্কিল তাতে এইসব ত্রিমাত্রিক বাইলাইনের ধাঁধা থেকে বের হওয়া পোষায় না। সুতরাং প্লবগস্ক্রুবাস্তবতা থেকে মুক্তির কোন দূরবর্তী সম্ভাবনা আপাতত দেখতে পাচ্ছি না। তারপরেও জৈবিক নিয়মে নড়তে চড়তে হয়। পদার্থ বিজ্ঞানের সাথে খানিক দর্শন মিলিয়ে এইসব নড়াচড়াকে সরণ বলে চালিয়ে দেওয়া যেতে পারে। সেই দিক থেকে দেখলে প্রচুর কাজ প্রতিদিনই করছি &lt;img style="border-width: 0px;" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/4.gif" title="দেঁতো হাসি" alt="দেঁতো হাসি" /&gt;&lt;/p&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;চালের দাম কমেছে। নির্বাচনের দেড় সপ্তাহের মাথায় এই ঘটনা থেকে অনেকেই দুইয়ে দুইয় চার করার চেষ্টা করছেন। আমি চেষ্টার লাইন বাদ দিয়ে সোজা কয়েক দোকান ঘুরে সব থেকে কম অফার দেখে কিনে ফেললাম। একদুই কেজি না। একবারে ১০ কেজি। কোত্থেকে এসেছে পরিস্কার লেখা নাই। বাসমতি চাল যেহেতু, ৮০% সম্ভাবনা পাকিস্তান আর ২০% ভারত। যাই হোক সস্তা বলে কথা। আফগান দোকানে বাসমতির দাম যে খানে কখনোই দুই আড়াই ইউরোর নিচে নামে না সেখানে একেবারে কেজিপ্রতি এক ইউরো চল্লিশ সেন্টের অফার। দেখামাত্র সাতপাঁচ না ভেবে দুই হাতে দুইটা পাঁচ কেজির ব্যাগ নিয়ে সোজা বাড়ি। বাড়ি এসে দেখি কোম্পানির নাম আল জাজিরা। এই চাল কিনবার দিন থেকেই সচলে লেখালেখি বন্ধ। এই নিয়েই চিন্তায় ছিলাম। চালই কি তাহলে আঙ্গুলে বান মারলো? এইসব ধুনফুন ভাবতে ভাবতে শেষে পূর্বপুরুষকে কিছু না-হক গালাগালি করে লগ ইন করলাম সচলে। তারপর সোজা ব্লগ লিখুনে ক্লিক করে শুরু করলাম আল জাজিরা ব্লগিং ....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৩. &lt;/p&gt; &lt;p&gt;জার্মানীর নির্বাচনের আগে একটা সিরিজ শুরু করেছিলাম। সেটা চালাবার প্রতিশ্রতি থেকে সরে আসছি না। যদিও কবে ঠিকঠাক মতো একটা রিভিউ লিখতে পারবো জানি না। হতে পারে এই হপ্তাতেই। হতে পারে পরের মাসে। ততদিনে ইস্যু অবশ্য বাসি হয়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। তবুও লিখবার পরিকল্পনাটা মাথায় ধরে রাখছি। দেখা যাক আল জাজিরা কতদূর লেখায়।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;জার্মানীর ইতিহাসের সব থেকে খারাপ কোয়ালিশন এখন ক্ষমতায়। এরকম সর্বাত্মক ডানপন্থী কোয়ালিশন অতীতে এখানে গদীতে বসেনি। আশা বলতে একমাত্র রিসেশানটাই আছে। আর্য বুর্জোয়ারা যদি অন্তত রিসেশানের দোহাই দিয়েও একটু কম ব্যাথা দেয় এরকম ভ্রান্ত প্রত্যাশায় থাকার চেষ্টায় আছেন আমিসহ আরো বহু দক্ষিণপন্থা বিরোধীরা। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;৪.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;আঙ্গুলের খানিক ব্যায়াম হলেও লেখা আসলে হচ্ছে কী না পাঠক বলতে পারবেন। তবে ব্যায়াম ছাড়া লেখা বের হবে না এটাও ঠিক। যারা লেখার মান নিয়ে চিন্তায় আছেন তাদের একটা কথাই বলতে পারি, আঙ্গুল থামাবেন না। লোকে যাই বলুক। আপনার লেখা যদি ধুনফুন হয়ে থাকে তো লোকে ধুনফুন বলবেই। তাতে বরং আরো লেখার সেক্স বেড়ে যাবার কথা। দ্বিতীয়তে না হলেও অন্তত চতুর্থ চেষ্টায় দেখবেন লেখায় সদ্য তোলা নানরুটির ভাঁপ। পাশে খিরিগুর্দার ঝোল ....&lt;/p&gt; &lt;p&gt;একটা গান দিয়ে শেষ করি। গানটা শচীন দেব বর্মনের। আধ্যাত্মিক গান। কিন্তু উপাদেয়। এখানেই গায়কের মুন্সীয়ানা। কর্তার স্কিল এতোই উপরের যে ডিজুসদেরকেও কানে ধরে মারফতি গান শুনতে বাধ্য করতে পারেন। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;এম্বেড করতে গিয়ে দেখি ইস্নিপসের ঐ ফাইলে এম্বেডের কোড নাই। &lt;a href="http://www.esnips.com/doc/01df3bc9-8d9e-4c5d-ac9f-2c5da237c866/122.-Shyam-Rup-Dhoriya-Esechhe-Maron_Sachin-Dev-Burman" target="_blank" class="bb-url"&gt;অনেক্ষণ আনাড়ির মতো গুতাগুতি করে শেষে এভাবেই লিঙ্কু দিলাম&lt;/a&gt;।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;দোষ আমার না। ইস্নিপসের আর আল জাজিরার ....&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-2795212200177317708?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/2795212200177317708/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=2795212200177317708' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/2795212200177317708'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/2795212200177317708'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/11/blog-post_04.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৬'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SvHKz1mL-6I/AAAAAAAAAIE/PKY6xAgUxf8/s72-c/sdburman_8477.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-4115139506547176195</id><published>2009-11-02T14:04:00.003+01:00</published><updated>2009-11-03T08:30:08.955+01:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='এসিডিসি'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৫</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Su7ZH74mgUI/AAAAAAAAAH8/1jqpQjicF38/s1600-h/acdc-cover.thumbnail.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 200px; height: 182px;" src="http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Su7ZH74mgUI/AAAAAAAAAH8/1jqpQjicF38/s320/acdc-cover.thumbnail.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5399491733621211458" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;মিউনিখ থিকা ফিরছি দুই সপ্তাহ হইয়া গেলগা। ছুটির আমেজ গায়ে ল্যাপ্টাইয়া আছে। কিছুতেই ছুটাইতে পারতেছি না। কালকে থিকা আবার একটা ব্যস্ত সপ্তাহের শুরু। কাজ যত বাড়ে কাজের ইচ্ছা তত কমে। এইসবের মধ্যে একেকটা উইকেন্ড একেকটা মুক্তাঞ্চলের মতো। তাও যদি আবার বদ আবহাওয়ায় খাইয়া ফালায় তাইলে ইজি থাকা কঠিণ। গতকালকে সকাল থিকা শুরু হইছে টিপটিপ বৃষ্টি। থামার নাম ভূলেও নেয় নাই। এরকম পরিস্থিতিতে মনমেজাজ খারাপের মাত্রা থার্মোমিটার ফুটা কইরা বাইর হইয়া যায়। তখন ভালো খারাপের মতো প্যারাডক্সগুলি মগজে বান মারতে থাকে। চৈতন্য ধুন্ধুমার ব্রাশফায়ারে ছ্যাতড়াব্যাতড়া হইয়া কৈ কৈ জানি পৈড়া থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কী কী জানি লিখতে চাইছিলাম, কী কী জানি করতে চাইছিলাম এরকম ভাবতে ভাবতে শেষ পর্যন্ত কিছুই না কইরা আবারো ভুনাখিচুড়ি আর গরুর গোস্ত খাইলাম &lt;a href="http://www.sachalayatan.com/sobujbagh/22695"&gt;হরমুজ বিএসসি আর তার ছোটভাই মঞ্জুর মতো&lt;/a&gt;। খাইয়া দেখি আরো ফাঁপর লাগে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টিভি ছাড়লাম। অখাদ্য কোন সিরিয়াল দেখার চেষ্টা করতে গিয়া মেজাজ আরো চড়তে শুরু করলে গেলাম নিউজ চ্যানেলে। সেইখানে তো গত তিন দশকের মধ্যে ইজি হওয়ার মতো কিছু নাই। আগেও মনে হয় ছিল না। কিংবা ছিল ...কৈতারিনা ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরানা সিডিগুলি ঘাঁটি। একটা বা দুইটা বা আধাখান বা সোয়াখান শুইনা পাল্টাই। কোনটাই মনে ধরে না। বিশেষ কইরা ভালো গানগুলি। শেষমেষ হঠাৎ খুঁইজা পাই বহুদিন আগে এদিকওদিক থিকা জোগাড় করা একটা কালেকশান। ক্লাসিক রক-হার্ড রক আর মেটালের পারফেক্ট সমন্বয় করা একটা ব্যান্ডই আছে আমার সংক্ষিপ্ত অভিজ্ঞতা মতে। কোন চিন্তাযোগের বদলে বিক্ষিপ্ত চৈতন্যে অন্যায়ভাবে হইলেও খানিক ফুর্তি যোগ করার মতো সেই ব্যান্ড এসি/ডিসি। অনেকেই শুধু না, আমার প্রতিবেশের প্রায় সকলেই এই গ্রুপটারে বিশেষ অপছন্দ করে। হয়তো সেইটাও আমার প্রায় দুইদশকপুরানা এসি/ডিসি প্রেমের একটা কারণ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার সেই সিডিগুলিতে একেবারে হাই ভোল্টেজ(১৯৭৪) থিকা শুরু কইরা রেজারস এজ(১৯৯০) পর্যন্ত পুরা কালেকশান। ক্যাম্নে কৈ পাইলাম সেই আলাপ অবান্তর। তবে আছে এইটা ঘটনা। জাহাঙ্গীরনগরে থাকতে বলব্রেকার(১৯৯৫) শুনছিলাম। অত মজা লাগে নাই। সত্যি বলতে আমার আসলে এসিডিসির প্রথম ভোকাল বোন স্কটরেই বেশী ভাল্লাগে। ব্রায়ান জনসনও মৌলিক। তবে সত্তর দশকে ওরা সবাই পোলাপান ছিল বইলা ঐসময়কার গানগুলিতে আলাদা মজা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তো শুরু করলাম একেবারে প্রথম অ্যালবামের প্রথম গান জেইলব্রেক থিকা। শেষে ভিডিও বাইর করলাম ইউটিউবে :&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="560" height="340"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/H389yLb87fo&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/H389yLb87fo&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একবার শুনলাম দুইবার শুনলাম তিনবার চাইরবার এরকম কইরা পাঁচ নম্বরের পরে ট্র্যাক পাল্টাইয়া ডার্টি ডীডস ডান ডার্ট চীপ, তারপর লেট দেয়ার বী রক, রক অ্যান্ড রোল এইন্ট নয়েজ পলিউশান, বিগ বলস্, রাইড অন, গার্লস গট রিদম, প্রব্লেম চাইল্ড ... ...অনেক দিন পরে শুধু গান শুইনা রাপু খাপাং !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপরে শুরু করলাম ১৯৮১ সালের ব্যাক ইন ব্ল্যাক, যেইটাতে ১৯৮০ সালে বোন স্কট ব্রেইন টিউমারে মারা যাওয়ার পর ব্রায়ান জনসন প্রথম শুরু করে ভোকাল হিসাবে। একে একে য়ূ শুক মি অল নাইট লঙ, নিক অফ টাইম, ব্যাক ইন ব্ল্যাক, দ্যাটস দ্য ওয়ে আই ওয়ানা রক অ্যান্ড রোল, রক ইওর হার্ট আউট, রেজারস এজ'এর মতন মারাত্মক ট্র্যাকগুলি পার হইয়া ইউটিউব ঘাইটা বলব্রেকারের গানগুলা বাইর কইরা শুনলাম। ২০০০ সালে স্টিফ আপার লিপ নামে আরেক্টা অ্যালবাম বাইর করছিল। ঐটা অত ভালো লাগে নাই আগে শুইনা। এইবারও লাগলো না। শুনলেই মনে হয় আমাদের সময়কার হিরোরা সব বুড়া হইয়া গেছে। সেই ধার আর নাই।  মাঝে বহুদিন বা বহুবছর এই লাইনের কোন খোঁজ খবর রাখি না। আইজকা এই ইউটিউব ঘাঁটতে গিয়া জানলাম যে ২০০৮ সালের অক্টোবরে আমাগো সময়ের পুরানা গুরুরা ব্ল্যাক আইস অ্যালবামে আবারো ফাটাইছে! শুনলাম প্রথম গানটা। শরিরটা পুরা ঝাঁকি দিয়া উঠলো ১৯৯২-৯৩ তে তেজগাঁও কলেজযূগের মতন। সেই স্বাদ, অ্যাঙ্গাস ইয়াঙের সেই গুল্লি গীটার। কোন হালায় কয় হার্ড রকের দিন শ্যাষ? হার্ড রক আছে ...অন্তত যতদিন এই চিরদিনের স্কুলবয়গুলা আর আমার মতো শ্রোতারা আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এসি/ডিসি'র ভক্ত-অভক্ত-অ্যালার্জিধারী এবং আগে কোনদিন নাম বা গান না শোনা গো উদ্দেশ্যে দিলাম ইউটিউবে পাওয়া এই অরিজিনাল ভিডিওটা ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/sUm8CauSLqA&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/sUm8CauSLqA&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যতই গাইল দ্যান একটা কথা মানতে হইবো এরা কোনদিন কারো নকল করে নাই। এরা এমন একটা কায়দায় গান করে যেইটা নকল করা যায় না। খালি শুইনা পচুর আনন্দ কাড়া যায় :D&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বোন স্কটের মতো আমারো ধারণা রাক অ্যান্ড রোল এইন্ট নয়েজ পলিউশান ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/HTvqMv8sqJY&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/HTvqMv8sqJY&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-4115139506547176195?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/4115139506547176195/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=4115139506547176195' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4115139506547176195'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/4115139506547176195'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/11/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৫'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Su7ZH74mgUI/AAAAAAAAAH8/1jqpQjicF38/s72-c/acdc-cover.thumbnail.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-1352809197103421875</id><published>2009-10-13T19:50:00.000+02:00</published><updated>2009-10-13T19:52:55.377+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বাণিজ্য সম্ভাবনা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আড়িয়াল খাঁ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মিউনিখ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মহাস্থানগড়'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অক্টোবর ফেস্ট'/><title type='text'>মিউনিখনামা : অক্টোবর ফেস্ট</title><content type='html'>&lt;p&gt;ভূতের মতো কয়েকদিন টানা কাজ কইরা তারপর ছুটি নিলাম হপ্তাখানেক। নেওয়াটা ফরজ ছিল। কিন্তু সপ্তাহ পার হইয়া যাওয়ার পরেও দেখি আর কাজে ফিরতে মন চায় না। মন না চাওয়াটা একটা জটিল সঙ্কট। বয়স বাড়তে বাড়তে মনের এই বেয়াড়াপনা বাড়তেছে আর পাল্লা দিয়া কমতাছে মনের উপর জোর খাটানোর ক্ষমতা। এইটার চিকিৎসা আদৌ আছে কী না জানিনা। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;আগস্টের শেষে কাসেলের সচল সম্বেলনের সময় থিকাই প্ল্যান কইরা রাখছি এইবার অক্টোবর ফেস্টে যাইতেই হইবো। টার্গেট ২৫ সেপ্টেম্বর। যারা যারা যাবে সবার সাথে সব কথাবার্তা পাকা। এরমধ্যে ২৩ তারিখ বিকালবেলায় খিয়াল হৈল...থুক্কু..তীরন্দাজরেই জানানো হয় নাই! ২৪ তারিখ বিকালে দিলাম ফোন। খাইলাম ঝাড়ি। খাওয়ারই কথা। তিনি জানাইলেন পুরা সময় দিতে পারবেন না। যাই হোক সময় শেষ পর্যন্ত ঠিকই দিলেন। মানে আমরা একরকম জুলুম কৈরাই আদায় করলাম আর কি &lt;img style="border-width: 0px;" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/4.gif" title="দেঁতো হাসি" alt="দেঁতো হাসি" /&gt; । এরকম জুলুম ভবিষ্যতে আর হবে না ইত্যাদি প্রতিজ্ঞার পর্ব দ্রুত শ্যাষ কইরা শুরু হইলো আমাগো মিশন ম্যুনশেন'০৯।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;ধূসর গোধুলির ধারণা ছিল ২৫ তারিখ শনিবার। এরকম ধারণা থাকার ফলাফল যা হওয়ার তাই হইল। অর্থাৎ ২৫ তারিখ দুপুরে কাসেল থিকা মিউনিখ যাত্রী সংখ্যা খাড়াইলো সাকুল্যে দুইজন। হাসিব আগের দিন থিকাই মিউনিখে। বাইছা বাইছা যেইটাতে সবচাইতে কম গাড়িবদল করা লাগে রেলস্টেশনের মেশিন থিকা এরকম একটা যাত্রাসূচি নেওয়া হইল। কাসেল-ফ্রাঙ্কফুর্ট, ফ্রাঙ্কফুর্ট-ভুইর্ৎসবুর্গ, ভুইর্ৎসবুর্গ-ন্যুরেনবার্গ, ন্যুরেনবার্গ-মিউনিখ। মোট তিনবার গাড়ি বদলানো। ২০০৬ সালে একবার সাতবার গাড়িবদলের লাইন ধইরা খবর হইয়া গেছিল। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;৩. &lt;/p&gt; &lt;p&gt;ফ্রাঙ্কফুর্ট নাইমা লাগলো খিদা। দুইজনেরই প্যাট খালি। বেশ প্যাটভরাইয়া খাওয়া লাগবো কারণ মিউনিখ পৌঁছাইতে রাইত নয়টা। প্ল্যাটফর্মের ভিতরে দুইচক্কর দিয়া কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ফেসিবাদী অবস্থানে যাইতে ব্যর্থ হইয়া গেলাম বাইরে। স্টেশন থিকা সোজা বাইর হইয়া ম্যুনশেনার স্ট্রাসের একটা দোকানে ঢুকলাম। লোকজনের চেহারা দেইখা মনে হইলো তুর্কি কিংবা ইরানি। খিদার জ্বালায় গপ গপ কইরা খাইলাম। কিন্তু যা খাইলাম সেগুলা যথেষ্ট অখ্যাদ্য। দোকানের নামটা আমি ভুইলা গেছি। হিমুর মনে আছে। ফ্রাঙ্কফুর্টে ট্রানজিট থাকলে কেউ আর পারতোপক্ষে ঐ দোকানে খাইয়েন না। পথে অবশ্য প্যাট নামে নাই। যা ভয় ছিল। আমার হৈল তার উল্টা। পুরা বন্ধ। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;তারপর বহুসময় পার কইরা আরো দুইবার গাড়ি বদলাইয়া যখন মিউনিখে পৌঁছাইলাম তখন বাজে রাত ৯টা। হাসিব অপেক্ষায় ছিল প্লাটফর্মে। তীরন্দাজের বাড়ি ফিরতে তখনও ঘন্টা তিন। বসলাম তিনজনে মিউনিখ স্টেশনের বাইরে একটা দোকানে। নানান কথা। কথার কি শেষ থাকে তিনজন সচল এক জাগা হইলে? &lt;/p&gt; &lt;p&gt;৪.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;তীরন্দাজের বাসায় যখন ঢুকলাম তখন রাইত বারোটা। কোমরে হাত দিয়া ভদ্রলোক যেইভাবে আমাগো ত্রিমুর্তিরে মাপলেন সেইটা একটা দৃশ্য। বৌদি আগেই বাসায় আইসা শুইয়া পড়ছেন। আমরা ফিসফিস কইরা গিয়া বসলাম ড্রইংরূমে। কিসু খাবো না খাবো না করতে করতে পুরা এক ঠোঙ্গা রুচি চানাচুর(ঝাল) মাইরা দিলাম। লগে ফ্রিজে থাকা শেষ বীয়ারটাও। জানলাম পরদিন বেলা তিনটার পর থিকা সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি নাই। অর্থাৎ অক্টোবর ফেস্টের মালোৎসবে আমরা তারে পাইতেছি না। পার্টিক্লান্ত তীরন্দাজরে ঘুমাইতে না দিয়া ঘন্টাখানি চললো নানান ধুনফুনালাপ। উশি ভাবী আমরা আসার আগেই দোতলায় আমাদের থাকার উত্তমব্যবস্থা কইরা রাখছিলেন। এই রকম জুলুমের পরে লজ্জিত হওয়ার নিয়ম থাকলেও আমরা নির্লজ্জ্ব ত্রিমুর্তি মুখে কান পর্যন্ত হাসি নিয়া শুইতে গেলাম। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;৫.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;মাঝরাতে আর শেষরাতে আমার ঘুম ভাঙলো দুই থেকে তিনবার। হিমু এবং হাসিব দুইজনের নাকই কথা বলে। অথচ অতীত অভিজ্ঞতা থেকে নিশ্চিত জানতাম সকাল হইলে নাকডাকার বা ডাকানোর অভিযোগ আমার ঘাড়ে আইসাই পড়বে। এবং অবধারিতভাবে তা পড়লোও। তবে এইবার আমারো কিছু বলার থাকায় এক্টু ইজি লাগতেছিল। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;জম্পেশ প্রাতরাশের পর বাইর হইলাম একটু শহরে ঘুরতে। শহর ঘুরা মানে মহল্লার একাংশ আর কি। মিউনিখ অতি বিশাল। তীরন্দাজের বাড়ি থিকা বাইর হইয়া রাস্তা পার হইলেই অলিম্পিয়া পার্ক। ১৯৭২ সালে অলিম্পিক উপলক্ষে বানানো। পার্কের মাঝখানে এক জায়গায় একটা ঢিবির মতো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের যাবতীয় ধ্বংশস্তুপ জড়ো কইরা বানানো ঢিবি। কিছুক্ষণ চাইয়া থাকলে বুক ঢিপ ঢিপ করে। এদিকে তীরন্দাজ তাড়া দেয়। আমরাও দেই এবং তাড়িত হই। ধুসর গোধুলি রাস্তায়। তার আইতে আর নাকি মিনিট বিশেক। ফিরতি পথে আবার তীরুদার বাড়ি। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;এদিকে গোধুলির বিশমিনিট আর শ্যাষ হয় না। ঘন্টা খানেক পর ফোন কইরা জানা গেলো রাস্তা প্যাচাইছে। নানারকম এদিকএদিক ডিরেকশান দিয়া অবশেষে বেলা একটাসোয়াএকটা নাগাদ তীরুদার বাড়ির সামনে আইসা একটা গাড়ি থামলো। ওরে খাইছে! গাড়িতে দুই পিছ স্বর্ণকেশী আর্যবালিকা। বিদায় নিবার কালে আবার তাগো লগে খানিক জাবড়াজাবড়িও কৈরা নিল। তীরুদা হাসি মুখে বললেন, এইনা হৈলে ধুগো !&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৬. &lt;/p&gt; &lt;p&gt;খিদা লাগছিল সেইরকম। ঠিক হৈল সবাই একলগে যামু মণ্ডপে। সেইখানে তীরুদারে রাইখা চারমুর্তি যামু টেরিযিয়ানভেযে নামের সেই বিরাট মাঠে যেইখানে অক্টোবর ফেস্ট নামের সেই মাল খাওয়ার উৎসব চলিতেছিল জশনে জুলুছে। এর মধ্যে আবার পুতুলের ফোন। ডিনারের নিমন্ত্রণ। অর্থাৎ মাল খাইতে হবে কিছুটা খিয়াল কৈরা। পরদেশে রাপু খাপাং হইলে হয়তো ট্রামবাসের লাইনটাই শুধু পামু। উঠা আর হৈবো না। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;পূজামণ্ডপে গিয়া যখন পৌঁছলাম তখন বেলা আড়াইটা। আশৈশব রায়ের বাজারে মানুষ। শৈশবের সব থিকা রঙ্গীন স্মৃতিগুলির সাথে ঢাকের বাদ্য শুনতে পাই। ঢাক শোনা হৈল না। তবে প্রতীমা দেখলাম। মনে হৈল দূর্গতিনাশীনি চারমূর্তির দিকে চাইয়া রহস্যময় হাসি দিতেছেন। অনেক পুরনো বান্ধবের দেখা মিলল। ওদিকে পেটে চোচো করতাছে। ডেগচির উপর ঝাপাইয়া পড়লাম। অসাধারণ। শেষ কবে এর থিকা ভালো খিচুড়ি খাইছিলাম মনে পড়ে না। সব্জিটাও সেরকম। আর তারুপর বহুকাল পরে খাওয়া প্রসাদ। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;একটা মজার কথা শুনলাম। মিউনিখে নাকি দুইটা মণ্ডপ হইছে। একটা বাংলাদেশের আরেক্টা ভারতের। শুইনা ভালো লাগলো। লাগলো কি? না কি কিছুই লাগলো না? &lt;/p&gt; &lt;p&gt;কী জানি?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৭.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;অক্টোবর ফেস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহান্ত ফেসিবাদী ইতালিয়ানদের নাম কৈরা হয়। ঝাঁকে ঝাঁকে মালখোর মুসলিনির দেশ থিকা হিট্লুর দেশে আসে। এইটা জানা থাকলেও আমাগো ছুটিছাটা হিসাব কৈরা অন্য সপ্তাহান্তগুলাতে জাগা বাইর করা গেলো না। তাই ২৬ সেপ্টেম্বরেই আইতে হৈলো গজব ভিড় সত্বেও। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;মাঠের কাছে আইসা দেখি মানুষ যাইতে আছে বানের লাহান। মাঝে মাঝে রাস্তার ধারে বেখুদি মে কদম ল্যড়খড়ানো লোকজন দেখা যায়। আমাগো প্যাটে তখনো শুধুই পূজার খিচুড়ি। পানিও খাই নাই খাওয়ার পরে। এক্টু কোক খাইছিলাম। সেইটা নিয়মাফিক তৃষ্ণা বাড়াইছে। আবহাওয়াটাও বীয়ারের। স্রোতের লগে লগে ঢুইকা গেলাম একসময়। পরিস্থিতি হৈল আপনার আর কষ্ট কৈরা হাঁটা লাগবো না। জনস্রোতের কোন এক জাগায় খাড়াইলেই হৈবো। হাসিব যেহেতু জুম্মাবারে একবার আইসা গেছে সুতরাং আমাগো মধ্যে অক্টোবর ফেস্টের ভূগোলটা সেই জানে একমাত্র ঠিকঠাকমতো। সবার আগে হাসিব, তার পিছে আমি, তার পিছে হিমু আর সবার পিছে মনির হোসেন। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;যাইতে যাইতে আশেপাশে দেখতেছিলাম বাভারিয়ার শত শত লোকাল ব্রুইয়ারির তাঁবু। আমাগো গন্তব্য ছিল লোয়ভেনব্রয়। সেইটা আবার মোটামুটি বিশ্ববিখ্যাত। বেশী বিখ্যাত জিনিস আমাগো পোষায় না। লোয়ভেনব্রয়ের বীয়ার গার্টেনের এন্ট্রি দিয়া ঢুইকা এক্সিট দিয়া বাইর হইলাম। কিংবা ভাইসভার্সা, বুঝলাম না। তবে ঘটনা হৈল যে দাঁড়ানোর জাগা নাই। আর ভিড়টা মোটেও সুস্থির না। আমরা ছাড়া সবাই মোটামুটি লাইনে আইসা পড়ছে। ভিড়ের ঠেলায় এক্কেরে মেলার শেষ মাথায় বাইর হইয়া কোনমতে চাইরজন একজাগা হৈলাম। ক্যামনে কি? হালার মাল খাইতে আইসা জাগা পাই না...এইটা এক্টা কথা? কথা তো না। কিন্তু যাই কৈ? তাঁবুতে জাগা পাওয়া সম্ভবও না ইচ্ছাও নাই। বীয়ার গার্টেনগুলাতে দাঁড়ানোর জাগাও নাই। তাইলে? মনে ক্ষীণ আশঙ্কা তৈরী হৈলো, তবে কি এই পূণ্যতীর্থ থিকা মালবঞ্চিতভুদাইচিত্তে বিদায় নিতে হৈবো? আমার জাবি'র এক বন্ধুর কথা মনে পড়লো। সে নাকি একবার শিবপূজার সময় বেশ স্নানটান কৈরা ধবধবা ধূতিপাঞ্জাবী পৈড়া সন্ধ্যার সময় বাবাজ্যাঠামশাইকাকাদাদাগো লগে মন্দিরে গিয়া বইছে। যথাসময়ে বাবার প্রসাদে মুখাগ্নি হৈলো। কিন্তু কল্কির কক্ষপথ আমার বন্ধুরে মিস কৈরা গেলোগা। একবার না পর পর চাইরবার। শেষে গুরুজনদের উপর বীতশ্রুদ্ধ হৈয়া আমার বন্ধু শ্রীমঙ্গলবাজার থিকা পোটলা কিনা ম্লেচ্ছ কায়দায় খোলে ভইরা খাইছিল। আমরাও কি তাইলে কল্কি পামু না?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;হাসিব নানান হিসাব নিকাশ কৈরা কৈল সেই ক্ষেত্রে আমাগো আবার মেলার প্রধাণ গেটের কাছাকাছি গিয়া দেখতে হৈবো আউগুস্টিনারের বীয়ার গার্টেনে জাগা আছে কি না। তবে এইবার এক্টা আলাদা তড়িকা। সেইটা হৈল যারা বইসা আছে তাগো কেউরে দিয়া অর্ডার দেওয়াইতে হইবো। কারণ ফেসিবাদী ওয়েটাররা নাকি বেঞ্চে পাছাপাতা নাই এমন কাউরে সার্ভ করে না। আরো জানা গেলো গতকালকে তিনি এইখানেই আসছিলেন। সাথে বেগানা সফেদ জেনানা। এবং তারাও ঐ বইসা থাকাদের কৃপাতেই প্রসাদ পাইছেন। যাইহোক একপর্যায়ে ঢুকা গেলো সেই বীয়ার গার্টেনে। আউগুস্টিনার এমনিতে বীয়ার হিসাবে খুবই ভালো। যদিও মিউনিখের বাইরে তেমন পাওয়া যায় না। গতবার কাসেলের আসার সময় তীরুদা পুরা এককেইজ নিয়া আসছিলেন। সেই কেইজটা শেষ হইছে মিউনিখ যাওয়ার তিনদিন আগে। ভিতরে যে ঢুকবো সেই জায়গা পাইতেও গেলোগা বিশ মিনিটের মতো। আমার আশঙ্কা ছিল ফট কইরা রোইদ পৈড়া গেলে মাসবীয়ার (এক লিটারের গ্লাসরে মাস কয়) খাইয়া সঠিক চাম পাওয়া যাইবো কি না। লগে সবুজ বাঘের কথাও মনে পড়লো। আবর্ত ভালো হোক বা না হোক বোতলে যদি মদ থাইকা থাকে টাল তাতে হৈতেই হৈবো। তা সে পরিবেশন বা পরিবেশ যাই হোক না ক্যান। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;বীয়ার গার্টেনে ঢুইকা হাতের ডাইনের প্রথম বেঞ্চিতে ড্রিন্ডলার পড়া এক্টা সেরকম বালিকা। ভাবভঙ্গীতে বুঝা যাইতেছে কম্পক্ষে দুইটা মাস এরমধ্যেই গিলছে। তারসাথে আরো পোলাপান। কারো বয়সই চোখের আন্দাজে বিশের উপর মনে হৈলো না। যাইহোক ডাইনদিকের বেঞ্চে সর্ববামে বসা বালিকাই আলোচ্য। মনির হোসেন তারে নানান ধুনফুন বুঝাইয়া শেষেমেশ রাজি করলো। যদিও এর মধ্যে ফেসিবাদী ওয়েটার বার দুয়েক আইসা ঘুইরা গেছেগা। তিনবারের বার তিনটা বীয়ার পাওয়া গেলো। হাসিব জানাইলো সে খাইবো না। তার যুক্তি সবাই টাল হৈলে শেষে বাড়িজ্জাওনের রাস্তা পাওঞ্জাইবো না। যাই হোক ঠ্যাঙ্গের উপর খাড়াইয়াই প্রথম চুমুক দিলাম। সেই বালিকাসহ চাইরজনে একলগে গ্লাস বাড়ি দিয়া কৈলাম, আউফ দ্দীণূ ! বালিকা জিগায় দ্দীণূ কে? বলা হৈলো সে আমাগো এক হতভাগ্য বন্ধু। ফেসিবাদী বস ছুটি না দেওয়ায় সে আসতারে নাই। এরপর তার লগে আরো দুই তিনবার বাড়ি দিয়া দ্দীণূর সাস্থ্যকামনা করা গেলো। এরমধ্যে বামদিকে আস্তে আস্তে কিছু জাগা পাওয়া গেলো। পাশের এক মহিলা শুরু করলো খাজুইরা আলাপ। সে আইছে সকাল দশটায়। লগে তার খসম। সেই সকাল থিকা শুরু করছে এখনো চলতাছে। তার খসমরে দেখা গেলো একটু পর পর টেবিলের তলে যায়গা। সে বার দুইতিন কীজানিএক্টা কৈতে চাইলো আমারে। পরিস্কার বুঝা গেলো না। এরমধ্যে দেখি মনির হোসেন আধাগ্লাসেই মোটামুটি লাইনে। সে তার পার্শ্ববর্তিনীর লগে জমাইয়া বইছে। ভদ্রমহিলার বয়স ভালৈ হৈবো। তবে এন্থুসিয়াস্টিক। মনির হোসেন তারে আমাগো অনুপস্থিত বন্ধুর নানান দাঁস্তাঁয়ে শুনায়। এইকান সেইকান থিকা সেইটা পুরা টেবিলে তার্পর টেবিলান্তরে যায়গা। এক একবার বড়ো চুমুক দিতে গেলেই গিলাসে সমবেত বাড়ি "আউফ দ্দীণূ !"। এক পর্যায়ে সেইটা প্রায় পুরা বীয়ার গার্টেনে ছড়াইয়া গেলোগা। হাসিবও এক্টা গিলাস নিয়া দিলো মালে বাড়ি ..... প্রায় অর্ধশতাধিক মালখোর কোরাসে আওয়াজ দেয়....আউফ দ্দীণূ !&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৮.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;দুই নম্বর মাস শেষ কইরা বুঝলাম আরো আউগাইলে খবরাছে। মানে তখন বাড়ি যাইতে তৃতীয় না পঞ্চম-ষষ্ঠব্যক্তির হেল্প লাগবো। এরকম ব্যক্তি তখন বাঘের চোখের মতোন। মেজাজটেজাজ বেশ ভাল্লাগতেছে। ওদিকে আকাশে গোধুলির আভাস। আরেকদিকে দুইলিটার বীয়ার জনিত প্রক্ষালনচাপ। সুতরাং রংমহল থিকা বাইর হৈতে হৈলো। বাইরে যাইতে গিয়া দেখি চাপের মাত্রা পদক্ষেপের ব্যাস্তানুপাতে বাড়ে। মেইন গেটের কাছে আইসা পাওয়া গেলো গণশৌচাগার। তার পরিস্থিতিও সেরকম। অতিবৃহৎ কিউ। জনতাব্যাঙ্কে নব্বুই দশকের দ্বিতীয়ার্ধে ইলেকট্রিক বিলের লাইনের মতন। যাই হোক কেমনে জানি অপেক্ষা করতে পারলাম। তারপর মোটামুটি ক্লিয়ার হৈয়া আইসা দেখি মনির হোসেনের সাথে কী নিয়া জানি হিমুর লাগছে। এইটা নতুন কিছু না। সুতরাং ধীরেসুস্থে টেরিযিয়ানভীযে থিকা বাইর হৈলাম। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;বাইর হইয়া খোলা আকাশের নিচে খোলা বাতাসে স্টেশন পর্যন্ত অনেকটা হাঁটা পথ। অনেক পরিকল্পনা হৈলো। রীতিমতো মারাত্মক সব বিজনেস আইডিয়া। বাংলাদেশের বোকা ব্যবসায়ীরা হয়তো কোনদিনই সেগুলা খাইবো না। সেইটারো একটা সমাধান বাইর করা হৈলো। সবার আগে এক্টা জ্যাকপট জিতা লাগবো। তারপর সেইটার অর্ধেক দিতে হৈবো প্রয়োজনমতো কয়েকজন মন্ত্রীআমলারে পাদার্কি (রুশ ভাষায় বিশেষ উপহার &lt;img style="border-width: 0px;" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/4.gif" title="দেঁতো হাসি" alt="দেঁতো হাসি" /&gt;) হিসাবে। বাকি অর্ধেকে একটা বিরাট ব্রুইয়ারী। ব্র্যান্ডের নাম হৈবো আড়িয়াল খাঁ। মানস চউক্ষে দেখলাম পাবলিক ছাপড়া হোটেলে ঢুইকা কৈতাছে, ঐ কালু একটা আড়িয়াল খাঁ আর দুইটা কিমাপুরী ........&lt;/p&gt; &lt;p&gt;এর মধ্যে হাসিব না হিমু কে কইলো মনে নাই, যে আমাগো দেশে বীয়ারের কারখানা বানানোর মতো উদ্বৃত্ত গম নাই। আমি চিন্তাভাবনা কৈরা কৈলাম তাইলে আমাগো যেইটা টিপিক্যাল সেই বাবার প্রসাদরেই টার্গেট করা হোক। টেরিযিয়ানভীযের মতো মহাস্থানগড়ের গাঁজা উৎসবের মাঠটারেই নেওয়া যাইতেরে। বঙ্গদেশের থিকা ভালো গঞ্জিকাতো আর কোথাও নাই। সাধুরা আর বিদেশীরা পাল্লা দিয়া টানবো। হোটেলগুলি থাকবো ঐ মাঠ থিকা কম্পক্ষে দশ কিলোমিটার দূরে। তাইলে শুধু হোটেল ভাড়া না ট্যাক্সি ভাড়াবাবদও সরকার অনেকগুলা রেমিট্যান্স পাইবো। কিন্তু এইসব ভাবনা কি তাগো আছে? নাই। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;কানে তাঁদের লুহার তালা .......&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-1352809197103421875?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/1352809197103421875/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=1352809197103421875' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/1352809197103421875'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/1352809197103421875'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/10/blog-post.html' title='মিউনিখনামা : অক্টোবর ফেস্ট'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-3559646688879116919</id><published>2009-10-06T19:05:00.004+02:00</published><updated>2009-10-06T19:10:59.362+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='চীন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৬০ বছর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='বিপ্লব'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>বোকাবুড়োরা কি কোনদিন পাহাড় সরাতে পারেন?</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Sst5E1f3a9I/AAAAAAAAAH0/nrmsG70nNMA/s1600-h/Mao3.thumbnail.jpg"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 136px; height: 200px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Sst5E1f3a9I/AAAAAAAAAH0/nrmsG70nNMA/s320/Mao3.thumbnail.jpg" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5389534503066102738" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;না রে ভাই আমার লগে তর্কটর্ক কইরা লাভ নাই। আমি কাউরে ডিফেন্ড করতে আসি নাই। কারো কারো যেমন আইয়ুব বাচ্চুর গান ভালো লাগে গণবিপ্লবের ইতিহাসগুলা হয়তো আমার অনেকটা ঐরকমই। ভাল্লাগছে তাই শেয়ার করলাম। কারো ভালো না লাগতেই পারে। এইটাতো মুল্টিকুল্টির যূগ। তাছাড়া দিনকাল পাল্টাইয়া গেছেগা। আর দুইদিন পরে ভার্সিটিগুলাতে আইটি আর বিজনেস ছাড়া আর কিছু পড়ানো হইবো না। কারণ আর কিছুর তো দরকার নাই। ক্রিটিক্যাল সায়েন্স বইলাও কিছু নাই। থাকলেও সেইটা বাতেনি। শ্রেণী বইলাই কিছু নাই তার আবার শ্রেণী সংগ্রাম। কিছু সামাজিক অসমতা আছে। তার বেশীর ভাগই প্রাকৃতিক। বাকিটা জনসংখ্যা আর অশিক্ষার ফল। একটা ভালো বাণিজ্য চুক্তি হৈলেই সব ঠিক হইয়া যাইবো। ভালো বাণিজ্যচুক্তি ক্রমে আসিতেছে .........&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর গণবিপ্লবই বা কারে কই? সব তো ক্যাওস! সবই নেপোয় মারে দৈ। প্রানীজগতের ইতিহাসে পরিবর্তন ঘটানোর কোন রেকর্ড নাই। এইখানে সবই জৈবিক পরিবর্তন। নিয়ন্ত্রণহীন। যারে কয় লেসেঁ ফেয়ার। উপনিবেশ স্থাপনও তাই। পুরা ব্যাপারটাই আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে। সুতরাং স্বাধীনতা সংগ্রাম একটা ভ্রান্ত ধারণা। ম্যাশিং যা বসার পশ্চিমে অলরেডি বইসা গেছে। বাকি দুনিয়ার কাম খালি ঐ ম্যাশিঙে ফুয়েল জুটানো আর নিজেরা বাজার হিসাবে ব্যবহৃত হওয়া। উন্নয়ন মানে বাজারে পণ্যপ্রবাহ আর নিম্নমধ্যবিত্তের ব্যায়ের অভ্যাস বাড়া এবং সেইটারে প্রতিদিন আরো বেশী কৈরা বাড়ানো। আর তাতে নিম্নআয়ের মাইনসের জিবলা বাইর হইয়া গিরায় নামলে এক্টা হলিউড ভেটকি মাইরা বলা, দিস ইজ লাইফ ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরিবর্তনের চেষ্টাগুলি যারা করছে তারা আজকে নরকের আজাবে আছে। রাশিয়া, চীন, কিউবা, ভিয়েতনাম সবাই। এরা গেছিল খোদার উপর খোদগারী করতে। ঈশ্বর যাকে খুশী ধোন্দেন যাকে খুশী পোন্দেন। ধণী-দরিদ্র প্রকৃতির সৃষ্টি। এইখানে প্রকৃতি যা ঈশ্বরও তাই। খালি সুবিধামতো ক্যাসলিঙ কৈরা দিলেই হইলো। আর প্রকৃতি মানেই বিজ্ঞান। আর বিজ্ঞান মানেই প্রযুক্তি অর্থাৎ বিক্রেতার সুবিধামতো পণ্যউৎপাদন এবং বিপনন বিষয়ক ম্লেচ্ছভাষায় ল্যাখা মুটা মুটা অভিসন্দর্ভ। যেইসব অর্থনীতিবীদরা নোবাল পুরীষ্কার পায় নাই তাগো বই পড়া আল্লাহ কিংবা এম্রিকা কেউই সহ্য করবো না। যেহেতু শোষনমুক্ত সমাজ তৈরীর চেষ্টা পুরাব্যর্থ হৈয়া গেছে সুতরাং বর্তমান বিশ্বব্যবস্থার কোন রকম মৌলিক সমালোচনা করা যাইবো না। সমালোচনা ওয়েলকাম কিন্তু ঠিক ততটুক যতটুকে বর্তমান লাভবান লোকগুলির (শ্রেণী বইলা যেহেতু কিছু নাই) কোনরকম ডিস্টার্ব না হয়। জোরে কথা বলাও নিষিদ (ওদের সামনে পরীক্ষা...) .....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইগুলি আমি সব স্বীকার করি সব বুঝি বুইঝা মারাত্মক রকমের ইজি আছি। ব্লগে বইসা যা কই আর লিখি সবই সেই গুয়ামারাখাওয়া ইজিদশার রকমারি প্রলাপ ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিংশ শতাব্দীতে কিছু পাগলছাগলের ধারণা হইছিল, শিল্পায়ণরে উন্নয়নের প্যারামিটার ধইরা শিল্পে অনুন্নত অর্থে অনগ্রসর এলাকায় ম্যাশিঙপত্র বসাইলে বুঝি সেই এলাকাগুলার লোকের দারিদ্র যাইবোগা আর তাতে এতোদিন ধইরা যারা উন্নতি করছে (ঐসব পাগলছাগলের ভ্রান্তধারণা অনুসারে অনগ্রসর এলাকার মানুষরে শোষন কইরা) তারা কোণঠাসা হইয়া যাইবো, পুঁজিবাদী সম্প্রসারণের বিপরীতে সমাজতান্ত্রিক সম্প্রসারণ রেনেসাঁ আর ফরাসী বিপ্লবের পবীত্র অর্জন ধোনতন্ত্র ফুরিয়া যাইবোগা। ধারণাটা কতো ভুল এখনতো দেখাই যাইতেছে ......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপরেও সেই পাগলছাগলগুলা ঐসব পাগলামী কথায় যেইসব গরীব মাইনসেরে খ্যাপাইছিল তাগো মধ্যে যারা বর্তমান সমৃদ্ধ বিশ্বব্যবস্থাতেও  "লুজার" , তাগো পক্ষে শোষণমুক্তির ঐ কূহক বিভ্রম ফট কৈরা ভুইলা যাওয়া প্রকৃতির নিয়মেই এক্টু কঠিণ। এইটা কিছু না। সময় দেন তাইলেই যাইবো গা। যেকোন বড় অসুখ সারতে টাইম লাগে .....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঐ রোগ আমারো আছে। পকেট ফাঁকা বৈলাই আছে। ঐ রোগের আছরেই মাঝে মধ্যে ভুলভাল বকি ....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই যেমন আইজকা সকাল থিকা বকতাছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আইজ থিকা ঠিক ৬০ বছর আগে তিয়েনআনমেন স্কোয়ারে  এই ঘোষনাটা দিছিল&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/Nvmf46_S7Po&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;/param&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;/param&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/Nvmf46_S7Po&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি জানি এইখানে ১৯৮৯ সালে গুলি কইরা ১০০০ ছাত্র মারা হইছিল....আমি জানি চীনে ১৯৪৯ সালে কমিউনিস্ট পার্টির বদলে কুওমিন্টাঙ গদীতে বইলে পুরা চীন্টাই তাইওয়ান হইয়া যাইতোগা আর তাইওয়ান্টা এম্রিকা .... আমি জানি মাও সে তুং শুধু ডাকাইতই না এক্টা মুর্খও ছিল...এবং মাও সে তুঙের রচনা বলতে আমরা অবশ্যই তার কিছু মিলিটারি রাইটিঙ আর মহাধান্দু লীন পিয়াও সম্পাদিত সতের পাতার রেডবুক নামের ছাগুপুস্তিকারেই বুঝবো....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই সবকিছুর পরেও মনে হইতেছে... হইলো তো ষাইট বছর। এই ভ্রান্তধারণা আর বেশীদিন নাই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইটা তো বিজ্ঞাপনের যূগ তাই না? হোক না হোক সত্যিমিথ্যা পিপলস্ রিপাবলিক নামটা আছে অন্তত ... সেইটাই বা কম কি?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-3559646688879116919?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/3559646688879116919/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=3559646688879116919' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/3559646688879116919'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/3559646688879116919'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/10/imgassistnid27655titledesclinkpopupalig.html' title='বোকাবুড়োরা কি কোনদিন পাহাড় সরাতে পারেন?'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/Sst5E1f3a9I/AAAAAAAAAH0/nrmsG70nNMA/s72-c/Mao3.thumbnail.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-1739357800581431406</id><published>2009-09-29T15:48:00.004+02:00</published><updated>2009-09-29T15:52:41.658+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জার্মান নির্বাচন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জার্মানী'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আন্তর্জাতিক'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='রাজনীতি'/><title type='text'>কাসেলের চিঠি ১</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SsIQW-Zg68I/AAAAAAAAAHs/ZUQF9JWusm4/s1600-h/b_wahl_2005.gif"&gt;&lt;img style="margin: 0px auto 10px; display: block; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 242px;" src="http://4.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SsIQW-Zg68I/AAAAAAAAAHs/ZUQF9JWusm4/s320/b_wahl_2005.gif" alt="" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5386886091181714370" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;১.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;আর মাত্র চারদিন। আগামী রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানীর সতেরতম সাধারণ নির্বাচন। মনুষ্যসমাজের আর দশটা নির্বাচনী রাজনীতিভিত্তিক রাষ্ট্রের মতো জার্মানীতেও সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচনী রাজনীতি সম্পর্কে একধরণের সাধারণ হতাশা বিরাজ করে। সাধারণ মানুষ বলতে অবশ্যই নিম্নবিত্ত খেটে খাওয়া মানুষের কথা বলছি। জার্মান নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণী পুঁজিবাদী বিশ্বে বৃহত্তম না হলেও বৃহত্তমদের অন্যতম বলা যেতে পারে চোখ বুঁজেই। তবুও শেষ পর্যন্ত পুঁজিবাদের নিয়মে খেটে খাওয়া দরিদ্ররাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। নির্বাচনে এদের অংশগ্রহণ এক ধরণের ঐচ্ছিক পিকনিকের মতো। ভোট দিলে দিলাম না দিলে নাই দৃষ্টিকোণ থেকে এখনো খেটে খাওয়া মানুষেরা নির্বাচনকে দেখে থাকে। যে কারণে জন্যসংখ্যার খুব বড়ো একটা শতাংশ ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ বোধ করে না। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;মোটামুটি সারা পৃথিবীর ভোটের রাজনীতির গড়পড়তা হিসাব এরকমই। নির্বাচনী রাজনীতির চানাচুর আলাপে আগ্রহ দেখা যায় খবরের কাগজের পাঠক আর রেডিও-টেলিভিশনের দর্শক শ্রোতা শ্রেণীর বৃহত্তর অংশের কাছে। এঁদের মধ্যে নিচের দিকে আছেন নিয়মিত-অনিয়মিত &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পেশাজীবিরা&lt;/span&gt;, আছেন নিয়মিত শ্রমিকেরা অর্থাৎ এখনো যারা চাকরি খোয়ান নাই, আছেন সদ্য চাকুরি খোয়ানো বেকারভাতা প্রাপ্তরা, আছেন চিরদিনের অস্থায়ী শ্রমিকরা আর বিশাল সংখ্যার তালিকাবহির্ভূত শ্রমিকরা। এরপর নিচ থেকে উপরের দিকে উঠতে উঠতে ভার্টিগো রোগাক্রান্তদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। নির্বাচনী রাজনীতির গলাবাজী আর্থ-সামাজিক বিভাজন সাপেক্ষে এখানে বিভাজিত চেহারায় বিরাজ করে। জার্মান রাজনীতি, ইউরোপীয় রাজনীতি থেকে শুরু করে হেজিমনিক অবস্থান থেকে দেখা বিশ্ব রাজনীতির পরস্পরবিরোধী বিশ্লেষণী চিত্রগুলি এদের অবস্থান থেকেই আসে। নিরপেক্ষতার মতো পবীত্র পারিভাষিক অবস্থান সেখানে অনুপস্থিত। এদের একজন হিসাবে জার্মান নির্বাচনের প্রাক্কালে কয়েক দিনের খানিক নির্বাচনী কচকচির উদ্দেশ্যে বর্তমান সিরিজ শুরু করলাম। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী চার দশক ধরে কল্যাণমুখী পুঁজিবাদের পরাকাষ্ঠাধারী জার্মান মডেল সামজতন্ত্রী নিন্দুকদের মুখে ঝাঁটা মেরে বিশ্বকে দেখিয়েছে, পুঁজিবাদী অবকাঠামোর ভেতরেও রাষ্ট্র কীভাবে উচ্চ মজুরি, জীবনযাত্রার উন্নততর মান এবং সার্বজনীন সমাজ কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। ঐতিহাসিক রাজনৈতিক প্রেক্ষিতের প্রতিদ্বন্দ্বি পূর্ব জার্মানীকে আত্মস্থ করাকেও নব্বুই দশকের শুরুতে জার্মান মডেলের রাজনৈতিক বিজয় হিসেবেই দেখা হচ্ছিল। নতুন শতাব্দী শুরু হতে হতে নব্বুই এর শেষ নাগাদ তাতে সংশয় দেখা দিতে শুরু করে গত সাত বছরে ক্রমশ গাঢ়তর সঙ্কটের মুখ দেখছে। দীর্ঘদিন অতিউচ্চ উৎপাদন মাত্রায় বিচরণ করার কারণে ত্রাহি ত্রাহি হাল না হলেও ক্রমবর্ধমান শ্রমিক ছাটাই, কর্মঘন্টার অনুপাতে মজুরি হ্রাসের ঘটনাগুলো প্রান্তিক সামাজিক শ্রেণীকে ইতিমধ্যেই নাড়া দিয়েছে। এই নাড়া দেবার মাত্রা বাংলাদেশের মতো দারিদ্রসীমার বাইরে থাকা প্রাক-ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রের প্রেক্ষিতে সুড়সুড়ি মনে হতে পারে। কিন্তু পুঁজিবাদী উৎপাদনের ধ্রুপদী প্রাণকেন্দ্র, ভারীশিল্পে অতিদীর্ঘকাল একচেটিয়া উপভোগকারী জার্মানীর প্রাণ সঙ্কট তৈরী করছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। আশঙ্কাটি অমূলক হবার সম্ভাবনা হয়তো উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তবুও বিষয়টি এই মুহুর্তে  পশ্চিম ইউরোপের অন্তত অ্যাকাডেমিক সারফেইসে বহুল আলোচিত।&lt;/p&gt; &lt;p&gt;১৯৪৯ সালে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানী জন্ম নেয় ভাইমার রিপাবলিকের মার্কিন,বৃটিশ আর ফরাসী দখলে থাকা জমিনে, বলা যায় প্রুশিয় সাম্রাজ্যের শিল্পোন্নত এলাকার প্রায় পুরোটা নিয়ে। জার্মান সোশাল ডেমোক্র্যাসীর মডেল তৈরীর মৌল উপাদান ছিল খৃষ্টীয় গণতন্ত্র(!) বা তথাকথিত ট্র্যাডিশনালিজমের সাথে তখনকার বাকি দুই আধুনিক প্রতিদ্বন্দ্বী পুরো পুঁজিবাদ আর সমাজতন্ত্রের একধরণের আপোষরফা। এই আপোষরফার বিপরীতে ছিল দীর্ঘদিন কমিউনিস্টদের নিয়ন্ত্রণে থাকা শ্রমিক আন্দোলন। জার্মান শ্রমিক শ্রেণীর রাজনৈতিক দাপটের কারণে ২য় বিশ্বযুদ্ধ পূর্ববর্তী জার্মান রাজনীতিতে দীর্ঘদিন মধ্যবিত্ত আর শ্রমিক শ্রেনী ছাড়া আর কারো অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। বিশেষ করে, রাজনীতিতে ব্যবসায়ীদের প্রভাব-লবি ইত্যাদি থাকলেও সরাসরি অংশগ্রহণ ছিল না। রাজনীতিতে ধর্মের নামনিশানাও ছিলনা ভাইমার রিপাবলিক এবং জাতীয় সমাজতন্ত্রী জার্মানীতে। মার্কিন-বৃটিশ-ফরাসী নিয়ন্ত্রণাধীন পশ্চিম জার্মানী ১৭৮৯ সালের ফরাসী বিপ্লবের এবং ১৮৪৮ সালের বেয়াদব বিপ্লবীদের শায়েস্তা করতে গণতন্ত্রের আগে একখানা ক্রিশ্চিয়ান জুড়ে দিয়ে তৈরী করেন বর্তমান ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। এর পর থেকে আমেরিকা-বৃটেনের মডেলে একটা উদার আর একটা রক্ষণশীল মডেলে অনেকদিন পর্যন্ত চলেছে উচ্চবিত্তের স্বস্তির স্বারক দ্বিদলীয় ভোটের রাজনীতি। কিন্তু উনিশ শতকের আর্থ-রাজনৈতিক-সামাজিক ভাংচুর এবং দুটো বিশ্বযুদ্ধের রক্তাক্ত ইতিহাস শেষ পর্যন্ত জার্মান রাজনীতিকে অ্যাঙলো-স্যাক্সনদের ক্রিয়াবাদী সমাজের মতো স্বস্তিকর থাকতে দেয়নি। ক্রমশ রাজনৈতিক বিরোধ বিভাজনের ঊর্ধ্বগতি এখানকার রাজনীতিকে জটিল করে তুলতে থাকে। ১৯৯০ নাগাদ সমাজতান্ত্রিকব্লকের পতন এই জটিলতার অবসান ঘটাবে বলে অনেক সফেদ ছাগুর শিঙে যে আকাঙ্খা ঘুরপাক খাচ্ছিল সাবেক পূর্বজার্মানীর পৃথক বাস্তবতার মিথস্ক্রিয়া কার্যত: ঐ জটিলতায় নতুন মাত্রা যোগ করে। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;৩.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;এই জটিলতা সম্পর্কে একটা সাধারণ চিত্র পেতে গেলে জার্মান রাজনৈতিক দলগুলি সম্পর্কে একটা হুমেইডহু বয়ানের প্রয়োজন। আগামী কিস্তিগুলিতে সেগুলি আলোচনার ইচ্ছা থাকলো। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;ছবি : ২০০৫ সালের ফলাফল .....কৃতজ্ঞতা গুগল&lt;/span&gt;&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-1739357800581431406?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/1739357800581431406/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=1739357800581431406' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/1739357800581431406'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/1739357800581431406'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/09/blog-post_29.html' title='কাসেলের চিঠি ১'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SsIQW-Zg68I/AAAAAAAAAHs/ZUQF9JWusm4/s72-c/b_wahl_2005.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-6250127392676692362</id><published>2009-09-22T20:25:00.000+02:00</published><updated>2009-09-22T20:26:02.215+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সুকুমার রায়'/><title type='text'>হুতোম হাসি মুখ করে ....</title><content type='html'>&lt;p&gt;আমার মুখে বুলি ফুটিয়েছেন সুকুমার রায়। বয়স বাড়তির দিকে যেতে যেতে আরো অনেকের অনেক কিছু পড়েছি বা পড়ার ভ্যাক ধরেছি। খাবলা-পরিমাণ হয়তো জেনেছিও। ভুল বুঝেছি সম্ভবত তার নয়দশমাংশই। পুরো জীবনটা ব্লেন্ডারে ফেলে পাস্তা বানিয়ে রাম চিপড়ানি দিলে যতটুকু সারবস্তু তার পুরোটাই হযবরল। "নিঝুম নিশুতিরাতে একাশুয়ে তেতলাতে" প্রবল ক্ষুধার মুখে লাল রঙের সেই ডিমাই আকারের বইটা সর্বশেষ বেঁচে থাকে। সারা দুনিয়া রসাতলে গেলেও "আই গো আপ উই গো ডাউন" ইসিজির চড়াইউৎড়াই নিশ্চিত করে। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;জীবনে বহু বস্তুগত গুরুত্বের গুরুকথা বেমালুম হলেও সুকুমার রায়ের অমৃত পদাবলী কখনো ভুলিনি। বেঁচে থাকার শেষ মুহুর্তটুকুও সর্বশেষ স্মৃতিতে সম্ভবত ঐ ছড়াগুলিই টিকে থাকবে। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;সুকুমার রায়কে শ্রদ্ধাঞ্জলি। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;মেঘ মুলুকে ঝাপ্‌সা রাতে,&lt;br /&gt;রামধনুকের আব্‌ছায়াতে,&lt;br /&gt;তাল বেতালে খেয়াল সুরে,&lt;br /&gt;তান ধরেছি কণ্ঠ পূরে।&lt;br /&gt;হেথায় নিষেধ নাই রে দাদা,&lt;br /&gt;নাইরে বাঁধন নাইরে বাধা।&lt;br /&gt;হেথায় রঙিন আকাশতলে&lt;br /&gt;স্বপন-দোলা হাওয়ায় দোলে&lt;br /&gt;সুরের নেশায় ঝরনা ছোটে,&lt;br /&gt;আকাশকুসুম আপনি ফোটে&lt;br /&gt;রঙিয়ে আকাশ, রঙিয়ে মন&lt;br /&gt;চমক জাগে ক্ষণে ক্ষণ!&lt;br /&gt;আজকে দাদা যাবার আগে&lt;br /&gt;বল্‌ব যা মোর চিত্তে লাগে&lt;br /&gt;নাই-বা তাহার অর্থ হোক্&lt;br /&gt;নাই-বা বুঝুক বেবাক্ লোক।&lt;br /&gt;আপনাকে আজ আপন হতে&lt;br /&gt;ভাসিয়ে দিলাম খেয়াল স্রোতে।&lt;br /&gt;ছুট্‌লে কথা থামায় কে?&lt;br /&gt;আজকে ঠেকায় আমায় কে?&lt;br /&gt;আজকে আমার মনের মাঝে&lt;br /&gt;ধাঁই ধপাধপ্ তবলা বাজে---&lt;br /&gt;রাম-খটাখট্ ঘ্যাচাং ঘ্যাঁচ্&lt;br /&gt;কথায় কাটে কথার প্যাঁচ্।&lt;br /&gt;আলোয় ঢাকা অন্ধকার,&lt;br /&gt;ঘণ্টা বাজে গন্ধে তার।&lt;br /&gt;গোপন প্রাণে স্বপন দূত,&lt;br /&gt;মঞ্চে নাচেন পঞ্চ ভূত!&lt;br /&gt;হ্যাংলা হাতি চ্যাং-দোলা,&lt;br /&gt;শূন্যে তাদের ঠ্যাং তোলা।&lt;br /&gt;মক্ষিরানী পক্ষিরাজ---&lt;br /&gt;দস্যি ছেলে লক্ষ্মী আজ।&lt;br /&gt;আদিম কালের চাঁদিম হিম,&lt;br /&gt;তোড়ায় বাঁধা ঘোড়ার ডিম।&lt;br /&gt;ঘনিয়ে এল ঘুমের ঘোর,&lt;br /&gt;গানের পালা সাঙ্গ মোর।&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-6250127392676692362?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/6250127392676692362/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=6250127392676692362' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6250127392676692362'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6250127392676692362'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/09/blog-post_5921.html' title='হুতোম হাসি মুখ করে ....'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-8616096884309152914</id><published>2009-09-18T20:22:00.000+02:00</published><updated>2009-09-22T20:24:24.652+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ছাগুগান'/><title type='text'>ক্যাথারসিস</title><content type='html'>কয়েক দিন আগেই বলতেছিলাম যে এই দুনিয়ায় মন খারাপ হওয়ার ঘটনার কোন অভাব নাই। আসলে কথাটা পুরা ঠিক না। বলতে পারেন যে মন ভালো হওয়ার মতো নিয়মিত বিনোদনই একরকম ইউটোপিয়া। কিন্তু মৌজ ছাড়া এই বদসুরত দুনিয়াতে চান্দি শাফল কেমনে দেয়? চান্দিরে শাফল না করতারলে মগজ হয় বেশী তাপে শুকাইয়া যাইবো নাইলে দ্রুত হিমাঙ্কের নিচে গিয়া সচলায়তনের ব্যানার বানাইয়া দিবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুতরাং নেগেটিভ এন্টারটেইনমেন্টের আপাতত কোন বিকল্প নাই। অপরে আমার চে‌য়ে বড় ছাগল এইটাই দিনের শেষের সেরা মনোতোষ আবিস্কার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেরকম কোন কিছুর ধান্দায় সেদিন ইউটিউব গুতাইতে গুতাইতে নানান হুজুরের ওয়াজ মহফিলের চিপা থিকা খুঁইজা বাইর করলাম ছাগু প্রজন্মের ইসলামী গান। যত দেখি যত শুনি ততই ফুর্তি বাড়ে। এতো ছাগু নেটে থাকতে আমার মুখ হাড়ি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরই কয়েকটা শেয়ার করলাম সচলগো লগে। বহুদিন আগে অরূপ দিছিলো একবার ওয়েস্টার্ন মিল্টুর গান। আমি দিলাম নতুন প্রজন্মের ফ্রেশ ছাগুছাগীদের গান। কারো যদি এমনিতে হাসি না আসে তাইলেও অন্তত আমার মন রাখতে এট্টু মুচকি হাইসেন। আর নাইলে কাইন্দেন ফি ফি কৈরা .........&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/6Bp2mv-_6KU&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/6Bp2mv-_6KU&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/cHtDh10vj7w&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/cHtDh10vj7w&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/hY0HHp1HGjE&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/hY0HHp1HGjE&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/tt39YLNlfnA&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/tt39YLNlfnA&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="560" height="340"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/5btcua9djeA&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/5btcua9djeA&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/uk9oB5T3ATg&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/uk9oB5T3ATg&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর এই লোক সবার উপরে। পুরা অসমান্তরাল .....&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;object width="425" height="344"&gt;&lt;param name="movie" value="http://www.youtube.com/v/oo73RFaUnSg&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;"&gt;&lt;param name="allowFullScreen" value="true"&gt;&lt;param name="allowscriptaccess" value="always"&gt;&lt;embed src="http://www.youtube.com/v/oo73RFaUnSg&amp;amp;hl=de&amp;amp;fs=1&amp;amp;" type="application/x-shockwave-flash" allowscriptaccess="always" allowfullscreen="true" width="289" height="238"&gt;&lt;/embed&gt;&lt;/object&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;..... এইটা কোন হিন্দি গানের সুর জানি?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-8616096884309152914?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/8616096884309152914/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=8616096884309152914' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8616096884309152914'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/8616096884309152914'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/09/blog-post_22.html' title='ক্যাথারসিস'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-7025047154222580925</id><published>2009-09-10T14:43:00.000+02:00</published><updated>2009-09-10T14:44:28.646+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='জার্মান নির্বাচন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সচলাড্ডা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='মোহাম্মদ জবায়ের'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৪</title><content type='html'>&lt;p&gt;আবার আঙ্গুলগুলা কাইণ্ঠামি করতাছে। সচলে আইসা আইসা ঘুইরা যাই মাগার হাত চলে না। মাথাও না। একরকম সর্বগ্রাসী স্থবিরতায় পাইয়া বইছে। এইটার কোন সমাধান পাইতাছি না। লেবুর পানি আর দুধচিনি ছাড়া সস্তা ফিল্টার কফি বহুত খাইলাম। তাতে ডিপ্রেশন আরো বাড়ছে। কারণ? এই দুনিয়ায় মন খারাপ করার মতো কারণের অভাব আছে?&lt;/p&gt; &lt;p&gt;১. &lt;/p&gt; &lt;p&gt;জার্মান টাইম সকাল থিকা মনমেজাজ আরো খারাপ। আনু মুহাম্মদের উপরে এই হামলা নতুন কিছু না। গতবার আওয়ামী লীগের আমলে একবার পার্টি অফিসের সামনে ককটেল মারা হইছিল। জোটসরকারের আমলে চাক্কু মারা হৈছে। বাকি ছিল পুলিশী হামলা। এইবার সেইটাও হইলো। স্যার যা করতে বা যা কইতে গেছিল তাতে সরকারের পোঁড়ায় ঠিক কোন পয়েন্টে? মাইর দিয়া কি সেই পোঁড়ানি উপশম হইবো বইলা সরকার মনে করে? ফুলবাড়ি কি একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল? &lt;/p&gt; &lt;p&gt;একটু আগে ফেইসবুকে শামীমা বিনতে রহমানের স্ট্যাটাস থিকা জানলাম স্যারের দুই পায়েই ফ্র্যাকচার হইছে। এইটারে টার্গেটেড স্টেট টেরোরিজম ছাড়া কী কমু? স্যার সুস্থ হইয়া উঠেন। এই পাঁচশো লোকের মিছিল একদিন হাজার ছাড়াইয়া লাখে উঠবো। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;২.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;গত সম্পাহান্তে জশনেজুলুছে বিশাল সমাবেশ। অনেকদিন পরে এইরকম একটা সমাবেশ দমবন্ধ অবস্থা থিকা বাইর হইয়া এক খাবলা তাজা বাতাসের মতো। সচলের জন্মের পর থিকা জার্মানীতে এইটাই বৃহত্তম সচলাড্ডা। &lt;/p&gt; &lt;p&gt;প্রথম দিনের গ্রীল পার্টি, দ্বিতীয় দিনে হেরকুলেস ভ্রমণ আর আমার বাসায় সমাপনী সমাবেশ দীর্ঘদিনের জন্য একটা খাউজানোর মতো স্মৃতি হিসাবে থাইকা যাইবো। জীবনে সুখস্মৃতির আকাল তো আর কাটতাছে না সহজে ........&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৩.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;এই মাসের শেষে জার্মানীতে জাতীয় নির্বাচন। কয়েকমাস ধইরা সব মিডিয়া গুলি ক্রিশচিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন আর ফ্রি ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কোয়ালিশনের সম্ভাবনার কথা কইতে কইতে যখন মুখে ছেবড়ি তুইলা ফালাইতাছে সেই অবস্থায় গত রোববার দিন যারলান্ড, থুইরিঙেন আর যাক্সেনের প্রাদেশিক নির্বাচনের ফলাফল মিডিয়ার শেঠগো মুখে একরকম স্ট্যাপলার মাইরা দিছে। তিন প্রদেশেই বামপন্থীরা গড়ে ২০% এর উপর ভোট পাইয়া সোশাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টিরে কাচকি দিয়া ধরছে। যাক্সেনে সিডিইউ কোন মতে এফডিপির সাথে কোয়ালিশন কইরা সরকারে গেলেও থুইরিঙেন আর যারল্যান্ডের এসপিডিরে বামপন্থীদের সাথে কোয়ালিশনের ব্যাপারে একরকম গলায় পাড়া দিয়া ধরছে। হইতে পারে এইটা নিতান্তই রিসেশনের প্রভাবে একরকম লেফট ব্লো। পকেটে আবার ভালোমন্দ আইলে এই বামজ্বর সাইরা যাইবোগা। কিন্তু জ্বর থাকতে থাকতে অন্তত যদি ন্যুনতম মজুরির আইন আর এ্যাঙলো-স্যাক্সন মডেলে উচ্চশিক্ষার বিপনন কিছুটা বিলম্বিতও করতে পারে তাইলেই বা কম কিসে? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতন অতিসভ্য বামমুক্ত দেশে থাকিনা এইটা ভাইবাও যদি এই বাজারে মন একটু ভালো লাগে .......&lt;/p&gt; &lt;p&gt;৪.&lt;/p&gt; &lt;p&gt;জুবায়ের ভাইকে নিয়ে মেহবুবা জুবায়ের এর পোস্ট পড়ে থম ধরে ছিলাম। কীভাবে একটা বছর চলে গেল। কিছু শোকের প্রকাশ বাক্যে করা মুশকিল। হয়তো এটা ভাষারই সীমাবদ্ধতা কিংবা আমার। জুবায়ের ভাইয়ের চলে যাওয়ার ভোঁতা কষ্টটা শ্বাসনালীতে সেইভাবেই চেপে আছে। থাকবেও। অন্তত যতদিন তাঁর প্রকাশ্য এবং ব্লগীয় সান্যিধ্যে আসা সামান্য মানুষেরা বেঁচে আছি ....&lt;/p&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-7025047154222580925?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/7025047154222580925/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=7025047154222580925' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7025047154222580925'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/7025047154222580925'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/09/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৪'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-3467211006349763444</id><published>2009-08-07T14:34:00.002+02:00</published><updated>2009-08-07T14:37:15.633+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='অণুগল্প'/><title type='text'>খাবলা খানেক অণুগল্প</title><content type='html'>১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ষাটের দশকের মাঝামাঝি। পুরনো ঢাকার কোন ঐতিহ্যবাহী পরিবারে বিয়ের অনুষ্ঠাণ শেষে বরযাত্রী বাড়ি ফিরেছে। অনেক পরিবারের রীতি অনুসারে বৌয়ের সাথে তার ছোটবোনও এসেছে ছেলের বাড়িতে। নতুন বৌ এলে যা হয়। বাড়িময় বিশাল হুলুস্থুল। বৌয়ের পাধুইয়ে টাকা নেওয়া, গানবাজনা নাচানাচি সব কিছুর পরে একসময় সবাই ক্লান্ত হয়। যাদের বাড়ি কাছে তারা বাড়ি গেলো। বাকিদের সবাইকে ঐ বাড়িতেই চিৎকাৎ হতে হবে। বরকণে চলে গেলো সাজানো বাসরে। বাকিদের নিয়ে বাঁধলো ঝামেলা। স্থানের অনুপাতে লোকবেশী। বাড়ির মুরুব্বিরা সবাই একে একে হিসাব করে একে ওখানে তাকে সেখানে পাঠাতে লাগলেন। বরের ছোটভাই অস্থির মনোযোগে মুরুব্বিদের এই বিন্যাসসমাবেশ লক্ষ্য করছিলো। অস্থায়ী কাজের লোকের শালারো শোবার কথা বলা হলো কিন্তু একজনের কথা সবাই ভুলে যাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রচন্ড ক্রোধে বিদ্রোহী দেবর বাড়িময় চেঁচিয়ে বেড়ায়, সালি হুইবো কৈ? সালি হুইবো কৈ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৯৬'র মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহ। একদিন খালি তো তিনদিন হরতাল। প্রাইভেট পড়ার নাম করে মোসাদ্দেক বাড়ি থেকে বের হয়ে শহরে ঘুর ঘুর করে। হরতালের সুবাদে বাড়ি থেকে রিক্সাভাড়া কিছু বেশী পায়। বেশীরভাগ হেঁটে যাতায়াত করে বলে রিক্সাভাড়া থেকে কিছু ব্যালেন্সও জমছে কিছুদিন থেকে। হরতাল-অবরোধ মাসখানেক ধরে শহরের বাতাসটাকেও বেশ ফ্রেশ রেখেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বেশ যাচ্ছিল মোসাদ্দেকের দিনকাল। কখনো আধাঘন্টা প্রাইভেট পড়ার পর অনির্দিষ্ট টাঙ্কি মেরে, কখনো অস্থায়ী ম্যাগাজিন স্ট্যান্ডে সানন্দ সম্ভার পড়ে আর সময় সুযোগ মিলে গেলে মল্লিকা-ছন্দ বা পর্বতে এক টিকেটে দুইটি ছবি দেখে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপর সেমিফাইনালের দিন সন্ধ্যা সন্ধ্যা বাড়ি ফেরে। গরম গরম পিঁয়াজুভাজা সামনে থাকলেও মোসাদ্দেক মুখ ডেকচি করে খেলা দেখে। শেষবলে ডোনাল্ডের দোষে দক্ষিণ আফ্রিকা ধরা খেলে মোসাদ্দেক রাগের মাথায় " বালের ডগা !" বলে চেঁচিয়ে ওঠে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;- কী হৈছে তোর? বড় ভাই জিজ্ঞাসা করে...&lt;br /&gt;- ......যেই পোস্টার দিছে হেই ছবি দ্যায় নাই.....&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-3467211006349763444?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/3467211006349763444/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=3467211006349763444' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/3467211006349763444'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/3467211006349763444'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/08/blog-post_07.html' title='খাবলা খানেক অণুগল্প'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-6710956362162227111</id><published>2009-08-05T14:26:00.000+02:00</published><updated>2009-08-05T14:27:07.606+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ব্লগরব্লগর'/><title type='text'>টুকরো টুকরো লেখা ১৩</title><content type='html'>আমার দ্বারা আর কখনো নিয়মিত লেখা আদৌ হবে কিনা আজ সারা দুপুরবিকাল ধরে সেটাই ভাবছিলাম। সচলায়তন খোলাই থাকে মোটামুটি সারাদিন। মাঝে মাঝে লগইন করে এদিক ওদিক ধুনফুন কমেন্ট করি, তারপর ভুদাই হয়ে বসে থাকি। কখনো দুইলাইন তিনলাইন লিখলেও মনে হয় এইটা আবার কী লিখলাম? কখনো গুণ গুণ করি, আমি সব দেখেশুনে ক্ষেপে গিয়ে বলি বাংলায়, ধুর বাল!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতকাল ছিল ২ আগস্ট। ১৯৯৯ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অভূতপূর্ব একটা ঘটনা ঘটে। ছাত্রজনতার ধাওয়ার মুখে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীরা প্রাণ নিয়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিল। দেড়মাসের জন্য হলেও জাহাঙ্গীরনগর ক্যাম্পাস সম্পূর্ণভাবে আমাদের নির্বাচনী রাজনীতির দুই স্তম্ভ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের দুই লুম্পেন ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ আর ছাত্রদলের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকেছিল। ১৯৭২ সালে থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত সেই আগস্ট-সেপ্টেম্বরের ঐ কয়টা দিনই আক্ষরিক অর্থে স্বাধীন বাংলাদেশের কোন শিক্ষাঙ্গন লুম্পেনদের দখলদারিমুক্ত ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনা অতি সংক্ষিপ্ত। খিয়াল কৈরা এইটা আর এইটা , এই দুইটা পোস্ট পৈড়া আসেন আগে। তাইলে এই পোস্টের এই অংশের সাথে মোটামুটি কমিউনিকেট করতারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৯৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে গণঅভ্যুত্থানের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সত্যাসত্য যাচাই কমিটি ধর্ষণকারী ছাত্রলীগ নেতাদের নাম প্রকাশ করতে বাধ্য হলে ধর্ষণকারী এবং ধর্ষণকারীদের সমর্থনকারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নেতৃস্থানীয়রা ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়। ১৯৯৮ সালের সেপ্টেম্বরের ২৭/২৮ তারিখ থেকে একেবারে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই পর্যন্ত ক্যাম্পাস একভাবে মুক্তই ছিল। যদিও কিলার গ্রুপ তখন ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণ করছিল, কিন্তু কেন্দ্রের আর প্রশাসনের সমর্থনের অভাবে তাঁরা তাঁদের প্রত্যাশিত ক্যারিশমা দেখাতে পারছিলেন না। তাঁদের নিয়ন্ত্রণ সেই সময় একভাবে ক্যাম্পাস পাহারা দেওয়া ছাড়া আর কিছুই ছিল না। অন্তত আমার হলে ঐসময় ঠিক এই বাস্তবতাই বিরাজ করছিল। ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ছাত্রলীগ নেতা ধর্ষণকারী বরকতের নেতৃত্বে ধর্ষণকারী গ্রুপ তার সমর্থকদের আর সাথে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে তখনকার পত্রিকার রেফারেন্সমতে মোহাম্মদপুরের ইমনগ্রুপের সন্ত্রাসীদের নিয়া জাবি ক্যাম্পাসে ঢোকে। খুব মজার ব্যাপার হৈল ছাত্রলীগের কিলারগ্রুপ এমনিতে ক্যাম্পাসের ভিতরে খুব হম্বিতম্বি করলেও সেদিন ঠিকই বামপন্থীদের সাথে একসাথে আন্ডারগ্রাউন্ডে যাইতে বাধ্য হইছিল। এর মোটামুটি ৪৮ ঘন্টা পরে এই বামপন্থীদের নেতৃত্বে বিশাল গণমিছিলের ধাওয়া খাইয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ধর্ষণকারীগ্রুপের সমর্থকরা হল ছাইড়া ভাগতে বাধ্য হয়। ঠিক এইটাই ইতিহাস। এইটা এমনই একটা ইতিহাস যেইটা সম্পর্কে গাফফার চৌধুরী টাইপ আওয়ামী বুদ্ধিজীবিদের অ্যাবসলুউটলি কিছুই বলার নাই। ইতিহাসের রেফারেন্সগুলি এতোই শক্ত যে আ করতে গেলেই আলা জিবলা বরাবর জুতা ফিক্কা মারা হৈবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি ঐ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী না। ১৯ জুলাই থিকা আমি হাসপাতালে। ছিনতাইকারীর কোপ খাইয়া ডান হাত আর বাম ঠ্যাং আকাশে দিয়া চিৎ হইয়া আছি। বর্তমানে সচলদের মধ্যে যূথচারী, সবুজ বাঘ, শশাঙ্ক আর আয়েশা আখতার সেই ঐতিহাসিক ধাওয়ার প্রত্যক্ষ অ্যাক্টিভিস্ট। সবুজ বাঘ সেদিন ঘুষি দিয়ে জনৈক রেপিস্টের জানালা ভেঙে ফেলেছিলেন। কেউ যদি সেই সময়কার ছবিগুলি দেখতে চান তাহলে ডেইলী স্টারের ১৯৯৯ সালের ১-৩ আগস্টের ইস্যু আর স্টার ম্যাগাজিনের যেই ইস্যুটা ২ আগস্টের পরে বের হয়েছিল সেটা জোগাড় করতে পারেন। ঐটা আমার কাছেও নাই। কেউ পেলে আমাকে একটা মেইল কইরেন, পাওয়ার উপায়সহ দেঁতো হাসি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টিপাইমুখ বাঁধ নিয়া নানানকম পোস্ট পড়তেছিলাম বিভিন্ন ব্লগপাতায়। সচলায়তনে সমস্যাটা আসলে কী নিয়া এবং সেইটা কী কী ভাবে কতটা ক্ষতিকর হইতে পারে সেইটার আলাপ হইতেছিল। অন্যান্যব্লগের পাতায় দেখলাম এইটা নিয়ে একেবারে সিরাজশিকদারতাজউদ্দিনমুজিব নিয়া ব্যপক টানাটানি শুরু হৈয়া গেছে। খুবই হাস্যকর পরিস্থিতি। কারণ প্রত্যেকেই মূল সমস্যা বাদ দিয়া তার আশেপাশে উদ্দেশ্যহীন ডিগবাজিরেই ব্লগিঙের লাইন বইলা গ্রহণ করছে। বেশীরভাগ গ্রহণ করছে বামজুজুর ভয়ে আল্ট্রারাইট আওয়ামী অবস্থান আর বাকিদের অনেকেই মজহারপন্থী ছাগু অবস্থান। এর বাইরের অবস্থান দেখানোর মতো কাউরে এই মুহুর্তে বাংলাব্লগে উপস্থিত না দেইখা খারাপই লাগলো। ১৯৯৮ সালের শেষে যখন তেলগ্যাস লুঠের বিরুদ্ধে প্রথম রাস্তায় নামা হৈলো, তার প্রথম বা দ্বিতীয় মিছিল থিকাই ছিলাম। ঐ পাঁচ-ছয় জন নিয়াই কিন্তু আমরা রাস্তায় নামছিলাম। বড় বামসংগঠনগুলা মানে সিপিবির ছাত্র ইউনিয়ন আর বাসদের সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট তখনো কীজানিএক্টা ভাবতেছিল। প্রথম মিছিলগুলি আমার ছাত্র ফেডারেশনের ব্যানারেই করছিলাম। এইটাই ইতিহাস। সেই একজন একজন কইরা গণসংযোগের কোন আউটপুট আছে না নাই পরের দশবছরের রাজনীতি পর্যবেক্ষকই ভালো বলতে পারবেন। টিপাইমুখ বাঁধ হইলে প্রথম যারা এফেক্টেড হবে কাজ করলে তো সেইখানে গিয়া তাঁদের মধ্যেই প্রথম প্রচারণা প্রয়োজন। এইখানে একমাত্র অপ্রয়োজন হইতেছে কাঠিবাজি। আর এফেক্টেডদের খুব প্রধাণ অংশই যেহেতু সিলেটের ঐ অঞ্চলের আদিবাসীরা, সুতরাং মুসলিম সাম্প্রদায়িকতাকে ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সুযোগও সেখানে কার্যত: অনুপস্খিত। সরকারি প্রতিনিধী দল নাকি টিপাইমুখে কিছু দেখেন নাই। অভিজ্ঞতা থেকে জানি সরকারি প্রতিনিধীদলরা ৯৯ শতাংশ ক্ষেত্রে মিথ্যা কথাই বলে থাকেন। সেইসূত্র ধরে বামপন্থীদের এইমুহুর্তের কর্তব্য আসলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে আগে গণসংযোগ করা পরে গ্রামসী কপচানো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুব দু:খের সঙ্গে জানাচ্ছি এইক্ষেত্রে মধ্যপন্থীদের কর্তব্য অনিচ্ছা সত্ত্বেও বামে হেলে থাকা আর ডানপন্থীদের আজলা ভরে মুড়ি খাওয়া। ইস্যুর অর্ন্তগঠন তাঁর ঝোঁক নির্ধারণ করে। পৃথিবীর কোন ইস্যুই সবার সমর্থন পায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে জামাত আর ধর্মীয় মৌলবাদ প্রসঙ্গে সরকারের অবস্থানও প্রত্যাশিতভাবেই ধোঁয়াটে হয়ে আসছে। ভাবেসাবে মনে হচ্ছে সরকার এইবারও এদিকওদিক ধুনফুন করে এই কারণে হয় নাই ঐ কারণে হয় নাই এইসব বইলা পাশ কাটাইতে চাইতেছে। কোন শ্যালকপুত্রই পেটের কথা মুখে আনতে চায় না। খয়রাতি সাহায্য হিসাব করলে সৌদি আরবরে আমরা সোজা পাছা দেখাইয়া চলতে পারার কথা। না পারার একমাত্র কারণ হইতে পারে সৌদ রাজবংশের সাথে আঙ্কেল স্যামের যোগাযোগ। হাসিনা ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মাথায় সৌদি আরব গেছিল। আইসা থিকা যুদ্ধাপরাধী প্রসঙ্গে আর কথা কয় না। ক্যামনে কী? সেদিন আবার দেখলাম গাফফার চৌ কইছে যুদ্ধাপরাধী গো বিচার করতে নাকি আউমিলীগরে আরো কয়েক টার্ম ক্ষমতায় থাকা লাগবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাবলিকরে এতো ভোদাই মনে করেন ক্যান আপনারা?&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/28401622-6710956362162227111?l=aaggatabash.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://aaggatabash.blogspot.com/feeds/6710956362162227111/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=28401622&amp;postID=6710956362162227111' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6710956362162227111'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/28401622/posts/default/6710956362162227111'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://aaggatabash.blogspot.com/2009/08/blog-post.html' title='টুকরো টুকরো লেখা ১৩'/><author><name>Suman Chowdhury</name><uri>http://www.blogger.com/profile/06568474131349116935</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='24' src='http://2.bp.blogspot.com/_tcaanb2pNhQ/SbadYQvkkHI/AAAAAAAAAFk/z3Wj6CrsIxI/S220/me+1.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-28401622.post-1736697690386679907</id><published>2009-07-27T20:36:00.002+02:00</published><updated>2009-07-27T20:41:19.729+02:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='কবিতা'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সবুজ বাঘ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ধারাবাহিক'/><title type='text'>আহ্ কবিতা.... সবুজ বাঘ....</title><content type='html'>সবুজ বাঘের সাথে পরিচয় ১৯৯৮ সালের কোন এক ইলশে গুড়ি বৃষ্টির দিনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পোস্ট অফিসের সামনের কালভার্টে। মুখভঙ্গী দেহভঙ্গীর পুরাপাগল বৈশিষ্ট্য কিছুকাল আগেই দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল। অভ্যস্ত কায়দায় ভেবেছিলাম এও জাহাঙ্গীরনগরের আর দশটা পাগলের মতো পাগলের লেবাস ধরতে ভালো পায়। তারপর সেই ইলশেগুড়ি বৃষ্টির দিনে ২৩তম ব্যাচের অভী আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো। শুরুতেই জানালো এই হচ্ছে অসুন্দর গুপ্ত। কবিতা লেখে। আমি স্বভাব সুলভ ভদ্রতায় জানালাম তাঁর নামও শুনেছি কবিতাও পড়েছি। আর দশটা নিয়মিত ভদ্রতার মতোই সেখানে পঞ্চাশ শতাংশের বেশী মিথ্যা মিশ্রিত ছিল। আসল কথা হচ্ছে তাঁর নামটা চোখে পড়েছিল ডিপার্টমেন্টের দেওয়াল পত্রিকায়। আজ সত্যিকথা স্বীকার করতে অসুবিধা নাই, অনিয়মিত টাইপ হওয়ায় নামটাই চোখে পড়েছিল, কামটা নয়। অর্থাৎ তাঁর কবিতা মোটেই পড়া হয় নাই তখন। তারপর চলে গেল বহুকাল কুশলবিনিময় জাতীয় ধুনফুন ভদ্রতায়। সে থাকতো ভাসানী হলে। আমি মীর মশাররফ হোসেন হলে। আমার হলে অসুন্দর গুপ্তর যত সহপাঠী ছিল তারা কেউই তাঁকে পছন্দ করতো না কোন অজ্ঞাত কারণে। তার উপর ওকে প্রায়ই দেখা যেতো বাম জগতে আমার অপছন্দের কোন এক দলে। আমার চৈতন্যে তখন উঁচু তাপমাত্রায় বামজ্বর। ছাত্রও ছিলাম রাজনীতির তাই সবকিছুকে রাজনীতির ছাঁকুনিতে দেখবার বদঅভ্যাস ছিল। আবার কবিতাও ছিল। প্রাণপণে কবিতা পড়তাম আর বিশেষ করে বিষ্ণু দে'র ভক্ত হবার চেষ্টা করতাম। সেই সময় ভাসানী হলে অসুন্দর গুপ্ত গং এর নানারকম নৈরাজ্যের গল্প শুনতাম আর মনে হতো এই ভোগবাদী মানুষগুলি জীবনের দ্বান্দ্বিকতাকে এড়িয়ে ক্ষণিকের আনন্দ পেতে নিজের আর পারিপার্শ্বের প্রভূত ক্ষতি করে চলেছে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি করা আরো অনেকের মতো আমিও জানতাম না জীবনের দ্বান্দ্বিকতা কী বস্তু। উহা খায় না মাথা কিংবা অন্যকোথাও দেয়। নির্বাচিত কিছু লালবইয়ের নির্বাচিত পাঠে কিছু শব্দ মুখস্ত করা আর চলমান ঘটনা প্রবাহের সাথে তার জোরপূর্বক সাজুজ্য খোঁজার সেই বিভ্রমের যূগে বহু চেষ্টা সত্ত্বেও প্রগতিশীল প্রতিবেশের বহু খাইসলত, যেগুলো হয়তো অতিক্রম করা যেতো, কিন্তু অতিক্রম করা হয়ে ওঠেনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপারফিশিয়াল প্রতিবেশে হয়তো তেমনটা সেভাবে সম্ভবও নয়। কিংবা হয়তো সম্ভব ছিল আমার ক্ষেত্রে ঘটেনি। হতে পারে সবই আমার ব্যক্তিগত খাইসলত। এইসব হতে পারার মধ্য দিয়ে চলে গেলো আরো বছর দেড়েক। একসময় ভাগ্যের শিকে ছিঁড়লো। সেদিন ছিল সম্ভবত ২৮ তম ব্যাচের প্রথম ক্লাস বা ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিন। সমাজ বিজ্ঞানের সামনে বসে ঝালমুড়ি খেতে খেতে অসুন্দর গুপ্ত আর তাঁর সহপাঠী নোভেলের সাথে টানা প্রায় ঘন্টা চারেক ধুনফুন আড্ডা দিলাম। তাতে রাজনীতি পেরিয়ে আলাপ কবিতায় ঢুকে পড়লো। তাতে ছাত্র রাজনীতি সম্পর্কে আগ্রহের প্যারামিটার নিম্নগামী হবার কারণেই হোক বা সাংস্কৃতিক নৈরাজ্যের প্রতি আমাদের সময়কার সহজাত জাহাঙ্গীরনগরীয় আকর্ষনের জায়গা থেকেই হোক, অসুন্দর গুপ্তের অদ্ভুতুড়ে কথাগুলি খুব ভালো লেগে গেলো। কিছুক্ষণ পরে আমিও বিশ্বাস করতে শুরু করলাম সব কবিতাই আসলে নানারকম ধুনফুন। এর মধ্যে আনন্দদায়ক ধুনফুনগুলিই আসল কবিতা। নিয়মনীতি অনুসরণ করে স্কেলমেপে হাসি কান্না একধরণের বৈজ্ঞানিক বিভ্রম। কথাগুলি নতুন তো নয়ই বরং তার কিছুদিন আগেই নৈরাজ্যবিরোধী ফতোয়াবাজদের মতো এইসবের একচ্ছত্র সমালোচনা করে এসেছি। কিন্তু সেদিন অসুন্দর গুপ্তের, আমার কাছে সম্পূর্ণ অপরিচিত এবং তুমুল আনন্দদায়ক বাক্যালাপ খুলির ভিতর আমার মগজে আনন্দদায়ক পেণ্ডামোনিয়াম সৃষ্টি করে দিল। এর মধ্যে ব্যক্তিগত জীবনে সঙ্কটপূর্ণ বিন্যাস সমাবেশ, রাজনীতিতে যাদের সমর্থন করতাম সেখানকার লুরমা পরিস্থিতি সব মিলিয়ে আনন্দিত হবার বা বোধ করার বস্তুগত ভিত্তিগুলি জ্যামিতিক হারে কৃশকায় হয়ে আসছিল। সেই সময়টাতে অসুন্দরগুপ্তের কবিতা প্রথমবারের মতো মন দিয়ে পড়লাম। কবিতাটির নাম ছিল&lt;span style="font-style:italic;"&gt; হাসপাতাল ..........&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরাজিতরা মাথা হেট করে চলে যাবে&lt;br /&gt;আর বিজয়ীরা আনন্দে লাফাবে&lt;br /&gt;লাফাতে লাফাতে যখন মুষড়ে পড়বে&lt;br /&gt;আমি তখন আনন্দের ক্ষণস্থায়ীত্ব দেখে মুচকি হাসি&lt;br /&gt;চোখ কথা বলে। বহুকথা না বুঝে বুঝে প্রেমে পড়েছি বহুবার&lt;br /&gt;আর তাতে আমার এ অগোছালো জীবন আরো বেশি ঝড়ো কাক হয়েছে&lt;br /&gt;টিনের চালে বৃষ্টি..পতনের শব্দ অধোপতনেরো&lt;br /&gt;গড়িয়ে গড়িয়ে কতদূর?&lt;br /&gt;তবু আমি ঠিকই টের পাই বৃষ্টি আর রঙিন প্রজাপতির শত্রুতা&lt;br /&gt;আর সেই ছোট্ট মেয়েটা- যার আদরের বাড়াবাড়িতে ঘর ছাড়তে চায় না বেড়ালটা&lt;br /&gt;অথচ বাড়ির সব্বাই তাকে বের করে দেয় রাস্তায়।&lt;br /&gt;সেই মেয়েটা যার হুহু কান্নায় অভিভূত মুগ্ধ হয়ে আমি তাকে পড়াই&lt;br /&gt;রবারি মানে ডাকাতি।&lt;br /&gt;আর এই ঘোর আধুনিক কালেউ&lt;br /&gt;জানি, আমার পায়ের আঙ্গুলের ক্ষত&lt;br /&gt;ঢের বেশি কষ্ট দেবে&lt;br /&gt;তবু আমি হাসপাতালে যাব না।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই থেকে রাপু খাপাং। বিষয়বস্তু নতুন না হলেও উচ্চারণ এতোটাই স্বতন্ত্র যে চৈতন্যে আলাদা করে গেঁথে না যাবার কোন উপায় নেই। সেই সময় প্রায় সবকয়টি বামপন্থী ছাত্র সংগঠণে ধ্বস নেমেছে। ধ্বসের সুবাদে তৈরী হলো দলত্যাগীদের সম্পূর্ণ নতুন একটা বন্ধুচক্র। প্রতিদিন নতুন নতুন কবিতা আর নতুন নতুন ফর্মের নৈরাজ্য। শাপলু'র (ডাক নাম) যেই টোনের সঙ্গে আজকের ব্লগীয় কবিতা পাঠকেরা পরিচিত তাঁর জন্ম সেই লণ্ডভণ্ড আনন্দের দিনগুলিতে। আমাদের সাধারণ অজানা রাশি ছিল ড্যাবস। যে একাধারে ধ্রুবক এবং চলক........এবং অবধারিত ভাবেই তর্কাতীত সুস্বাদু। গণিতের বিজ্ঞান যার এক নং অপছন্দ তা ই ড্যাবস। সেইসূত্রেই শাপলু এবং আরো কয়েকজনের মিলিত প্রচেষ্টায় তৈরী হয়েছিল ড্যাবসের গান। অসুন্দর গুপ্ত যূগের কবিতা থেকে এই সময়ের কবিতাগুলি মারাত্মক রকম আলাদা। কিন্তু কবির নির্মাণশৈলী আগের তুলনায় অনেকবেশী মৌলিক এবং স্বত:স্ফুর্ত। বানিয়ে বলার কোন দায় নাই। আবার বেরসিক পাঠককে ব্যাখ্যারও কোন দায় নাই। কেউ মানে জানতে চাইলে সেখানে আরো একটা কবিতার জন্ম হতো। যাতে আগেরটার চাইতে অনেকবেশী আনন্দদায়ক বিভ্রান্তি থাকতো। যেমন একবার কে যেন জিজ্ঞাসা করেছিল একটা নম্র পিস্তলের গুলিতে কয়কন জাতি বিলুপ্ত হলো... এর মানে কী? জবাবে শাপলুর সাথে আমি আর প্রিন্স কোরাসে গেয়েছিলাম, কয়কন পাখির ডিম আমার কয়কন পাখির ডিম.......। কারণ যুক্তিগ্রাহ্য পৃথিবী আমাদের সামনে ধারাবাহিকভাবে ভ্রান্তধারণাগুলির ক্রমবর্ধমান তালিকা ছাড়া আর তেমন কিছু রাখছে না। যা কিছু রাখছে তার পরিমাণ অল্প এবং সেগুলি যাচ্ছে হিজলতমালের ছেলেদের পেটে। এই অবস্থায় আমরা কী করতে পারি একটা আনন্দদায়ক ভাঙচুরের পৃথিবীর পরিকল্পনা ভাঁজা ছাড়া? যেই পৃথিবীতে যেই বাড়িত ভাত রান্দা হয় সেই বাড়িত বসে পড়া যায়; সব মেয়েরা সব ছেলেদের খেলা দেয়.........। এত সহজ কথা যে না বুঝে, নিজের বিভ্রমঅবস্থিতি নিয়ে সে চুড়ান্ত বিভ্রমের পর্যায়ের মাঝামাঝি আছে, যেখান থেকে ড্যাবসের বাড়ির দূরত্ব সমান শূণ্যভাগের এক (১/০)। অথচ বুঝতে চাইলেই কিন্তু খুব সহজে বুঝা যায় এই তড়িকার কথা। কোথাও কোন নতুন কথা নেই। খুব সহজে পেটের ভিতরের কথাগুলি সরাসরি বের করে বলে ফেলা। তারপরেও দেখা যেতো শাস্ত্রজ্ঞ হতে চাওয়ারা এইগুলির দিকে রক্তচক্ষু হানছে। কারণ শাপলুর ভাষায় বিজ্ঞান সম্ভবত: সহজ যে কোন কিছুকেই অপছন্দ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তারপর সেই যূগেরও শেষ হলো। সময়টা অতি সুস্বাদু ছিল বলেই হয়তো দ্রুত ফুরিয়ে গেলো। জীবনের ফেরে সবাই এদিকওদিক ছিটকে পড়লেও শাপলুর সাথে বন্ধুত্বটা থেকে গেলো। বা টিকে গেলোও বলা যায়। ততদিনে নানান উত্থানপতনে সেও আর অসুন্দরগুপ্ত নেই। পিতৃদত্ত ডাকনামেই তখন সবাই তাকে চেনে। সেই সময়ের টানাপোড়েনে...বিশেষত প্রতিষ্ঠানের প্রবল আক্রমণের মুখে অভিমান করে লেখা ছেড়ে দিয়েছিল শাপলু, কবিতা আর কখনো লিখবে না লিখলে গদ্য লিখবে এরকম একটা দূরবর্তী প্রত্যয়ে। একবার শুনতে পেলাম বিজ্ঞানভিত্তিক বন্ধুমহল তাকে নানারকম নিয়মিত যুক্তিতে বুঝিয়েছে যে সাহিত্য চর্চা এতো সহজ না। মহৎ সাহিত্য রচনা করতে গেলে প্রচুর পড়াশুনা করতে হয়। আর সহজ অনুভবগুলি হিসাব করে প্রকাশ করতে হয়। কারণ বেশী সহজ কথাই যদি বলবি তাহলে আর সাহিত্য কেন...ইত্যাদি। ততদিনে আমি হল ছেড়ে দিয়েছি। শাপলুও টাঙ্গাইলে। চিঠি মারফত জানালাম যারা এইসব ভগিচগি দেয় তাদের কথা গাট্টি বাইন্ধা কাঁচা পায়খানার বিষ্ঠা সাগরে অথবা পাকা কমোডে ফালাইয়া ফ্লাশ কইরা দিয়া খালি লিখতে থাকো। সেইসব পত্রালাপ কখনো ভুলবো না। কারণ সেই সময়কার একটা চিঠির সূত্র ধরেই এর প্রায় সাড়ে তিন বছর পরে আমি সামহোয়ারইনে জেনেসিস নামের একটা সিরিজ লিখতে শুরু করেছিলাম। জেনেসিসের জেনেসিস নিয়েও লিখবো একদিন। আজকের আলাপ শাপলুকে নিয়েই থাক। তারপর আমি একসময় সময়ের নানান বিভ্রান্তির মুখে পড়ে চলে এলাম হিট্লুর দেশে। এসে প্রথম কয়েক মাসে টের পেয়েছি প্রবাসে নি:সঙ্গতা কতটা ভয়াবহ। ঐ সময়টায় আমার প্রধাণ বিনোদোন ছিল ইউনিভার্সিটির পিসি পুলে বসে বন্ধুদের ইমেইল পড়া। আর সেখানে শাপলুর একেকটা মেইল ছিল একেকটা আনন্দদায়ক বোমার মতো। যা ফোটে ঠিকই কিন্তু তাতে গা পোড়ে না...রসময় ওম্ পাওয়া যায়। সেইসব পত্রালাপে অসংখ্য কবিতা এসেছে। কবির অনুমতি ছাড়া সেগুলি প্রকাশ না করাই ভালো। তবে বেশ বুঝতে পারছিলাম কবির আঙ্গুলগুলি লেখার জন্য হাঁসফাঁস করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইভাবে গেলো আরো বছর দুই। প্রবাসে যেই প্রতিবেশে ছিলাম বা আছি তাতে কবিতা দূরে থাক সাধারণ স্টেটমেন্টগুলিতেও কোথাও কোন ঐক্যের জায়গা খুঁজে পাওয়া মুশকিল ছিল। বাস্তবের কঠোরতা তেমন আহত করেনি যতটা করেছে নিজের কথাগুলি কোথাও বাটোয়ারা করতে না পারার খেদ। শাপলুর মেইলও পেতাম মাঝে মাঝে। সেও লড়াই করে চলেছে পেটের দায় মেটাতে। এবং বিজ্ঞানও যথারীতি বিমাতাসুলভ আচরণে কোন ব্যতিক্রম আনছে না। এই সময়ে মেইল আগের মতো ঘন ঘন না পেলেও অন্তত মাসে একটা পেতাম। সময় দিন দিন আরো খারাপ হতে লাগলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরকম একটা পরিস্থিতিতে একদিন হিমুর প্ররোচনায় সামুব্লগে ঢুকলাম। সেইকথা আগে বলছি অন্যখানে। সামুব্লগে একটু জমতে শুরু করার সময় শাপলুরে শুরু করলাম নতুন করে গুতানো। ছেলে কিছুতেই লিখবে না। তাকে নানান বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলে রাজী করাতে করাতে চলে গেল আরো বেশ কয়েক মাস। প্রথমে গোটাদুই ছোটগল্প পোস্ট করলো। সম্পূর্ণ অপরিচিত কায়দায় লেখা বলে খুব বেশী পাঠক শুরুতে টানতে পারলো না। যদিও শমিত, তীরন্দাজ, হিমু, হযবরল'র মতো পাঠকেরা শুরুতেই রতন চিনতে ভুল করেনি। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে একদিন রাতে কামলা থেকে ফিরে দেখলাম ফ্রন্ট পেইজে শাপলুর কবিতা। প্রায় সাড়ে তিন বছর পরে প্রথমবারের মতো আবার হারানো ড্যাবসের স্বাদ পেলাম। কবিতার নাম ছিল &lt;span style="font-style:italic;"&gt;কে যেন আমারে কামুড় দিল......&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এক ঝুম বৃষ্টির বিকালে কে জানি আমারে কামুড় দিল&lt;br /&gt;সম্ভবত কুত্তায়।&lt;br /&gt;নইলে কেন আমি কুত্তাপাগল হয়ে একদল হাড় হাভাতেকে বলবো&lt;br /&gt;এই বেঞ্চোদের বাচ্চুরা দাঁড়াও&lt;br /&gt;তোমাদের আইজ আমি বড় ধরনের শিক্ষায় শিক্ষিত বানামু&lt;br /&gt;তার আগে তোমরা তোমাদের লিঙ্গটাকে সাফ সুতরো করে নাও&lt;br /&gt;এবং বিকালের বৃষ্টিতেএকটু ফিফি করে কাঁদো&lt;br /&gt;জানি, কেউ কারো কান্না না বোঝো না শোনো&lt;br /&gt;তারপর ভাংচুরের আবহ আনো নিজেদের ভিতরে&lt;br /&gt;এবং তুমুল গর্জনে হাসিতে ফেটে পড়ো বিজলির মতোন&lt;br /&gt;পৃথিবীতে হাসি ছাড়া আর ভালো কিছু দেখি নাই।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর কয়েকদিন পরে &lt;span style="font-style:italic;"&gt;সব শ্যালকপুত্রই গেছে মরে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style:italic;"&gt;প্রজাপতি সিন থেকে বিবর্ণ জ্বিন&lt;br /&gt;সব শালাই গেছে মরে&lt;br /&gt;ভাংচুরেও আজ আনন্দ নাই , খালি প্যাটের ভিতর বেদনা কুহু কুহু ডাকে&lt;br /&gt;পালতোলা ঘুড়া কিংবা বালতোলা ভেড়া&lt;br /&gt;সব ছেড়ে দেই শুধু হাম্বা ব্যতিরেকে&lt;br /&gt;নিহত ডাইনোশুয়োর কিংবা টোনাটুনির বীর্যপতন&lt;br /&gt;মিশিমার বিড়ালখানিকে অযথাই ডাকে,&lt;br /&gt;আয় আয় আয়, খেলাখেলি খাই।&lt;br /&gt;মিশিমার বেড়াল, উড়াল দেওয়ার যাতনায়&lt;br /&gt;থিরথির করে কাঁপে, পাছার কাপড় তোলে হিশহিশিয়ে হিশি করে আর থিরথির করে কাঁপে, কাঁদে উড়ে যাবার যাতনায়&lt;br /&gt;হে বিনীত মানুষ, পীতরাজ বৃক্ষের গোটা&lt;br /&gt;যৌবনে জান বাজি রেখে লড়ে যাও,&lt;br /&gt;গন্তব্য অজানা।।&lt;br /&gt;তাই বিছানা ছেড়ে লাফিয়ে উঠে&lt;br /&gt;সিলিং ফ্যানের ইঞ্চি সাতেক নীচে&lt;br /&gt;মাথা গিয়ে পৌঁছায়,&lt;br /&gt;ও বাবাগো বলে বিছানায় পড়ে গিয়ে মাথা বাঁচাই।&lt;br /&gt;পৃথিবীতে আজ ভাংচুরেও আনন্দ নাই, তাই&lt;br /&gt;শুধু চুদাচুদির মহোত্তম পাপে নিজেকে জড়াই।&lt;br /&gt;জড়িয়ে মুড়িয়ে ঘন সব পাপ খেয়ে নিজেতে শুধাই&lt;br /&gt;সব শ্যালকপুত্রই কি আমার মতো গেছে মরে?&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সাড়া পড়ে গেলো। যারা বুঝলো তাঁরা ছাড়াও যারা বুঝলো না তাঁদের মধ্যেও। সারাদেশে আর সারাব্লগ জগতে তখন ভয়াবহ রাজনৈতিক সংঘাতের যূগ। এই স
