Monday, March 10, 2008

নিয়মিত লেখা আর ব্লগের লেখা ২

বাংলা ব্লগ জগতের বয়স বাড়ছে। এলাকাও বড় হচ্ছে। লেখক-পাঠকদের একটা সীমাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছে, থাকবেও। অন্তর্জালে ঘোরাফেরা করেন না যারা তারা এর বাইরেই থেকে যাবেন শেষপর্যন্ত। ব্লগের লেখা থেকে সংকলন প্রকাশিত হচ্ছে। ছাপা মাধ্যমে গিয়ে ব্লগের কিছু নির্বাচিত লেখা অফলাইন পাঠকের নাগালেও যাচ্ছে। কিন্তু সেগুলো শেষ পর্যন্ত ছাপামাধ্যমের নিয়মিত লেখার তালিকাভুক্ত হয়ে যাচ্ছে। ছাপা হয়ে আসা কাগজ সময়ের সাথে পুরনো হয়ে ঝুর...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Thursday, February 14, 2008

ভালোবাসা দিবসের গল্প

১৯৯৩ তেই মনে হয় শুরু হলো ঢাকায় ভালোবাসা দিবস। শুরু যদি নাও হয়ে থাকে অন্তত আমি তখনই প্রথম শুনি এই বস্তুর কথা। ভালোবাসার কথা আশৈশব জানি নাটক-সিনেমা ছায়াছন্দর কৃপায়। কিন্তু দিবস লাগিয়ে তার মহিমা শিফট করার বিষয়টি আমার কাছে সেবারই প্রথম। ১৯৯৩ তে আমি এসএসসি পাশ করা সগুম্ফ কিশোর। পড়ি তেজগাঁ কলেজে। মাথাভর্তি জটা পাকানো চুলের ফাঁকে ফার্মগেটের মৌলিক ধূলীকণার সাথে আরো গভীরে অধিষ্ঠাণ করেন পাথুরে আর ধাতব ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, February 13, 2008

ছেলেবেলার গল্প

আরিফ জেবতিকের সঙ্কলনে ছেলেবেলার গপপো দিতে না পারার কৈফিয়ত দিয়ে নিচ্ছি আগেই। বিগত ১ সেপ্টেম্বর ২০০৭ রোজ শনিবার সন্ধ্যায় হিমুকে রিসিভ করতে ফ্রাঙ্কফুর্ট যাত্রার পূর্ব মুহুর্তে আমার অতি সাধের পঁচা কম্পিউটারটা দীর্ঘদিন কমাতে টিকটিক করে শেষ পর্যন্ত ফুলস্টপ হয়ে গেল। প্রথম কয়েকদিন বিশ্বাস করতেই কষ্ট হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বাস্তবতা মেনে নিলাম। কিন্তু কম্পু এমনই জিনিস যার কোন ভার্চুয়াল প্রতিস্থাপন সম্ভব নয়। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, December 23, 2007

টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী? ৪

তারপর আরো কিছুকাল গেলো। কিছুকাল ব্যাপারটা যেভাবে যায় সেভাবেই গেলো। মীর মশাররফ হোসেন হলে একদা ফ্লোরিং করতাম। তারপর খাটে উঠলাম। তারপর নানা যূগ পেরিয়ে ডাবল রুমে একা। ১০২ বি। বসন্তের বাতাসের মতো বর্ষার জলও আড়াআড়ি বয়ে যেত সে ঘরে। শীতকালে দেওয়ালগুলো হালকা সবুজে ফুলে উঠতো। আমি বিরাট ডবল রুমে আধকাঁটা মোরগের মতো ইচিং বিচিং খেলতাম হাঁচি দিতে দিতে। পলো দিয়ে ধরবার কেউ ছিল না। নাসিকা ফুলতে ফুলতে একপর্যায়ে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, December 02, 2007

টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী? ৩

তারপর সময় বরাবরের মতোই এলোমেলো। পৌণপুণিক ধরা খেতে খেতে একসময় প্ল্যান করাই বাদ দিলাম। সঞ্চয় বলতে ফেলে আসা সময়ের খাবলাখানেক টাস্কি। তাই থেকে পেটিবুর্জোয়া লবণ-চামচের আধপেটা চাখাচাখি।৭৫০ একরের এমাথা ওমাথা অনেক হলো। বাকি থেকে গেল আসলে যা লিখতে চেয়েছিলাম। প্রতিটা মজমার তলানিতে থেকে যেত কেবল পরবর্তী মজমার স্বত্ত্ব, ইউক্যালিপটাসগুলোকে ক্ষণিক চৈতন্যপ্রভা দিয়ে উবে যেত বোধি। ফজিলতের উছিলা ফিরে ফিরে আসতো।২২ ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Saturday, November 10, 2007

টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী? ২

১৯৯৭। ক্যাম্পাসে ঢুকেছি বেশীদিন হয়নি। কাঁধের উপর ২০ মাসের সেশন জট নিয়ে কি কি যেন ভেবেছিলাম ক্যাম্পাসে পা দেবার আগে। পাদিবামাত্র সব উবে গেল। প্রথম দুই তিনদিন একটু ভ্যাক ধইরা ছিলাম। পোলাপানরে দেখতাম আর মনে করতাম কি ব্যাপার সবাই এরকম পোলাপানের মতো করে ক্যান?তৃতীয় কি চতুর্থ দিনে একবার ধুন্ধুমার ঝড়ের মুখে কারেন্ট গেলগা। বিষাদ সিন্ধু (মীর মশাররফ হোসেন হল) এমনিতেই পাগলাগারদ হিসাবে পরিচিত। কারেন্ট গেলে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Monday, November 05, 2007

টোপ দিলেই যে কেঁচো মাছ খেয়ে ফেলবে তার গ্যারান্টি কী? ১

১৯৯৯। নিবাস ছিল মীর মশাররফ হোসেন হলের ১০২/বি। মাথা ভর্তি নানারকম আজগুবি চিন্তাভাবনা। প্রাক্সিসে নানারকম প্রগতিশীলতার অভিনয়। কবিতা লেখারও। যা লিখতাম কবি-পাঠক প্রথম দর্শনে টাস্কি খাইতেন। প্রতিক্রিয়ায় বুঝতে পারতাম তাদের মতে ওগুলো ঠিক কবিতাও নয় গদ্যও নয় অন্য কোন কিছু। তো সেই অন্য কিছুর কপালে ছোট-বড় কোন কাগজেই জায়গা জুটতো না। এলোমেলো পড়ে থাকতো নিজের আর বিভিন্ন বন্ধুবান্ধবের খাতায়। খাতার পেছনের পাতায়। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, October 28, 2007

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার

ফারুক ওয়াসীফের লেখাটা রীতিমতো টনিকের কাজ করলো। বসে গেলাম লিখতে। কিন্তু কি বলবো? যুদ্ধাপরাধ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার,ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ইত্যাদি বিষয়ে নতুন করে বলার কথা খুঁজতে হাঁফিয়ে উঠতে হয়। কারণ সমস্যা একেবারেই গোড়ায়। মৌলউপাদানে। সামধান-উদ্যোগের প্রথম ধাক্কায় খরচের খাতায় যাবার সম্ভাবনার কথাই মাথায় আগে আসে। আলোচনাগুলো শেষ পর্যন্ত সুবিধাজনক বৃত্তের মধ্যে ঘুরতে থাকে। ঘুরতে ঘুরতে আলোচক একসময় পিনিকে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, October 23, 2007

নক আউট পর্ব

একটা বিষয় দিন দুই ধরে মাথায় ঘুরছে। ট্রেড ইউনিয়ন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আর প্রচার মাধ্যম তিনটি স্থানই কোন না কোনভাবে কর্পোরেট কাঠামোতে ঢুকে আছে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবার পর থেকেই। অর্থাৎ এই জায়গাগুলোকে প্রতিষ্ঠাণ সুবিধামতো ব্যবহার করতে পারবে এদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখেই। বিশেষত প্রচার মাধ্যমের শীর্ষব্যক্তিদের বিভিন্নভাবে হাতে রেখে সমালোচনা আর বিরোধীতার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা ইংরেজ বিদায়ের পরে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, September 25, 2007

চান্দুকথা

গত পরশু রাত্রে একটা কথা মাথায় আইলো। ফক্স টিভির কথা সত্য হইয়া থাকলে নীল আর্মস্ট্রং এর আজান শোনার একটা চান্স থাকলেও থাকতে পারে, যদি কুব্রিকের স্টুডিও লন্ডন জামে মসজিদের পাশে হইয়া থাকে। নাসার কথা সত্য হইলে আর্মস্ট্রংরে সোজাসুজি জিজ্ঞাসা করা দরকার সে আসলে কি কি শুনছিল বা আদৌ কিছু শুনছিল কিনা, চান্দের গায়ে আদৌ কোন ফাডাফুডা দেখছিল কিনা, দেখলে সেইটা কেমন ফুটা। হাদিসের বর্ননা থিকা তো শুনছিলাম (কোন হাদিস ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...