Saturday, June 30, 2007

ডি এক্ ক্নাইপে ৩

এরপর টানা বহুদিন যাওয়া হয়নি নানা ব্যস্ততায়। আসলে মাসে অন্তত দুই রবিবার কোন না কোন প্রোগ্রাম থাকে। আর সোমবারের ক্লাস-সেমিনার-কামলার কথা ভেবে রবিবারগুলো দুপুর থেকেই একরকম পানসে হয়ে আসে।২০০৫ এর গ্রীষ্মকালীন ছুটি। উর্ধ:শ্বাসে কামলা চলছে। উইকেন্ডগুলোকে মনে হয় অমৃত। কোন এক শুক্রবার কামলা থেকে একটু তাড়াতাড়ি ছাড়া পাওয়া গেল। পকেটের দিক থেকে দেখলে দু:সংবাদ। কিন্তু হপ্তাভরে কাজ করে প্রাণ হাঁফিয়ে উঠেছিল। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Saturday, June 23, 2007

চ শী শম্ম্যা!

জার্মানীতে আসবার পর বেশ অনেকটা সময় কেটেছে চীনাদের সাথে। ল্যাংগুয়েজ কোর্সে ১৭ জনের মধ্যে ৯ জন চীনা। ব্রেকের সময় ইচিং বিচিং শুনতে শুনতে মাথা ভোঁ ভোঁ করতো। কেমন কেমনে কয়েকজনের সাথা খাতির হইয়া গেল। DSH পরীক্ষার আগে সমবেত মডেল টেস্ট দেওয়ার সময় এই খাতির আরো বাড়লো। এর মধ্যে কয়েকজনের সাথে বন্ধুত্ব শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হইয়া গেল। হু নিং, ইয়াং মিং, ভু তিয়েন, ঝু চিয়ে , হাদা এদের সাথে এখনো যোগাযোগ আছে। ২০০৩ এর ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Monday, June 18, 2007

গ্লাইস আইনস

বছর দুই আগের কথা। স্টুটগার্ট থেকে কাসেলে পৌছতে রাত ১২টা বেজে গেল। স্টেশন থেকে বের হবার মুখে ধুন্ধুমার বৃষ্টি। জ্ঞানীলোকের মতো ছাতা ছাড়াই বেরিয়েছিলাম বাসা থেকে। সুতরাং স্টেশনে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্দি। মেজাজ ৯ম এ উঠে গেল। বার্গার কিং এ গেলাম মুততে। গিয়ে দেখি টয়লেট বন্ধ। ভ্রাম্যমাণ বীয়ার রসিকদের প্রবাহ ঠেকাতে এই ব্যবস্থা। অনুরোধ করে কোন রকমে প্রাণরক্ষা হলো। তারপর আবার বাইরে। এই মাথা ঐ মাথা করলাম ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, June 17, 2007

ডি এক্ ক্নাইপে ২

জায়গাটা আবিস্কার করি ২০০৫ এর কোন এক রবিবার। বিভিন্ন কারণে মাথা গরম হইতে হইতে এক পর্যায়ে ল অফ ডিমিনিশিং রিটার্নে ভুদাই হইতে শুরু করছি। সময়রে হাতি দিয়া টাইনাও সামনে নেওয়া যায় না। মনে হইলো বাইর হই একটু। ভোদর হইয়া বাইসা থাইকা লাভ নাই।তখন ভরা গ্রীষ্মকাল। ঠা ঠা রোইদ। ইউরোপের গ্রীষ্মকাল বিকিনিভূষিতাদের ব্যাস্তানুপাতে শুস্ক। সবরকম তৃষ্ণা একসাথে বাড়ে।কিছু দূর হেটে ভাবলাম পছন্দমতো বীয়ার গার্টেন বা খোলা পাব...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, June 10, 2007

ডি এক্ ক্নাইপে ১

কাসেল শহরটা উপর থেকে একটা সানকির মতো দেখতে। চারদিকে পাহাড়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জার্মানীর ষষ্ঠ গুরুত্বপূর্ণ শহর ছিল।শহরের যে অঞ্চলে বর্তমান কাসেল বিশ্ববিদ্যালয় সেখানে নাৎসীদের অস্ত্র কারখানা ছিল।১৯৪৩ আর ১৯৪৪ এ দুই দফা ধুন্ধুমার বোমাবর্ষণে গুটি কয় দালানমাত্র অবশিষ্ট ছিল। তার মধ্যে আছে সেই অস্ত্রকারখানার বিশাল একটা চিমনি।আর শহরের উপকণ্ঠে ষোড়শ শতকের বিশাল দূর্গ হারকিউলিস।অস্ত্র কারখানার চিমনি ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, June 03, 2007

মতাদর্শিক আধিপত্য এবং ইন্টেলেকচুয়াল মকারি

প্রিয় সাদিক গত কয়েকদিন যাবৎ কোন বিষয়ে খুব বিব্রত, বিরক্ত। ক্ষণিকের উত্তেজনায় অনরত ভুল শট খেলে প্যাভিলিয়নে ফেরত যাচ্ছেন। প্রতিবারই মনে হচ্ছে ভুল কাউকে লাড়ছেন। কেস হয়ে গেলেও থামছেন না। কি যেন একটা বলতে চাচ্ছেন। বোঝা যাচ্ছে না। এদিকে বোলাররাও তাকে পেয়ে বসেছেন। বিষয়টা ভালো লাগছে না। ব্লগ কিন্তু লেখারই জায়গা। এইখানে লোকে লেইখা যার যার মত প্রকাশ করে। মাথা থিকা যে কথা বাইরায় তার লগে শরিলের আর শরিলের লগে...
-->বিস্তারিত পড়ুন...