Sunday, December 27, 2009

টুকরো টুকরো লেখা ১৮

কথা তাই যা মাথায় ঘোরে। বলতেই হবে এমন না। মাথায় যতকিছু ঘোরে তার একদুই চিমটি বলা হয়। বাকিটা ছ্যাড়াব্যাড়া পড়ে থাকে মগজের এখানে সেখানে। কোনটা বলার আর কোনটা হারাবার তার স্কেলের বেঁটে বেঁটে দাগগুলি বহুদিন মুছে গেছে। কখনো আন্দাজে দাগাদাগি করি বেশীরভাগ ডোন্টো কেয়ার।যে কথাগুলি বলা হয় নাই তার কোন টোট্যালিটি নাই। থাকার কথাও না। থাকলে পরের কথাগুলি কখনোই বলা হতো না। কথাগুলি আসলেই কি পরের? আপাত: পরিত্যক্ত ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, December 23, 2009

টুকরো টুকরো লেখা ১৭

উদ্ভট একটা ব্যারাম হয়েছে। হাতপা চাবায়। যেমনতেমন চাবানো না রীতিমতো কুচুরমুচুর করে চাবায়। কখনো মনে হয় ভোজপুরী পালোয়ান দিয়ে শরীর মালিশ করাই, কখনো মনে হয় স্পঞ্জের দাঁতওয়ালা কুমির দিয়ে হাঁটুর নিচ থেকে গোড়ালির আগ পর্যন্ত আনন্দদায়কভাবে চিবাই। কখনো নিজেই নিজের পা টিপি। কিছুক্ষণ টিপলে চোখ ভেঙে ঘুম পায়। আর এই সমস্যা হয় শুধু মাত্র একটু আরাম করে বসলে। ঠ্যাঙ যতক্ষণ হাঁটার উপর থাকে ততক্ষণ সুপার ফিট। এই রোগের ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Monday, December 14, 2009

বুদ্ধিজীবি হত্যার প্রতিশোধ চাই

কত সহজেই না রাজনীতির মারপ্যাঁচে ইতিহাসের দগদগে ঘা'কে আমরা ঢেকে রাখি। প্রতিবছর ঘুরে ঘুরে ১৪ ডিসেম্বর এলে বিচার চাই বিচার চাই বলে আবার চাদর টেনে দেই। গ্যাংগ্রীনের পুঁজ মেখে সেই চাদর বহুদিন থেকেই তার বর্ণহীনতা খুইয়েছে। এখন চট করে বাইরে থেকে দেখলে একরকম ডেকোরেশন মনে হয়। বেশ চমৎকার মানিয়ে গেছে বর্ণাঢ্য ইতিহাসের শোকেজে। বছর বছর ঘোমটা খুলে কয়েক মুঠো ধবধবে সাদা লবণ ছিটাবার রিচুয়াল পালন .....রিচুয়াল পালিত...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, December 11, 2009

কয়েকটি পোমো গল্পের খসড়া

বছর আড়াই-তিন আগে কোন একটা সেমিনারের শেষে ম্যাক্রো-সোশিওলজির প্রফেসার ড. হাইনৎস বুডে'কে আধুনিকতা আর উত্তরাধুনিকতার সহজ সংজ্ঞার্থ জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বললেন, "এই ব্যাপারগুলির আসলে কোন ডেফিনেশান নাই। উদাহরণ দিয়ে কিংবা উদাহরণগুচ্ছ দিয়ে বুঝতে হয়। আমার মতে সরলতম উদাহরণ হতে পারে এরকম: আধুনিকতা হচ্ছে প্রফেসারের লেকচার পছন্দ না হলে বের হয়ে চলে যাওয়া আর উত্তরাধুনিকতা হচ্ছে অপছন্দের লেকচারের সময় বসে বসে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Saturday, November 14, 2009

ডী এক্ ক্নাইপে ৫

(এই সিরিজের শেষ পর্বটা আইছিল ২০০৭ এর ৩০ আগস্ট। দুই বছর পরে কোন সিরিজের পুনর্জন্ম পরবর্তী পাঠকদের বিভ্রান্ত না করার কোন কারণ নাই। কিন্তু আমার সিস্টেমটাই এইরকম হইয়া খাড়াইছে। এরকম না হওয়াই ভালো। কিন্তু যা ভালো তা আমার হইতেছে না। হওয়ানো দরকার। মাঝে মাঝে খুব উদ্যোগটুদ্যোগ নেই। তারপর বুকডন দিতে গেলে দেখি পাখনায় ব্যাথা। ভেজিটেরিয়ান হইয়া যামু নাকি ভাবতাছি ........পাঠকের মাইর না খাইতে আগের পর্বগুলার ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, November 04, 2009

টুকরো টুকরো লেখা ১৬

সচলায়তনে লেখার মান নিয়ে নানান কথা হয়। সেইসব কথার সাথে আমার যে তেমন দ্বিমত আছে তাও না। বাজে পোস্টগুলির নমুনা দেখি। শঙ্কিত হই নিজের লেখাজোখা নিয়ে। বাংলা ব্লগিঙের শুরু থেকে কালিরামের ঢোল ফাটিয়ে নেচে চলেছি বলে কখনো ভাবতে চেষ্টাও করিনি পাঠকরা হঠাৎ একদিন "বল হরি" শুরু করলে কোন্দিক যাবো। এইসব ভাবনা কান টেনে চাঁদিতে ঠুয়া মারে। ঠিক কোন স্কেলে টিউন করতে চায় বোঝা যায় না। ১. কত কাজ জমে আছে ভাবতে যাবার মূল ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Monday, November 02, 2009

টুকরো টুকরো লেখা ১৫

মিউনিখ থিকা ফিরছি দুই সপ্তাহ হইয়া গেলগা। ছুটির আমেজ গায়ে ল্যাপ্টাইয়া আছে। কিছুতেই ছুটাইতে পারতেছি না। কালকে থিকা আবার একটা ব্যস্ত সপ্তাহের শুরু। কাজ যত বাড়ে কাজের ইচ্ছা তত কমে। এইসবের মধ্যে একেকটা উইকেন্ড একেকটা মুক্তাঞ্চলের মতো। তাও যদি আবার বদ আবহাওয়ায় খাইয়া ফালায় তাইলে ইজি থাকা কঠিণ। গতকালকে সকাল থিকা শুরু হইছে টিপটিপ বৃষ্টি। থামার নাম ভূলেও নেয় নাই। এরকম পরিস্থিতিতে মনমেজাজ খারাপের মাত্রা ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, October 13, 2009

মিউনিখনামা : অক্টোবর ফেস্ট

ভূতের মতো কয়েকদিন টানা কাজ কইরা তারপর ছুটি নিলাম হপ্তাখানেক। নেওয়াটা ফরজ ছিল। কিন্তু সপ্তাহ পার হইয়া যাওয়ার পরেও দেখি আর কাজে ফিরতে মন চায় না। মন না চাওয়াটা একটা জটিল সঙ্কট। বয়স বাড়তে বাড়তে মনের এই বেয়াড়াপনা বাড়তেছে আর পাল্লা দিয়া কমতাছে মনের উপর জোর খাটানোর ক্ষমতা। এইটার চিকিৎসা আদৌ আছে কী না জানিনা। ১. আগস্টের শেষে কাসেলের সচল সম্বেলনের সময় থিকাই প্ল্যান কইরা রাখছি এইবার অক্টোবর ফেস্টে যাইতেই ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, October 06, 2009

বোকাবুড়োরা কি কোনদিন পাহাড় সরাতে পারেন?

না রে ভাই আমার লগে তর্কটর্ক কইরা লাভ নাই। আমি কাউরে ডিফেন্ড করতে আসি নাই। কারো কারো যেমন আইয়ুব বাচ্চুর গান ভালো লাগে গণবিপ্লবের ইতিহাসগুলা হয়তো আমার অনেকটা ঐরকমই। ভাল্লাগছে তাই শেয়ার করলাম। কারো ভালো না লাগতেই পারে। এইটাতো মুল্টিকুল্টির যূগ। তাছাড়া দিনকাল পাল্টাইয়া গেছেগা। আর দুইদিন পরে ভার্সিটিগুলাতে আইটি আর বিজনেস ছাড়া আর কিছু পড়ানো হইবো না। কারণ আর কিছুর তো দরকার নাই। ক্রিটিক্যাল সায়েন্স বইলাও...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, September 29, 2009

কাসেলের চিঠি ১

১. আর মাত্র চারদিন। আগামী রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলবে ফেডারেল রিপাবলিক অফ জার্মানীর সতেরতম সাধারণ নির্বাচন। মনুষ্যসমাজের আর দশটা নির্বাচনী রাজনীতিভিত্তিক রাষ্ট্রের মতো জার্মানীতেও সাধারণ মানুষের মধ্যে নির্বাচনী রাজনীতি সম্পর্কে একধরণের সাধারণ হতাশা বিরাজ করে। সাধারণ মানুষ বলতে অবশ্যই নিম্নবিত্ত খেটে খাওয়া মানুষের কথা বলছি। জার্মান নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণী পুঁজিবাদী বিশ্বে বৃহত্তম না হলেও ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, September 22, 2009

হুতোম হাসি মুখ করে ....

আমার মুখে বুলি ফুটিয়েছেন সুকুমার রায়। বয়স বাড়তির দিকে যেতে যেতে আরো অনেকের অনেক কিছু পড়েছি বা পড়ার ভ্যাক ধরেছি। খাবলা-পরিমাণ হয়তো জেনেছিও। ভুল বুঝেছি সম্ভবত তার নয়দশমাংশই। পুরো জীবনটা ব্লেন্ডারে ফেলে পাস্তা বানিয়ে রাম চিপড়ানি দিলে যতটুকু সারবস্তু তার পুরোটাই হযবরল। "নিঝুম নিশুতিরাতে একাশুয়ে তেতলাতে" প্রবল ক্ষুধার মুখে লাল রঙের সেই ডিমাই আকারের বইটা সর্বশেষ বেঁচে থাকে। সারা দুনিয়া রসাতলে গেলেও "আই...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, September 18, 2009

ক্যাথারসিস

কয়েক দিন আগেই বলতেছিলাম যে এই দুনিয়ায় মন খারাপ হওয়ার ঘটনার কোন অভাব নাই। আসলে কথাটা পুরা ঠিক না। বলতে পারেন যে মন ভালো হওয়ার মতো নিয়মিত বিনোদনই একরকম ইউটোপিয়া। কিন্তু মৌজ ছাড়া এই বদসুরত দুনিয়াতে চান্দি শাফল কেমনে দেয়? চান্দিরে শাফল না করতারলে মগজ হয় বেশী তাপে শুকাইয়া যাইবো নাইলে দ্রুত হিমাঙ্কের নিচে গিয়া সচলায়তনের ব্যানার বানাইয়া দিবো।সুতরাং নেগেটিভ এন্টারটেইনমেন্টের আপাতত কোন বিকল্প নাই। অপরে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Thursday, September 10, 2009

টুকরো টুকরো লেখা ১৪

আবার আঙ্গুলগুলা কাইণ্ঠামি করতাছে। সচলে আইসা আইসা ঘুইরা যাই মাগার হাত চলে না। মাথাও না। একরকম সর্বগ্রাসী স্থবিরতায় পাইয়া বইছে। এইটার কোন সমাধান পাইতাছি না। লেবুর পানি আর দুধচিনি ছাড়া সস্তা ফিল্টার কফি বহুত খাইলাম। তাতে ডিপ্রেশন আরো বাড়ছে। কারণ? এই দুনিয়ায় মন খারাপ করার মতো কারণের অভাব আছে? ১. জার্মান টাইম সকাল থিকা মনমেজাজ আরো খারাপ। আনু মুহাম্মদের উপরে এই হামলা নতুন কিছু না। গতবার আওয়ামী লীগের ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, August 07, 2009

খাবলা খানেক অণুগল্প

১.ষাটের দশকের মাঝামাঝি। পুরনো ঢাকার কোন ঐতিহ্যবাহী পরিবারে বিয়ের অনুষ্ঠাণ শেষে বরযাত্রী বাড়ি ফিরেছে। অনেক পরিবারের রীতি অনুসারে বৌয়ের সাথে তার ছোটবোনও এসেছে ছেলের বাড়িতে। নতুন বৌ এলে যা হয়। বাড়িময় বিশাল হুলুস্থুল। বৌয়ের পাধুইয়ে টাকা নেওয়া, গানবাজনা নাচানাচি সব কিছুর পরে একসময় সবাই ক্লান্ত হয়। যাদের বাড়ি কাছে তারা বাড়ি গেলো। বাকিদের সবাইকে ঐ বাড়িতেই চিৎকাৎ হতে হবে। বরকণে চলে গেলো সাজানো বাসরে। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, August 05, 2009

টুকরো টুকরো লেখা ১৩

আমার দ্বারা আর কখনো নিয়মিত লেখা আদৌ হবে কিনা আজ সারা দুপুরবিকাল ধরে সেটাই ভাবছিলাম। সচলায়তন খোলাই থাকে মোটামুটি সারাদিন। মাঝে মাঝে লগইন করে এদিক ওদিক ধুনফুন কমেন্ট করি, তারপর ভুদাই হয়ে বসে থাকি। কখনো দুইলাইন তিনলাইন লিখলেও মনে হয় এইটা আবার কী লিখলাম? কখনো গুণ গুণ করি, আমি সব দেখেশুনে ক্ষেপে গিয়ে বলি বাংলায়, ধুর বাল!১.গতকাল ছিল ২ আগস্ট। ১৯৯৯ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অভূতপূর্ব একটা ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Monday, July 27, 2009

আহ্ কবিতা.... সবুজ বাঘ....

সবুজ বাঘের সাথে পরিচয় ১৯৯৮ সালের কোন এক ইলশে গুড়ি বৃষ্টির দিনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পোস্ট অফিসের সামনের কালভার্টে। মুখভঙ্গী দেহভঙ্গীর পুরাপাগল বৈশিষ্ট্য কিছুকাল আগেই দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল। অভ্যস্ত কায়দায় ভেবেছিলাম এও জাহাঙ্গীরনগরের আর দশটা পাগলের মতো পাগলের লেবাস ধরতে ভালো পায়। তারপর সেই ইলশেগুড়ি বৃষ্টির দিনে ২৩তম ব্যাচের অভী আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলো। শুরুতেই জানালো এই হচ্ছে অসুন্দর গুপ্ত। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Thursday, July 23, 2009

........ তাছাড়া ফেইসবুক একটা উত্তরাধুনিক প্লাটফর্ম

বজলুর রশীদ বজলু টেকি লোক। বয়স ২৯। টেলিকম বানিজ্যের কৃপায় অল্প বয়সেই ক্যারিয়ারে অনেক কারিশমা দেখিয়েছেন। কিন্তু দুয়েকজন অভাগার মতো তারও ক্যারিয়ারের ফেরে আর প্রেমট্রেম হয়ে ওঠেনি। বিয়ের ওয়েটিং লিস্টেও বেশ খানিকটা পিছিয়ে। তার সামনে বড় দুই ভাই মুর্তিমান খাম্বা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। জাবরকাটা স্মৃতির অনুপস্থিতিতে ইয়াহুর চ্যাটরূমগুলিই ভরসা। কিন্তু বছর দুই যাবৎ ইয়াহুতে পোষাচ্ছে না। ভর্তি সব ফেইক লোকজন। প্রমীলা ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Saturday, July 11, 2009

একমাত্র তোমাকে সত্য বলে মানি

১.মাথাটা হাঁটুতে গুঁজে টেনশন কমাবার চেষ্টা চলছিল। মালগাড়িতে এমনিতে টিকিট চেকার সচরাচর আসে না। তারপরেও এসে পড়লে মুশকিল। ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ট্রেন মিস করে গয়রহ মফিজদের সাথে চরে বসেছে মালগাড়িতে। চেকার যদি আসেও কিছু পয়সা দিলে কথা বাড়াবে না। ভয় আসলে চেকারকে না পুলিশকে। চেকার যদি হুট করে ঠোলা ডেকে বসে তাহলেই সর্বনাশ। কোমরে গোঁজা পিস্তলে এখনো রাউন্ড দুয়েক গুলি জীবিত আছে। যাত্রীবাহী ট্রেন মিস করে একদিক ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...