Wednesday, December 29, 2010

টুকরো টুকরো রেসিপি

খাওয়া বন্ধ না হওয়ায় রান্নাও বন্ধ হয় না। কারণ তৈরী খাবারে সময় বাঁচলেও পয়সা বাঁচে না। আবার ঘরেও মন মতো এইটা সেইটা করতে গেলে সবসময় পকেটের সাথে  ঘড়ির সাথে ম্যাচ করে না। সুতরাং পয়সা আর সময় বাঁচে আবার জিবলাও খুশি থাকে এরকম কিছু রেসিপি আবিস্কার করা আমার মতো সর্বহারার জন্য বিপ্লবের মতো না হইলেও অন্তত লেবার ওয়েলফেয়ার অফিসারের সদ্যকেনা মার্সিডিজে ইটা মারার মতো ফরজ। সেরকমই ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, December 03, 2010

ফোরেলে সন্ধ্যায় স্মৃতি খাউজানি

সচলায়তনে ইদানিং বেশ রেসিপিটেসিপি পড়তেছে। দিফিও’র রেসিপি ধইরা কালী পূজার দিন কাচ্চি রানছিলাম। মাইনসে ভালোই কইছে খাইয়া। সেইটা যে পুরাপুরি ভদ্রতা না পাতিল খালি হওয়া তার প্রমাণ। তারপরের কয়েকদিন গেলো আবারো ধুনফুন খাইয়া। কোনদিন ইউনির মেন্জায়, কোনদিন তুর্কি দোকান থিকা ড্যোনার কিংবা ভেড়ার মাথার সুপ আর নাইলে রুটি দিয়া টমেটো ডিমের লণ্ডভণ্ড। সময়টা খারাপ। আগেও খারাপ ছিল। ভবিষ্যতেও খুব সাংঘাতিকভাবে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, November 14, 2010

জগদম্বা ! রাখিস মা রসেবশে !

প্রবাসীদের বিশেষ করে পশ্চিমের প্রবাসী বাঙ্গালীরা, নিদেনপক্ষে তাঁদের একাংশ ভয়াবহ সাংস্কৃতিক সঙ্কটে পড়েছেন বা পড়তে যাচ্ছেন। উত্তর ভারতের সাংস্কৃতিক আধিপত্যের কাছে ধীরগতির বিষক্রিয়ায় আত্মসমর্পন করে ফেলছেন তাঁরা। এই ব্যাপারে আমার মতে মিডিয়াকে একতরফা দায়ী করা যাবে না। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের জায়গাটা মনে হয় সব থেকে জরুরি। ভারতীয় বা পাকিস্তানীদের সাথে ভাববিনিময়ের ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Saturday, November 06, 2010

টুকরো টুকরো লেখা ২৪

ভাবেসাবে মনে হচ্ছে এইবার শীতকালটা উল্টা পোলভোল্ট করে ২০০৬/৭ বা ২০০৭-৮ এ চলে যাবে। নইলে আজ ২৯ অক্টোবর দুপুরে শুধু একটা টিশার্টের উপর জ্যাকেট পড়ে ঘামাতে হতো না। বুড়ো জার্মানরা অবশ্য এই জাতীয় আবহাওয়ায় অখুশী। তাঁদের মতে শীতের দিনে শীত না পড়ার অর্থ সামনে কোন অমঙ্গল অপেক্ষা করে আছে। হয়তো ঠিকই বলেন। তবে সারাদিন রোদ পাওয়া যাচ্ছে বলে তেমন খারাপ লাগছে না। বরং বর্তমান পরিস্থিতে অন্যায় করে হলেও ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, October 29, 2010

দু:সময়ের ফুটুস

কম্পুতে লেখালেখির একটু বড়ো সুবিধা হচ্ছে, হাতে লেখা বা পুরনো টাইপ রাইটারের মতো এখানে খসড়া বাতিল করতে কাগজ নষ্ট হয় না। সিলেক্ট করে ডিলিট মারুন। ফুটুস। গত কয়েক মাসে বা বছরে আমার ব্লগীয় জীবনে এরকম ফুটুসরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ। যা কিছু প্রকাশিত হয়েছে তার সবটাই এইসব ফুটুসের ফাটাফুটো গলে। সেগুলির অবস্থা ফুটুসরাজির থেকে ভালো ছিলো এরকম বলার তেমন কোন সুযোগ নাই। অনেকটাই নির্ভর করেছে প্রকাশ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Thursday, September 16, 2010

টুকরো টুকরো লেখা ২৩

বলার কথা অনেক থাকার বিপদ হচ্ছে কথা জমতে জমতে একসময় মুখ-আঙ্গুল-মগজ সব একসাথে ব্লক হয়ে যায়। তখন ভুদাই হওয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না। এরকম ভুদাই হয়েই অবশ্য এই অপ্রয়োজনীয় জীবনের বেশীরভাগটা পার করে দিয়েছি। বাকিটা কীভাবে পার হবে বা আদৌ হবে কী না ভবিষ্য তার বিচার করতে পারবে কি পারবে না এইসব ভাবনাও ভুদাই সত্ত্বাকে ভুদাইতর করে। গত এপ্রিল থেকে নিষ্ক্রিয়। প্রায়ই সচল খুলে বসে থেকেছি। মাঝে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, May 30, 2010

তবু্ও কেবলি দৃশ্যের জন্ম হয়

ব্যপক বিনোদোন পাইতেছি। একটু আগে প্রথম আলোর ব্রেকিঙ নিউজ দেখলাম। খুব ভাল্লাগলো। এতো ভাল্লাগলো যে বলতে হয় "ভাল্লাগছে"। বিটিআরসি'র চেয়ারম্যান সাহেব কইছেন, উদ্ধৃতি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে—এমন কিছু কার্টুন ও ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করা হচ্ছিল। এসব কার্টুন যাতে প্রকাশ না হতে পারে, সে কারণে বিটিআরসি এর শাখা লিংকগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তা করতে না পারায় সরাসরি ফেসবুকই সাময়িক বন্ধ ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, April 23, 2010

টুকরো টুকরো লেখা ২২

শুক্রবার পর্যন্ত ভূতের মতো কাজ করেছি। টানা চারদিন ইস্টারের বন্ধ। গত সপ্তাহজুড়ে যেই বিশাল কর্মতালিকা বানিয়েছিলাম তাতে ধূপধুনো দিয়ে ঘুমের উপর আছি। পরিকল্পনা একটা ভ্রান্ত ধারণা। এই মহাসত্য জানা সত্ত্বেও একের পর এক ভ্রান্তির টানেলে ক্রলিং করছি। এর শেষ খুঁজতে যাওয়াও একটা ভ্রান্ত ধারণা। ১. বঙ্গবীর ডিগবাজী মারছেন বেশ অনেক বছর আগেই। এখন আস্তে আস্তে পলিটিক্যাল ক্লাউনে পরিণত হইতেছেন। চারিদিকে পরিবর্তনের ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Monday, April 05, 2010

আম কোয়নিগস্ প্লাৎস্ :::: ১০

পর্ব ৯ বোলিঙ ক্লাবের ঘুঁটির মতো বারান্দার রেলিং ঘেঁষে বীয়ারের সারি। শেষ দুটো বীয়ার নামিয়ে রেখে খালি বোতলগুলি তুলতে গেলে সোহাগ বলে,- থাক ওগুলি সকাল পর্যন্ত। ভালো একটা ডেকোরেশান লাগতাছে।- হ...এই দুইটা খালি হইলে ছবি তুইলা রাখতে হইবো। কেইসের শেষ দুই বোতলের ঢাকনা খুলে সোজা চোখের দিকে তাকিয়ে "প্রৌস্ট" (চিয়ার্স!) করলো দুই বন্ধু। দশটা বাজতে তিন মিনিট বাকি। এতক্ষণে আকাশে একরকম প্রাক-গোধুলীর আভাস। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, April 04, 2010

উটপাখী'র ডায়রী

সিরিজ খেলাপী, ই-বুক খেলাপী ইত্যাদি সুনাম আমার আছে। রিসেশানের যূগে খেলাপী হওয়াটা বিচিত্র কিছু না। ক্রেডিট ইন্সটিটিউটকে দেনাদার যা বলে এক্ষেত্রে সচলে আমার পাঠকদেরও সেরকম প্রতিশ্রুতি ছাড়া আর কিছু দিতে পারছিনা। খালি এটুকুই বলতে পারি...সবটাই ক্রমে আসিতেছে...সাথে এই আরো একটা যোগ হলো। এই আর কি.... ১. একখাবলা সিগারেটের খোল মনিটর আর উফারের মাঝখানে ঢাকনা ভাঙা ক্যালকুলেটর আড়াল করে নির্লিপ্ত পড়ে আছে। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Tuesday, March 30, 2010

খুব খিয়াল কৈরা!!!!!!

মানসিক প্রস্তুতি ছিল "নিয়মিত লেখা আর ব্লগের লেখা" নামে আমার প্রাগৌতিহাসিক একটা খেলাপি সিরিজকে শ্মশাণ থেকে টেনে তুলবার। পরে মনে হলো আরো কিছু কথা বিশেষ করে সচলায়তন নিয়ে কিছু কথা বলতে পারলে ভালো হয়, মানে আমার ভালো লাগে আর কি। ব্লগের একটা খুব বড়ো সুবিধা হচ্ছে কেন লিখছি কার জন্য লিখছি'র বিবেচনাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ফটাশ করে ইচ্ছে মতন কোন কথা নামিয়ে ফেলা যায়। কোন প্লাটফর্মে লিখছি সেটা অবশ্যই মনে রাখতে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, March 24, 2010

টুকরো টুকরো লেখা ২১

গত আড়াই দিন ধরে টানা রোদ পাচ্ছি। তবে ঠাণ্ডা কমার নাম নাই। কারণ গত শুক্রবার রাতে সর্বনাশ যা হবার হয়ে গেছে। রাত দশটা থেকে ভোর চারটার মধ্যে সপ্তাহখানেকের তুষার একসাথে পড়েছে। তারপর শুরু হয়েছে প্রকৃতির আরেক খাইস্টা রাজনীতি। ভোরবেলা থেকে সকাল দশটা সাড়ে দশটা পর্যন্ত মাইনাস সাত-আট আর তারপরে ফটাশ করে প্লাস শুণ্য থেকে এক-দুই। তুষার গলে রাস্তাঘাট মোটামুটি কাদা হতে হতে আবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ হিমাঙ্কের নিচে...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, March 07, 2010

টুকরো টুকরো লেখা ২০

তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে আঙ্গুল গুলিও খুলি খুলি করতাছে। আসলেই খুলছে কিনা বুঝতে আরো মাস খানেক লাগবো। গত মাসের তুলনায় পরিস্থিতির উন্নতি বলতে সচল খুইলা ভুদাই হইয়া চাইয়া থাকার বদলে কিছু এক্টা লেখার জন্য মাথার লগে আঙ্গুলেও কিছু কুচুরমুচুর। এইটা যুবকের না ভামের অ্যাপেটাইট সেইটা হয়তো ভোলে বাবা জানতে পারে, আমি শিওর না। ১. শিবিরের পোলাপান ঠোলার হাতে ধরা খাওয়া শুরু করছে। ক্যান জানি মনে হইতেছে একটু দেরী ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, March 03, 2010

টুকরো টুকরো লেখা ১৯

বাংলা ব্লগিঙে চারবছর একমাসের মতো হতে চলল। প্রথম বছর দেড় ব্লগিং খুব সহজ মনে হতো। মাথায় বা আঙ্গুলে কুড়কুড় করলেই ঠুসঠাস টাইপ করে ফেলতাম। তারপর একসময় মনে হলো এভাবে না। খিয়াল করে লিখতে হবে। ধুনফুন ব্লগের দিন শেষ, দিন বদলের বাংলাদেশ। নাইলে পাঠক ধোলাই দিতে কার্পণ্য করবে না। আস্তে আস্তে দেখি এমনকি ধোলাই খাওয়ার মতো আইডিয়াগুলিও খুলির খানাখন্দকে খাবি খাচ্ছে। আঙ্গুল না চললে মাথা চলে না। মাথা নিজে থেকে কিছু ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Saturday, February 27, 2010

গেছো বৌদির রান্না

মঙ্গলবার ২৩.০২.২০১০আবারো জঘন্য আবহাওয়া। সেই ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে শুরু করে এক্কেবারে এই সপ্তাহান্তের শুরু পর্যন্ত টানা তুষারপাত আর বদখৎ শীতে হাঁফিয়ে উঠেছিলাম ঠিক। রবিবার নাগাদ তুষারপাত থেমেছে, তাপমাত্রা বাড়ছে, বরফ গলছে এগুলিও সব ঠিক। সমস্যা হচ্ছে বরফ গলবার সাথে সাথে গুরফগুলিও হিমবাহের আগের তাজা চেহারায় ফিরতে শুরু করেছে। সাড়ে ষোলকলা হিসাবে গতরাত থেকে শুরু হয়েছে চিত্তক্ষয়কর টিপটিপ বৃষ্টি। ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Wednesday, February 24, 2010

গুরফ

তুষারভারাক্রান্ত মেঘের রঙ ঝিম ঝিম লাল। রাতভর তুষারের দিনকাল এলে সারারাত জানালা দিয়ে হিম গোধুলি দেখা যায়। এরকম চলছে সোয়া একুশ দিন হলো। সোয়া একুশ দিন ধরে টানা গোধুলি। দিনরাতের খবর নাই। রাস্তার ধারে তুষারের বপু হাঁটু ছুঁইছুঁই। তুষার জমে বরফ হয়েছে তারপর সেই বরফ ঢেকে আরো প্রায় বিঘৎখানেক তুষার। প্রতিটা ধাপ মেপে মেপে এগোতে হয়। লবণ আর কাঁকরের কৃপা শুধু বড় রাস্তাগুলিতেই। গলিঘুপচিতে বাড়ি থেকে বের হওয়া মানে...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Sunday, January 17, 2010

লাল সালাম কমরেড!

জ্যোতিবাবু আর নেই। প্রতিদিনই বহু লোক গত হচ্ছেন। খুব বেশী লোকে জ্যোতিবাবুর মতো ৯৬ বছর আয়ূ পান না। সেদিক থেকে জ্যোতিবাবুর বিদায়ে শোক যতটা তার থেকে স্মরণ আর শ্রদ্ধাবোধটাই বেশী আসে। তাঁর রাজনীতিকে সমর্থন করি বা না করি, কর্মবীরের সন্মান না পাবার জায়গা তিনি রাখেন নাই। কমরেডকে সেই শ্রদ্ধাঞ্জলিটুকই থাকলো। বিশাল মানুষগুলি একে একে হারিয়ে যাচ্ছেন। শোক বলতে এইটুকই।লাল সালাম কমরেড!...
-->বিস্তারিত পড়ুন...

Friday, January 01, 2010

ফ্রোয়েস নয়েস ইয়ার

নানা কারণে মনমেজাজ খারাপ। মোটামুটি তাৎক্ষণিক সমাধানের অযোগ্য সঙ্কটেই খারাপ। এরকম পরিস্থিতিতে বিষন্ন টাস্কিতে পড়ে থাকার বিকল্প নাই। তাই ছিলাম চুপচাপ পড়ে সন্ধ্যা থেকে। সচলায়তনে ঢোকা যাচ্ছে না। অসহায় অবস্থা জোরদার হলো। এর গুতাই তারে গুতাই। বিরক্তি বাড়ে। বাড়তে বাড়তে এক পর্যায়ে নববর্ষে ঠিক কী যেন এক্টা পোস্টাতে চেয়েছিলাম সেই আইডিয়া বিলুপ্ত হয়। শেষমেষ জার্মান সময়ে নববর্ষ আসতে এই মোটে ঘন্টাখানি আগে ...
-->বিস্তারিত পড়ুন...